কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। দেড় দশকে এই সিটি করপোরেশন খুব বেশি এগোয়নি। অপরিকল্পিতভাবে এই শহর গড়ে উঠেছে। সড়ক আগের চেয়ে কোথাও কোথাও সংকুচিত হয়েছে। জলাবদ্ধতা দূর হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলে নগরে পানি জমে থাকে। নেই পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল। কাজ করার জন্য দক্ষ জনবল নেই। যানজটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। ইজিবাইক ও মিশুকের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত। এক কালের ছিমচাম শহর এখন ময়লা আবর্জনায় ভরা। নেই মহাপরিকল্পনাও। মেগা প্রকল্পের কাজও চলছে ধীরগতিতে। এ অবস্থায় বর্তমান প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় চার মাসের মধ্যে নগরকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করছেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছওে গত ৮ মার্চ মিলল ২৭৯ জন জনবল। ওই জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে সিটি করপোরেশনের কাজে গতি আসতো বলে নগরবাসী মনে করছেন।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। তখন কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা একীভ‚ত করে সিটি করপোরেশন করা হয়। একই সঙ্গে দুই পৌরসভার জনবল কে সিটি করপোরেশনে যুক্ত করা হয়। তখন স্থায়ী জনবল ছিল ১২২ জন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সিটি করপোরেশনে স্থায়ী জনবল ছিল ৮৩ জন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ছিল ৭১ জন। ২০২৫ সালে ৬৮ জন। বর্তমানে স্থায়ী জনবল কর্মরত আছে ৬৪ জন। দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিক ৯১৩ জন। এই জনবলের বেশির ভাগই নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত ও চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর না থাকায় কর্মকর্তারা নগরের ২৭ টি ওর্য়াড ও নয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগর ভবনের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নগর ভবনের অনেকগুলো সেবাখাতে দক্ষ লোক নেই। যে কারণে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ২০১২ সাল থেকে লোকবল নিয়োগের জন্য চিঠি চালাচালি করছে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে। এক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামোতে ২৪২ টি পদ অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি মঞ্জুরি (জিও) হয়েছে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ নিয়োগ বিধি করে। এখন গেজেটও হয়েছে।
জানা গেছে, ২৭৯ পদের মধ্যে নগর ভবনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২৬ টি পদ ও তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য ১৫৩ টি পদ রয়েছে। সর্বমোট ২৭৯ টি পদের মধ্যে একজন মেয়র ও ৩৬ জন ওয়ার্ড সচিব রয়েছেন। সরকার কোনভাবেই ওয়ার্ড সচিব পদ কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে রাখতে চায় না। এই কারণে ওই ৩৭ পদ বাদ দিয়ে ২৪২ টি পদে নিয়োগ, পদোন্নতির মাধ্যমে লোক নিতে পারবে। এখন নিয়োগ দেওয়ার পালা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন ৫৩ দশমিক ০৪ বর্গ কিলোমিটার। ওয়ার্ডেও সংখ্যা ২৭ টি। জনসংখ্যা সাত লাখ। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর চারবার মেয়র নির্বাচন ও তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচন হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর টানা দুই মেয়াদে (২০১৭ সালের ৩০ মার্চসহ) তৎকালীন বিএনপি নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কু মেয়র ছিলেন। ২০২২ সালের ১৫ জুন আওয়ামী লীগের আরফানুল হক ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ উপনির্বাচনে একই দলের তাহসীন বাহার মেয়র হন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর এক নির্বাহী আদেশে সারাদেশের মতো কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করা হয়। ওই সময়ে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে প্রশাসক হিসেবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর নতুন প্রশাসক পদে যোগ দেন সরকারের যুগ্ম সচিব পরে অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম। গত ১৬ মার্চ কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে প্রশাসকের দায়িত্ব নেন। এরপর তিনি সার্বিক কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি নিয়মের মধ্যে শৃঙ্খলার মধ্যে সিটি করপোরেশনকে ফিরিয়ে আনার লক্ষে কাজ করেছি। আমার সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়। সড়ক থেকে ভ্যানগাড়ি সরানো হয়। অটো ও মিশুক নিয়ে সভা হয়। নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়। নগরবিদদের দিয়ে ভূ -নৈসর্গিক সড়ক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আরও বরাদ্দ আনা হচ্ছে। আমি দিনরাত কাজ করছি।
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কিছু হয়নি। তবে টিপু কিছু একটা করার চেষ্টা করছে। উদ্যোগ নিচ্ছে। সাক্কু কিন্তু সীমানা বাড়ানোর প্রস্তাবটা দিয়ে ভালো করেছিল। সেটা এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। কুমিল্লা শহরের মূল সমস্যা পানি। এখানে কেউ কাউকে কিছু কয় না। কুমিল্লা এমন জায়গা। এই শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এটাকে ঠিক করার জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, শহরের নকশা অনুমোদনে পরিবর্তন এসেছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন যানবাহন এসেছে। শ্রমিকের দৌরাতœ কমেছে। এখন আগের চেয়ে নানা বিষয়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি হচ্ছে দ্রুত। কাজের গতি বেড়েছে। চারটি খাল সংস্কার হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পাইলট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডে। অটোরিকশার লাইন্সেস দেওয়া হবে অনলাইনে আবেদন করে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পরিবেশবিদ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা পৌরসভার চেয়ে উন্নতি করতে পারেনি। যানজট বেড়েছে। পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যা বেড়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোন উন্নতি নেই। বিল্ডিং কোড মানার ব্যাপারে সর্বনিম্ন মান। পুরাতন গোমতীর দখল দূষণে আরও খারাপ অবস্থা।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। দেড় দশকে এই সিটি করপোরেশন খুব বেশি এগোয়নি। অপরিকল্পিতভাবে এই শহর গড়ে উঠেছে। সড়ক আগের চেয়ে কোথাও কোথাও সংকুচিত হয়েছে। জলাবদ্ধতা দূর হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলে নগরে পানি জমে থাকে। নেই পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল। কাজ করার জন্য দক্ষ জনবল নেই। যানজটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। ইজিবাইক ও মিশুকের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত। এক কালের ছিমচাম শহর এখন ময়লা আবর্জনায় ভরা। নেই মহাপরিকল্পনাও। মেগা প্রকল্পের কাজও চলছে ধীরগতিতে। এ অবস্থায় বর্তমান প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় চার মাসের মধ্যে নগরকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করছেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছওে গত ৮ মার্চ মিলল ২৭৯ জন জনবল। ওই জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে সিটি করপোরেশনের কাজে গতি আসতো বলে নগরবাসী মনে করছেন।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। তখন কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা একীভ‚ত করে সিটি করপোরেশন করা হয়। একই সঙ্গে দুই পৌরসভার জনবল কে সিটি করপোরেশনে যুক্ত করা হয়। তখন স্থায়ী জনবল ছিল ১২২ জন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সিটি করপোরেশনে স্থায়ী জনবল ছিল ৮৩ জন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ছিল ৭১ জন। ২০২৫ সালে ৬৮ জন। বর্তমানে স্থায়ী জনবল কর্মরত আছে ৬৪ জন। দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিক ৯১৩ জন। এই জনবলের বেশির ভাগই নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত ও চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর না থাকায় কর্মকর্তারা নগরের ২৭ টি ওর্য়াড ও নয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগর ভবনের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নগর ভবনের অনেকগুলো সেবাখাতে দক্ষ লোক নেই। যে কারণে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ২০১২ সাল থেকে লোকবল নিয়োগের জন্য চিঠি চালাচালি করছে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে। এক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামোতে ২৪২ টি পদ অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি মঞ্জুরি (জিও) হয়েছে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ নিয়োগ বিধি করে। এখন গেজেটও হয়েছে।
জানা গেছে, ২৭৯ পদের মধ্যে নগর ভবনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২৬ টি পদ ও তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য ১৫৩ টি পদ রয়েছে। সর্বমোট ২৭৯ টি পদের মধ্যে একজন মেয়র ও ৩৬ জন ওয়ার্ড সচিব রয়েছেন। সরকার কোনভাবেই ওয়ার্ড সচিব পদ কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে রাখতে চায় না। এই কারণে ওই ৩৭ পদ বাদ দিয়ে ২৪২ টি পদে নিয়োগ, পদোন্নতির মাধ্যমে লোক নিতে পারবে। এখন নিয়োগ দেওয়ার পালা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন ৫৩ দশমিক ০৪ বর্গ কিলোমিটার। ওয়ার্ডেও সংখ্যা ২৭ টি। জনসংখ্যা সাত লাখ। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর চারবার মেয়র নির্বাচন ও তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচন হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর টানা দুই মেয়াদে (২০১৭ সালের ৩০ মার্চসহ) তৎকালীন বিএনপি নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কু মেয়র ছিলেন। ২০২২ সালের ১৫ জুন আওয়ামী লীগের আরফানুল হক ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ উপনির্বাচনে একই দলের তাহসীন বাহার মেয়র হন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর এক নির্বাহী আদেশে সারাদেশের মতো কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করা হয়। ওই সময়ে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে প্রশাসক হিসেবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর নতুন প্রশাসক পদে যোগ দেন সরকারের যুগ্ম সচিব পরে অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম। গত ১৬ মার্চ কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে প্রশাসকের দায়িত্ব নেন। এরপর তিনি সার্বিক কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি নিয়মের মধ্যে শৃঙ্খলার মধ্যে সিটি করপোরেশনকে ফিরিয়ে আনার লক্ষে কাজ করেছি। আমার সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়। সড়ক থেকে ভ্যানগাড়ি সরানো হয়। অটো ও মিশুক নিয়ে সভা হয়। নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়। নগরবিদদের দিয়ে ভূ -নৈসর্গিক সড়ক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আরও বরাদ্দ আনা হচ্ছে। আমি দিনরাত কাজ করছি।
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কিছু হয়নি। তবে টিপু কিছু একটা করার চেষ্টা করছে। উদ্যোগ নিচ্ছে। সাক্কু কিন্তু সীমানা বাড়ানোর প্রস্তাবটা দিয়ে ভালো করেছিল। সেটা এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। কুমিল্লা শহরের মূল সমস্যা পানি। এখানে কেউ কাউকে কিছু কয় না। কুমিল্লা এমন জায়গা। এই শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এটাকে ঠিক করার জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, শহরের নকশা অনুমোদনে পরিবর্তন এসেছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন যানবাহন এসেছে। শ্রমিকের দৌরাতœ কমেছে। এখন আগের চেয়ে নানা বিষয়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি হচ্ছে দ্রুত। কাজের গতি বেড়েছে। চারটি খাল সংস্কার হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পাইলট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডে। অটোরিকশার লাইন্সেস দেওয়া হবে অনলাইনে আবেদন করে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পরিবেশবিদ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা পৌরসভার চেয়ে উন্নতি করতে পারেনি। যানজট বেড়েছে। পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যা বেড়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোন উন্নতি নেই। বিল্ডিং কোড মানার ব্যাপারে সর্বনিম্ন মান। পুরাতন গোমতীর দখল দূষণে আরও খারাপ অবস্থা।