বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোটার্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির ১৩তম চার্টার্ড দিবস উপলক্ষে 'অঙ্কুর' অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। গতকাল শনিবার দুপুর দুইটায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্কুর অনুষ্ঠান উদযাপন শুরু হয়।
এরপর নাজমুস সাকিব এবং ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার সঞ্চালনায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে জাহান, রোটার্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রোটার্যাক্ট ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
রোটার্যাক্ট ক্লাবের সভাপতি তানভীর আনজুৃম সজল বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছরের পথচলায় নেতৃত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠনটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। Fellowship Through Service এই মূলমন্ত্রকে তুলে ধরে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজকেন্দ্রিক বৃহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জন্য সকলের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করছি।
অধ্যাপক ড. মইনুল হোসেন বলেন, আমরা কেবল নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিনিধি নই, আমরা সবাই গ্লোবাল সিটিজেন। এই বিশ্বকে মানব বাসযোগ্য ও টেকসই রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করাই রোটার্যাক্ট আন্দোলনের মূল দর্শন। সেবার মাধ্যমেই বন্ধন তৈরি হয়, নেতৃত্ব গড়ে ওঠে এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোটার্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির ১৩তম চার্টার্ড দিবস উপলক্ষে 'অঙ্কুর' অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। গতকাল শনিবার দুপুর দুইটায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্কুর অনুষ্ঠান উদযাপন শুরু হয়।
এরপর নাজমুস সাকিব এবং ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার সঞ্চালনায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে জাহান, রোটার্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রোটার্যাক্ট ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
রোটার্যাক্ট ক্লাবের সভাপতি তানভীর আনজুৃম সজল বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছরের পথচলায় নেতৃত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠনটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। Fellowship Through Service এই মূলমন্ত্রকে তুলে ধরে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজকেন্দ্রিক বৃহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জন্য সকলের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করছি।
অধ্যাপক ড. মইনুল হোসেন বলেন, আমরা কেবল নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিনিধি নই, আমরা সবাই গ্লোবাল সিটিজেন। এই বিশ্বকে মানব বাসযোগ্য ও টেকসই রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করাই রোটার্যাক্ট আন্দোলনের মূল দর্শন। সেবার মাধ্যমেই বন্ধন তৈরি হয়, নেতৃত্ব গড়ে ওঠে এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়।