নিজস্ব প্রতিবেদক

সংগীতশিল্পী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য আসিফ আকবর বলেছেন, বিএনপিকে চাঁদাবাজমুক্ত করে শহরবাসীকে প্রশান্তিতে রাখবেন কুমিল্লা- ৬ আসনের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় একটার দিকে নিজের ফেসবুকে এই পোস্ট করেন দেশের নামকরা এই তারকাশিল্পী।
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন কুমিল্লা সদর - ৬ আসনের প্রার্থী। আমি নিজে নমিনেশন পেপার কিনে স্থায়ী কমিটির নির্বাচনী বোর্ড ফেস করি এবং কুমিল্লা জেলার বৃহত্তর স্বার্থে ম্যাডামকে প্রার্থী হিসেবে চেয়েছি। সদরের সাবেক এমপি মরহুম কর্নেল আকবর হোসেন চাচার মৃত্যূতে বিএনপি ছিল প্রার্থী সঙ্কটে। সদর আসনটি কুমিল্লার অন্য দশটি আসনে প্রভাব ফেলবে- ঠিক এ কারনেই ম্যাডাম প্রার্থী হয়েছিলেন।
১৯ বছর পর কুমিল্লা সদর আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক জনাব মনিরুল হক চৌধুরী। বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বিচক্ষণতায় কোন্দল সঙ্কট কাটিয়ে কুমিল্লা বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ। শহীদ জিয়া এবং বেগম জিয়ার সাথে কুমিল্লার মানুষের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ম্যাডাম বলতেন- বিয়ের পর তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টেই সংসার শুরু করেছিলেন।
আসিফ আকবর বলেন, জনাব মনিরুল হক চৌধুরী একজন প্রজ্ঞাবান ভিশনারী এহং উচ্চশিক্ষিত রাজনীতিক। বিশৃঙ্খল পরিকল্পনাহীন কুমিল্লার জন্য তিনি হবেন একজন যোগ্য প্রশাসক। চৌধুরী সাহেবের সাথে রাজনীতি করার সৌভাগ্য হয়েছে। শুধু সদরের এমপি নয়, আমি চাই তিনি কুমিল্লা বিএনপিকে শিক্ষিত জেনারেশন দিয়ে সাজাবেন। আমি বিশ্বাস করি- বহুদিন পর কুমিল্লাবাসী একজন ভাল প্রশাসক পেতে যাচ্ছে। মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি। কুমিল্লাবাসী কাছে অনুরোধ - ১২ই ফেব্রুয়ারি সারাদিন, ধানের শীষে ভোট দিন।
আসিফ যথারীতি তাঁর পোস্টের সমাপ্তি টানেন ভালোবাসা অবিরাম লিখেই।
কুমিল্লা নগরের আদালত এলাকার ভোটার তিনি।

সংগীতশিল্পী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য আসিফ আকবর বলেছেন, বিএনপিকে চাঁদাবাজমুক্ত করে শহরবাসীকে প্রশান্তিতে রাখবেন কুমিল্লা- ৬ আসনের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় একটার দিকে নিজের ফেসবুকে এই পোস্ট করেন দেশের নামকরা এই তারকাশিল্পী।
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন কুমিল্লা সদর - ৬ আসনের প্রার্থী। আমি নিজে নমিনেশন পেপার কিনে স্থায়ী কমিটির নির্বাচনী বোর্ড ফেস করি এবং কুমিল্লা জেলার বৃহত্তর স্বার্থে ম্যাডামকে প্রার্থী হিসেবে চেয়েছি। সদরের সাবেক এমপি মরহুম কর্নেল আকবর হোসেন চাচার মৃত্যূতে বিএনপি ছিল প্রার্থী সঙ্কটে। সদর আসনটি কুমিল্লার অন্য দশটি আসনে প্রভাব ফেলবে- ঠিক এ কারনেই ম্যাডাম প্রার্থী হয়েছিলেন।
১৯ বছর পর কুমিল্লা সদর আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক জনাব মনিরুল হক চৌধুরী। বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বিচক্ষণতায় কোন্দল সঙ্কট কাটিয়ে কুমিল্লা বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ। শহীদ জিয়া এবং বেগম জিয়ার সাথে কুমিল্লার মানুষের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ম্যাডাম বলতেন- বিয়ের পর তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টেই সংসার শুরু করেছিলেন।
আসিফ আকবর বলেন, জনাব মনিরুল হক চৌধুরী একজন প্রজ্ঞাবান ভিশনারী এহং উচ্চশিক্ষিত রাজনীতিক। বিশৃঙ্খল পরিকল্পনাহীন কুমিল্লার জন্য তিনি হবেন একজন যোগ্য প্রশাসক। চৌধুরী সাহেবের সাথে রাজনীতি করার সৌভাগ্য হয়েছে। শুধু সদরের এমপি নয়, আমি চাই তিনি কুমিল্লা বিএনপিকে শিক্ষিত জেনারেশন দিয়ে সাজাবেন। আমি বিশ্বাস করি- বহুদিন পর কুমিল্লাবাসী একজন ভাল প্রশাসক পেতে যাচ্ছে। মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি। কুমিল্লাবাসী কাছে অনুরোধ - ১২ই ফেব্রুয়ারি সারাদিন, ধানের শীষে ভোট দিন।
আসিফ যথারীতি তাঁর পোস্টের সমাপ্তি টানেন ভালোবাসা অবিরাম লিখেই।
কুমিল্লা নগরের আদালত এলাকার ভোটার তিনি।