ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বৈশাখের তীব্র দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
শিক্ষার্থীরা জানান, দিনের বেলায় লোডশেডিং কোনোভাবে মেনে নেওয়া গেলেও সন্ধ্যা ও রাতের ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পড়াশোনার সময় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ধান্যদৌল এলাকার পরীক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলেন, জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছি। ভালো প্রস্তুতি নিয়েও যদি বিদ্যুতের কারণে পড়াশুনায় ভালো ভাবে রিভিসন দিতে না পারি এবং ভালো ফলাফল করতে না পারি, সেই ব্যর্থতা সারা জীবন বহন করতে হবে।
চান্দলা এলাকার আরেক শিক্ষার্থী কামরুল হাসান বলেন, পরীক্ষার এই সময়ে অন্তত পড়াশোনার সময়টুকুতে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারব।
মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরমান জানায়, রাতে পড়তে বসলেই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। গরমে পড়াশোনায় মন বসে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চার্জার ফ্যানও কাজ করে না।
অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সংকট শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আজিজ জানান, উপজেলায় দৈনিক ১৮ থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩ থেকে ১৪ মেগাওয়াট। দাবদাহের কারণে চাহিদা আরও বাড়ছে। তবে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বৈশাখের তীব্র দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
শিক্ষার্থীরা জানান, দিনের বেলায় লোডশেডিং কোনোভাবে মেনে নেওয়া গেলেও সন্ধ্যা ও রাতের ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পড়াশোনার সময় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ধান্যদৌল এলাকার পরীক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলেন, জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছি। ভালো প্রস্তুতি নিয়েও যদি বিদ্যুতের কারণে পড়াশুনায় ভালো ভাবে রিভিসন দিতে না পারি এবং ভালো ফলাফল করতে না পারি, সেই ব্যর্থতা সারা জীবন বহন করতে হবে।
চান্দলা এলাকার আরেক শিক্ষার্থী কামরুল হাসান বলেন, পরীক্ষার এই সময়ে অন্তত পড়াশোনার সময়টুকুতে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারব।
মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরমান জানায়, রাতে পড়তে বসলেই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। গরমে পড়াশোনায় মন বসে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চার্জার ফ্যানও কাজ করে না।
অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সংকট শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আজিজ জানান, উপজেলায় দৈনিক ১৮ থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৩ থেকে ১৪ মেগাওয়াট। দাবদাহের কারণে চাহিদা আরও বাড়ছে। তবে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।