কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে প্রথম রাজনৈতিক প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম পূর্ণকালীন প্রশাসক হয়েছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা (টিপু)। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক প্রশাসক। এর আগে সরকারের যুগ্ম সচিব, জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিবেরা ঘুরেফিরে বিভিন্ন সময়ে এই দায়িত্বে ছিলেন। গতকাল শনিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার ( সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর ধারা ২৫ ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে এই নিয়োগ প্রদান করা হলো। গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রশাসকেরা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ও দলীয় পদবিধারী ব্যক্তি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর জন্ম ১৯৭৬ সালের ২৮ নভেম্বর। তিনি আব্দুল গফুর মোল্লা ও মোসা. রহিমা বেগমের সন্তান। কুমিল্লা নগরের দক্ষিণ চর্থা এলাকায় তাঁর বাসা ও হোল্ডিং নম্বর। টিপু দুই কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর বাবা চৌদ্দগ্রামের একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ মে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হন। ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা নগর ও জেলায় ঝুঁকি নিয়ে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন, সৎকার করেন। তিনি করোনা রোগীদের সেবায় কাজ করেন। তখন অন্তত ৫০০ ব্যক্তিকে মানবিক সংগঠন বিবেকের মাধ্যমে দল গঠন করে লাশ দাফন করেন। ওই সময়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজর কাড়েন। করোনার সময় কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালীরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেনকে সমিলে নিয়ে ড্রিল মেশিন দিয়ে হত্যা করেন আওয়ামী লীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান সেকান্দর আলী ও তাঁর লোকজন। ওই সময়ে ইউসুফ মোল্লা টিপু ওই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করেন। একই সঙ্গে তারেক রহমানের নির্দেশে ওই পরিবারকে আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেন। তারেক রহমানের দেওয়া অর্থ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাদের নিয়ে পারভেজের বাড়ি পৌঁছে দেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি কুমিল্লা নগরে ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন কিনে মশক নিধনে কাজ করেন। কুমিল্লা নগরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতামূলক কাজ করেন। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি কারাবরণ করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর রাজনৈতিক উত্থান কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা ( বর্তমানে বহিস্কৃত) মো. মনিরুল হক সাক্কুর হাত ধরে। সাক্কুর সঙ্গে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে তাঁর মতবিরোধ দেখা দেয়। ওই নির্বাচনের সময় তিনি সাক্কুর থেকে আলাদা হয়ে যান। এরপর টিপু ,সাক্কুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বর্তমান কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের বলয়ে যোগ দেন। ইয়াছিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পাননি। তখন নেপথ্যে থেকে টিপু তাঁর অনুসারীদের দিয়ে মনোনয়ন পরিবর্তনের জন্য নানা ধরণের কর্মসূচি করেন ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ইয়াছিন মন্ত্রী হন। মন্ত্রীসভা গঠনের পর দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসে। টিপুর পক্ষে শক্তিশালী পক্ষ থাকায় তিনি গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে প্রশাসক হন।
জানতে চাইলে নতুন প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,‘ আলহামদুলিল্লাহ। সবার দোয়ায় আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি যেন সততার সঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে সাজাতে পারি। দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসীকে নিয়ে সুন্দর পরিচ্ছন্ন নগরী গড়বো।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম পূর্ণকালীন প্রশাসক হয়েছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা (টিপু)। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক প্রশাসক। এর আগে সরকারের যুগ্ম সচিব, জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিবেরা ঘুরেফিরে বিভিন্ন সময়ে এই দায়িত্বে ছিলেন। গতকাল শনিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার ( সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর ধারা ২৫ ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে এই নিয়োগ প্রদান করা হলো। গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রশাসকেরা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ও দলীয় পদবিধারী ব্যক্তি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর জন্ম ১৯৭৬ সালের ২৮ নভেম্বর। তিনি আব্দুল গফুর মোল্লা ও মোসা. রহিমা বেগমের সন্তান। কুমিল্লা নগরের দক্ষিণ চর্থা এলাকায় তাঁর বাসা ও হোল্ডিং নম্বর। টিপু দুই কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর বাবা চৌদ্দগ্রামের একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ মে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হন। ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা নগর ও জেলায় ঝুঁকি নিয়ে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন, সৎকার করেন। তিনি করোনা রোগীদের সেবায় কাজ করেন। তখন অন্তত ৫০০ ব্যক্তিকে মানবিক সংগঠন বিবেকের মাধ্যমে দল গঠন করে লাশ দাফন করেন। ওই সময়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজর কাড়েন। করোনার সময় কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালীরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেনকে সমিলে নিয়ে ড্রিল মেশিন দিয়ে হত্যা করেন আওয়ামী লীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান সেকান্দর আলী ও তাঁর লোকজন। ওই সময়ে ইউসুফ মোল্লা টিপু ওই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করেন। একই সঙ্গে তারেক রহমানের নির্দেশে ওই পরিবারকে আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেন। তারেক রহমানের দেওয়া অর্থ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাদের নিয়ে পারভেজের বাড়ি পৌঁছে দেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি কুমিল্লা নগরে ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন কিনে মশক নিধনে কাজ করেন। কুমিল্লা নগরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতামূলক কাজ করেন। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি কারাবরণ করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর রাজনৈতিক উত্থান কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা ( বর্তমানে বহিস্কৃত) মো. মনিরুল হক সাক্কুর হাত ধরে। সাক্কুর সঙ্গে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে তাঁর মতবিরোধ দেখা দেয়। ওই নির্বাচনের সময় তিনি সাক্কুর থেকে আলাদা হয়ে যান। এরপর টিপু ,সাক্কুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বর্তমান কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের বলয়ে যোগ দেন। ইয়াছিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পাননি। তখন নেপথ্যে থেকে টিপু তাঁর অনুসারীদের দিয়ে মনোনয়ন পরিবর্তনের জন্য নানা ধরণের কর্মসূচি করেন ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লবিং করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ইয়াছিন মন্ত্রী হন। মন্ত্রীসভা গঠনের পর দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসে। টিপুর পক্ষে শক্তিশালী পক্ষ থাকায় তিনি গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে প্রশাসক হন।
জানতে চাইলে নতুন প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,‘ আলহামদুলিল্লাহ। সবার দোয়ায় আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি যেন সততার সঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে সাজাতে পারি। দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসীকে নিয়ে সুন্দর পরিচ্ছন্ন নগরী গড়বো।’