• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> কুমিল্লা সিটি করপোরেশন

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসন

অভিজ্ঞ মনিরুলের সঙ্গে অনভিজ্ঞ দ্বীন মোহাম্মদ

৪৭ বছর ধরে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ২৩
logo

অভিজ্ঞ মনিরুলের সঙ্গে অনভিজ্ঞ দ্বীন মোহাম্মদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ২৩
Photo

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ৪৭ বছর ধরে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি এ পর্যন্ত সাতবার প্রার্থী হয়েছেন। ছয়টি নির্বাচনের মধ্যে তিনটিতে জয়ী হয়েছেন। এবার জিতলে চারবার জয়ী হবেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ প্রথমবার কোনো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরীর তুলনায় অনুজ্জ্বল জামায়াতের এই প্রার্থী। এ অবস্থায় অনায়াসে জয়ী হবেন মনিরুল হক চৌধুরী এমন ভাষ্য স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

এ আসনে প্রার্থী হলেন সাতজন। তাঁরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ (হাতপাখা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ওবায়দুল কবির মোহন (তারা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদেও কামরুন্নাহার সাথী (মই), গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন (ট্রাক),বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. ইয়াছিন ( পাঞ্জা),বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী (ছড়ি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. মাছুম বিল্লাহ মিয়াজী (মোমবাতি)। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৭ জন। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন ১১ হাজার ৯১৬ জন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ষাট ও সত্তরের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলন করেছেন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৬৯ এর আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি এ পর্যন্ত সাতবার নির্বাচন করেছেন। একবার আওয়ামী লীগের একাংশ থেকে, তিনবার জাতীয় পার্টি থেকে, এবারসহ বিএনপি থেকে তিনবার অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে দুইবার ও বিএনপি থেকে একবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। এবার বিএনপি থেকে জিতলে চারবার হবে। তিনি দক্ষিণ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, লালমাই, সদর দক্ষিণ, আদর্শ সদরের কিছু অংশ ও লাকসামের কিছু অংশ নিয়েও নির্বাচন করেন। সর্বশেষ এবার সদরে নির্বাচন করছেন। এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য তাঁকে মানুষ বেছে নেন। সরকার থেকে কিভাবে উন্নয়ন কাজ বাগিয়ে আনতে হয় এই কাজে তিনি পটু। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি কাজ পাগল নেতা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, সদর দক্ষিণ উপজেলা, সদর দক্ষিণ থানা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরকে নির্ভার বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, এবার বিএনপির সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। দলের মধ্যে বর্তমানে দৃশ্যমান কোন দ্বন্দ্ব নেই। সবাই এক মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদের কাছেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে।

জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন,‘ আমি বর্তমানে বিএনপির কোন পদে নেই। দল থেকে বহিষ্কৃত। কিন্তু দলের সব কাজ করি। তারেক রহমান সাহেবের জনসভায় লোক নিয়ে যাই। দলের প্রার্থীর জন্য রাতদিন কাজ করি। মিছিল মিটিং করি। আমার স্ত্রী, আমার ভাই কাজ করছে। মনিরুল হক চৌধুরী আমাদের মুরুব্বি। তিনি অনেক বড় ভোটের ব্যবধানে জিতবেন। আমরা আদি বিএনপির লোক। দল বহিষ্কার করেছে তাও দলে আছি। নিলেও আছি। ’

বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার উন্নয়নের জন্য মানুষ আমাকে ভোট দেবে। কুমিল্লা শহর ও গ্রামকে বাঁচাতে ভোটারেরা ধানের শীষে ভোট দেবেন। যেখানে যাই বিপুল সাড়া পাচ্ছি।

বিএনপির প্রার্থী তিনবারের সাবেক এমপি ছিলেন: মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৭৯ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম তথা বর্তমানে কুমিল্লা-১১ আসনে আওয়ামী লীগের একাংশ ( মিজানুর রহমান চৌধুরী পক্ষ) থেকে নির্বাচন করে ২ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আমানউদ্দিন আহমেদ, ইউপিপির কাজী জাফর আহমেদ ও আওয়ামী লীগের মিজানপন্থী মনিরুল হক চৌধুরীসহ সবাই ফেল করেন। নির্বাচনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের মালেকপন্থী আনোয়ারউল্লাহ।

কুমিল্লা -৯ ( আদর্শ সদরের ছয় ইউনিয়ন ও লাকসামের চার ইউনিয়ন) আসনে ১৯৮৮ সালে মনিরুল হক চৌধুরী প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন জাতীয় পার্টি থেকে।

কুমিল্লা-৯ আসনে মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে ৪২ হাজার ৭৪৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে ৪৭ হাজার ৭৬৪ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের আ হ ম মুস্তফা কামালের ( লোটাস কামাল) কাছে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০০১ সালে কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করে ৭৮ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে লোটাস কামালকে ১২ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন।

২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ ( নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনে কারাগার থেকে নির্বাচন করেন মনিরুল হক চৌধুরী। ওই নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে সিল মেরে লোটাস কামাল পেয়েছিলেন ৪ লাখ ৫ হাজার ২৯৯ ভোট। মনিরুল হক চৌধুরী পেয়েছিলেন ১২ হাজার ৪৮৮ ভোট। ওই নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে তাঁর মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস শাম্মী নির্বাচনী প্রচারণা করেন। তখন সায়মাকে নাঙ্গলকোটসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালাতে দেয়নি লোটাস কামাল ও পুলিশ প্রশাসন।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, লোটাস কামাল ১৯৯৬ সালে নির্বাচনী এলাকায় এসে টাকা ছাড়েন। এতে করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। এখন তাঁরা রাজনীতি থেকে নির্বাসিত।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদের পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করছেন। তিনিও বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা করছেন। তাঁর ব্যানার ফেস্টুনও নির্বাচনী এলাকায় আছে। তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন করছেন।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। ভোটারেরা সাড়া দিচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি কর্মীরা কাজ করছেন।

অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ওবায়দুল কবির মোহন , মো, হারুনুর রশিদ ও মো. ইয়াছিনের কিছু ব্যানার দেখা গেছে।

Thumbnail image

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ৪৭ বছর ধরে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি এ পর্যন্ত সাতবার প্রার্থী হয়েছেন। ছয়টি নির্বাচনের মধ্যে তিনটিতে জয়ী হয়েছেন। এবার জিতলে চারবার জয়ী হবেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মহানগর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ প্রথমবার কোনো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরীর তুলনায় অনুজ্জ্বল জামায়াতের এই প্রার্থী। এ অবস্থায় অনায়াসে জয়ী হবেন মনিরুল হক চৌধুরী এমন ভাষ্য স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

এ আসনে প্রার্থী হলেন সাতজন। তাঁরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ (হাতপাখা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ওবায়দুল কবির মোহন (তারা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদেও কামরুন্নাহার সাথী (মই), গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন (ট্রাক),বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. ইয়াছিন ( পাঞ্জা),বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী (ছড়ি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. মাছুম বিল্লাহ মিয়াজী (মোমবাতি)। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৭ জন। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন ১১ হাজার ৯১৬ জন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরুল হক চৌধুরী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ষাট ও সত্তরের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলন করেছেন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৬৯ এর আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি এ পর্যন্ত সাতবার নির্বাচন করেছেন। একবার আওয়ামী লীগের একাংশ থেকে, তিনবার জাতীয় পার্টি থেকে, এবারসহ বিএনপি থেকে তিনবার অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে দুইবার ও বিএনপি থেকে একবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। এবার বিএনপি থেকে জিতলে চারবার হবে। তিনি দক্ষিণ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, লালমাই, সদর দক্ষিণ, আদর্শ সদরের কিছু অংশ ও লাকসামের কিছু অংশ নিয়েও নির্বাচন করেন। সর্বশেষ এবার সদরে নির্বাচন করছেন। এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য তাঁকে মানুষ বেছে নেন। সরকার থেকে কিভাবে উন্নয়ন কাজ বাগিয়ে আনতে হয় এই কাজে তিনি পটু। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি কাজ পাগল নেতা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, সদর দক্ষিণ উপজেলা, সদর দক্ষিণ থানা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরকে নির্ভার বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, এবার বিএনপির সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। দলের মধ্যে বর্তমানে দৃশ্যমান কোন দ্বন্দ্ব নেই। সবাই এক মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদের কাছেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে।

জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন,‘ আমি বর্তমানে বিএনপির কোন পদে নেই। দল থেকে বহিষ্কৃত। কিন্তু দলের সব কাজ করি। তারেক রহমান সাহেবের জনসভায় লোক নিয়ে যাই। দলের প্রার্থীর জন্য রাতদিন কাজ করি। মিছিল মিটিং করি। আমার স্ত্রী, আমার ভাই কাজ করছে। মনিরুল হক চৌধুরী আমাদের মুরুব্বি। তিনি অনেক বড় ভোটের ব্যবধানে জিতবেন। আমরা আদি বিএনপির লোক। দল বহিষ্কার করেছে তাও দলে আছি। নিলেও আছি। ’

বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার উন্নয়নের জন্য মানুষ আমাকে ভোট দেবে। কুমিল্লা শহর ও গ্রামকে বাঁচাতে ভোটারেরা ধানের শীষে ভোট দেবেন। যেখানে যাই বিপুল সাড়া পাচ্ছি।

বিএনপির প্রার্থী তিনবারের সাবেক এমপি ছিলেন: মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৭৯ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম তথা বর্তমানে কুমিল্লা-১১ আসনে আওয়ামী লীগের একাংশ ( মিজানুর রহমান চৌধুরী পক্ষ) থেকে নির্বাচন করে ২ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আমানউদ্দিন আহমেদ, ইউপিপির কাজী জাফর আহমেদ ও আওয়ামী লীগের মিজানপন্থী মনিরুল হক চৌধুরীসহ সবাই ফেল করেন। নির্বাচনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের মালেকপন্থী আনোয়ারউল্লাহ।

কুমিল্লা -৯ ( আদর্শ সদরের ছয় ইউনিয়ন ও লাকসামের চার ইউনিয়ন) আসনে ১৯৮৮ সালে মনিরুল হক চৌধুরী প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন জাতীয় পার্টি থেকে।

কুমিল্লা-৯ আসনে মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে ৪২ হাজার ৭৪৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে ৪৭ হাজার ৭৬৪ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের আ হ ম মুস্তফা কামালের ( লোটাস কামাল) কাছে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০০১ সালে কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করে ৭৮ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে লোটাস কামালকে ১২ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন।

২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ ( নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনে কারাগার থেকে নির্বাচন করেন মনিরুল হক চৌধুরী। ওই নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে সিল মেরে লোটাস কামাল পেয়েছিলেন ৪ লাখ ৫ হাজার ২৯৯ ভোট। মনিরুল হক চৌধুরী পেয়েছিলেন ১২ হাজার ৪৮৮ ভোট। ওই নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে তাঁর মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস শাম্মী নির্বাচনী প্রচারণা করেন। তখন সায়মাকে নাঙ্গলকোটসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালাতে দেয়নি লোটাস কামাল ও পুলিশ প্রশাসন।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, লোটাস কামাল ১৯৯৬ সালে নির্বাচনী এলাকায় এসে টাকা ছাড়েন। এতে করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। এখন তাঁরা রাজনীতি থেকে নির্বাসিত।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদের পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করছেন। তিনিও বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা করছেন। তাঁর ব্যানার ফেস্টুনও নির্বাচনী এলাকায় আছে। তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন করছেন।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। ভোটারেরা সাড়া দিচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি কর্মীরা কাজ করছেন।

অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ওবায়দুল কবির মোহন , মো, হারুনুর রশিদ ও মো. ইয়াছিনের কিছু ব্যানার দেখা গেছে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

নাঙ্গলকোটে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও জিআই পাইপ উদ্ধার

২

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর মুন্সীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

৩

ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তলব করা মঞ্জুরুল মুন্সীকে আদালত সংযত হয়ে কথা বলার পরামর্শ

৪

বরুড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ

৫

বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এলো সেনা ট্যাঙ্ক, আহতদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার

সম্পর্কিত

নাঙ্গলকোটে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও জিআই পাইপ উদ্ধার

নাঙ্গলকোটে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও জিআই পাইপ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর মুন্সীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর মুন্সীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

৮ ঘণ্টা আগে
ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তলব করা মঞ্জুরুল মুন্সীকে আদালত সংযত হয়ে কথা বলার পরামর্শ

ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তলব করা মঞ্জুরুল মুন্সীকে আদালত সংযত হয়ে কথা বলার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে
বরুড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ

বরুড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ

১৩ ঘণ্টা আগে