নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ভোটার প্রায় ৫০ লাখ। কেন্দ্র সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৮৩ জন প্রার্থী। নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার সবগুলো সংসদীয় আসনকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে ভোটের দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। এসময় তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ২৬ হাজার ৩৩৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে রয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন পুলিশ সদস্য, ২ হাজার ৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ৫০০ জন বিজিবি সদস্য এবং ১৯ হাজার ৩৮৩ জন আনসার সদস্য।
পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে জেলা প্রশাসনের ৬৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি সংসদীয় আসনে র্যাবের ২০ জন করে সদস্য নিয়মিত টহলে থাকবেন।
ভোটের দিন যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স, স্ট্যান্ডবাই টিম, টহল টিম এবং পেট্রোল টিম প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ মহড়া করেছে। মঙ্গলবার কুমিল্লা নগরীর হাউজিং এস্টেট লাউয়া দিঘির মাঠে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আসে সাঁজোয়া ট্যাঙ্ক। আহতদের উদ্ধার করে হেলিকপ্টার।
প্রশাসনের এসব আয়োজনে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ভোটার প্রায় ৫০ লাখ। কেন্দ্র সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৮৩ জন প্রার্থী। নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লার সবগুলো সংসদীয় আসনকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে ভোটের দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। এসময় তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ২৬ হাজার ৩৩৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে রয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন পুলিশ সদস্য, ২ হাজার ৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ৫০০ জন বিজিবি সদস্য এবং ১৯ হাজার ৩৮৩ জন আনসার সদস্য।
পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে জেলা প্রশাসনের ৬৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি সংসদীয় আসনে র্যাবের ২০ জন করে সদস্য নিয়মিত টহলে থাকবেন।
ভোটের দিন যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স, স্ট্যান্ডবাই টিম, টহল টিম এবং পেট্রোল টিম প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ মহড়া করেছে। মঙ্গলবার কুমিল্লা নগরীর হাউজিং এস্টেট লাউয়া দিঘির মাঠে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আসে সাঁজোয়া ট্যাঙ্ক। আহতদের উদ্ধার করে হেলিকপ্টার।
প্রশাসনের এসব আয়োজনে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।