নিজস্ব প্রতিবেদক

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে সঠিক দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীকেও সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণের আহবান জানান ।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি ওই আহ্বান জানান। কুমিল্লা নগরের উত্তর চর্থা মনির টাওয়ারে ওই সংবাদ সম্মেলন হয়।
গত সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াত শিবির কর্তৃক বিএনপি নেতাকর্মীর উপর আক্রমণের ঘটনায় তিনি বলেন, গত সোমবার রাতে দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের বড়দৈল গ্রামে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর হামলায় দুজন বিএনপি কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাতেই হাসপাতালে তাঁদের দেখতে যাই। এভাবে মানুষ মানুষকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থে পিটাতে পারে আমার জানা ছিল না। জামায়াতের প্রার্থী নিশ্চয়ই বিষয়টি অবগত হয়েছেন। দেখি তিনি দলীয়ভাবে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানাব। দীর্ঘ আন্দোলনে আমরা রাজপথের সহযোদ্ধা ছিলাম, মজলুম ছিলাম। এখন কেউ জালিম হইয়েন না।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমার কাছে যেসকল আসন ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছে সেগুলার তালিকা করে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। আশা করি, তাঁরা সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সকল অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে সাধারণ জনগণকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। মঙ্গলবার থেকে সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল অব্দি আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারণা করেছি। আমি এই আদি কোতোয়ালির সন্তান হয়েও কুমিল্লা শহরে আমি প্রার্থী হিসেবে এবারই প্রথম। শহরকে সাজাতে আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল এখানে প্রার্থী হওয়ার। আপনারা অবগত আছেন দীর্ঘ সময় দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। গণতন্ত্র পর্যুদস্ত হয়েছে বারবার। এবারের নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকারনিশ্চিতকরনের নির্বাচন।
চব্বিশের জুলাইয়ের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলো। এতো এতো তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের জুলাইয়ের চেতনা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও চারদিকে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল অপতৎপরতা রুখে দিয়ে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। ভোটের দিন কেউ কোন প্রকার অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আপনারা শক্ত হাতে দমন করবেন। গত ১৭ বছর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর মানুষের যে বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি সুযোগ এসেছে আপনাদের সে বিশ্বাস অর্জনের।
কুমিল্লা-৬ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা নির্বিঘ্নে, কোন প্রকার ভয় ভীতি, শঙ্কা না করে সকলে ভোটকেন্দ্রে আসবেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সকল দল মত, জাতি ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে আমি প্রার্থী হিসেবে সবার ভোট চাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার প্রমুখ।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে সঠিক দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীকেও সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণের আহবান জানান ।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি ওই আহ্বান জানান। কুমিল্লা নগরের উত্তর চর্থা মনির টাওয়ারে ওই সংবাদ সম্মেলন হয়।
গত সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াত শিবির কর্তৃক বিএনপি নেতাকর্মীর উপর আক্রমণের ঘটনায় তিনি বলেন, গত সোমবার রাতে দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের বড়দৈল গ্রামে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর হামলায় দুজন বিএনপি কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাতেই হাসপাতালে তাঁদের দেখতে যাই। এভাবে মানুষ মানুষকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থে পিটাতে পারে আমার জানা ছিল না। জামায়াতের প্রার্থী নিশ্চয়ই বিষয়টি অবগত হয়েছেন। দেখি তিনি দলীয়ভাবে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানাব। দীর্ঘ আন্দোলনে আমরা রাজপথের সহযোদ্ধা ছিলাম, মজলুম ছিলাম। এখন কেউ জালিম হইয়েন না।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমার কাছে যেসকল আসন ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছে সেগুলার তালিকা করে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। আশা করি, তাঁরা সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সকল অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে সাধারণ জনগণকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। মঙ্গলবার থেকে সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল অব্দি আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারণা করেছি। আমি এই আদি কোতোয়ালির সন্তান হয়েও কুমিল্লা শহরে আমি প্রার্থী হিসেবে এবারই প্রথম। শহরকে সাজাতে আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল এখানে প্রার্থী হওয়ার। আপনারা অবগত আছেন দীর্ঘ সময় দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। গণতন্ত্র পর্যুদস্ত হয়েছে বারবার। এবারের নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকারনিশ্চিতকরনের নির্বাচন।
চব্বিশের জুলাইয়ের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলো। এতো এতো তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের জুলাইয়ের চেতনা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও চারদিকে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল অপতৎপরতা রুখে দিয়ে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। ভোটের দিন কেউ কোন প্রকার অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আপনারা শক্ত হাতে দমন করবেন। গত ১৭ বছর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর মানুষের যে বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি সুযোগ এসেছে আপনাদের সে বিশ্বাস অর্জনের।
কুমিল্লা-৬ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা নির্বিঘ্নে, কোন প্রকার ভয় ভীতি, শঙ্কা না করে সকলে ভোটকেন্দ্রে আসবেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সকল দল মত, জাতি ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে আমি প্রার্থী হিসেবে সবার ভোট চাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার প্রমুখ।