কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র/প্রশাসকের কোন গাড়ি নেই। বর্তমান প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা (টিপু) নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে প্রশাসকগিরি করছেন। মেয়রের বাড়িতে পুড়ে যাওয়া গাড়ি নিয়ে কোনো মামলা হয়নি।
জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়রের জন্য কুমিল্লা-ঘ-১১-০১৭২ নম্বরের একটি সাদা রঙের পাজারো স্পোর্টস গাড়ি বরাদ্দ ছিল। ২০২৩ সালে ১ কোটি ৪১ লাখ টাকা দিয়ে ওই গাড়ি কেনা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গাড়িটি তৎকালীন মেয়র ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসীন বাহারের মুন্সেফ বাড়িতে ছিল। তখন কে বা কারা মেয়রের বাড়িতে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। তখন অগ্নিসংযোগে গাড়িটি পুড়ে যায়। এরপর এ নিয়ে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের মামলা করেনি। এমনকি ওই গাড়ি পোড়ার বিষয়টি অনেকটা ঢেকে দেওয়া হয়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামছুল আলমকে এ নিয়ে অভিযোগ করতে বললেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। যানবাহন শাখা উপসহকারী প্রকৌশলী ইদ্রিস মিয়া কর্তৃপক্ষের কোন নির্দেশনা না পেয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি চলতি বছরের ১৬ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে যোগ দিই। তখন জানতে পারি মেয়রের গাড়ি নেই। সেটি ৫ আগস্ট পুড়ে গেছে। গাড়ি যে পুড়ে গেছে সেটা নিয়ে সিটি করপোরেশন কোন ধরনের মামলা করেনি। কেন মামলা করা হয়নি, সেটি খুঁজে বের করা হবে।
প্রশাসক বলেন, নিজের গাড়ি দিয়েই নগরবাসীর সেবা দিচ্ছি।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র/প্রশাসকের কোন গাড়ি নেই। বর্তমান প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা (টিপু) নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে প্রশাসকগিরি করছেন। মেয়রের বাড়িতে পুড়ে যাওয়া গাড়ি নিয়ে কোনো মামলা হয়নি।
জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়রের জন্য কুমিল্লা-ঘ-১১-০১৭২ নম্বরের একটি সাদা রঙের পাজারো স্পোর্টস গাড়ি বরাদ্দ ছিল। ২০২৩ সালে ১ কোটি ৪১ লাখ টাকা দিয়ে ওই গাড়ি কেনা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গাড়িটি তৎকালীন মেয়র ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসীন বাহারের মুন্সেফ বাড়িতে ছিল। তখন কে বা কারা মেয়রের বাড়িতে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। তখন অগ্নিসংযোগে গাড়িটি পুড়ে যায়। এরপর এ নিয়ে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের মামলা করেনি। এমনকি ওই গাড়ি পোড়ার বিষয়টি অনেকটা ঢেকে দেওয়া হয়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামছুল আলমকে এ নিয়ে অভিযোগ করতে বললেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। যানবাহন শাখা উপসহকারী প্রকৌশলী ইদ্রিস মিয়া কর্তৃপক্ষের কোন নির্দেশনা না পেয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি চলতি বছরের ১৬ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে যোগ দিই। তখন জানতে পারি মেয়রের গাড়ি নেই। সেটি ৫ আগস্ট পুড়ে গেছে। গাড়ি যে পুড়ে গেছে সেটা নিয়ে সিটি করপোরেশন কোন ধরনের মামলা করেনি। কেন মামলা করা হয়নি, সেটি খুঁজে বের করা হবে।
প্রশাসক বলেন, নিজের গাড়ি দিয়েই নগরবাসীর সেবা দিচ্ছি।