সংরক্ষিত নারী আসন
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দেবীদ্বারে ৫ জনসহ কুমিল্লার ১১ আসনের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ২৯ আবেদনকারীর কেউ এমপির তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।
তবে দেবীদ্বারের পুত্রবধূ সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বরিশাল বাবুগঞ্জ এলাকা থেকে আবেদন করে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে ফোনালাপে সেলিমা রহমান জানান, নির্বাচিত হয়েছি। কোন জোনে দায়িত্ব দেয়া হবে তা এখনো জানা হয়নি। যেখানে দায়িত্ব পাব সেখানে কাজ করব।
গতকাল সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দলের ৩৬ জন মনোনীতদের মধ্যে দেবীদ্বারসহ কুমিল্লার ২৯ প্রার্থীর কারোর নাম তালিকায় না আসলেও দলের প্রকাশিত তালিকার প্রথমে রয়েছে সেলিমা রহমানের নাম। তিনি তাঁর বাবার বাড়ি বরিশাল বিভাগ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও দেবীদ্বারের পুত্রবধূ ও কন্যাসহ ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও তাঁদের কেউ মনোনয়নপ্রাপ্ত হননি।
সেলিমা রহমান কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ গ্রামের ভ‚ঁইয়া বাড়ির আব্দুল হামিদ ভ‚ঁইয়ার পুত্রবধূ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম এ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী। বর্তমান সময়ে পরিবার নিয়ে তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন। জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু হামলা মামলার শিকার হয়েছেন ও কারাভোগ করেছেন। সেলিমা রহমান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুভ‚তি জানতে এবিষয়ে কথা বললে মনোনয়নপ্রাপ্ত সেলিমা রহমান বলেন, ভালো লাগছে। আল্লাহ যা দেয় তাঁতে সন্তুষ্ট থেকে সেটাকে সম্মান করা উচিত।
বিএনপি দলীয় এমপি শূন্য দেবীদ্বারকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। কোন জোনে দিবে তাও জানা যায়নি, আমি দায়িত্ব পেলে অবশ্যই দেবীদ্বারকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করব।
অপর দিকে মনোনয়ন বঞ্চিত কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সাবেক দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম জানান, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে আমিসহ ৫ জন মনোনয়নপত্র টানলেও কেউ মনোনয়ন পাননি। আমার সঙ্গে আরো যারা ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুমিল্লা- ৪ আসনের সাবেক ৪ বারের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর সহধর্মিণী মাজেদা আহসান মুন্সী, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পুত্র ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর স্ত্রী ফারজানা বুবলী, সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট ফেরদৌস আক্তার ওয়াহিদা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেহানা পারভীনসহ ৫ জনের কেউ মনোনয়ন পায়নি। তাছাড়া কুমিল্লা সদর আসনের ৪ জন, বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া আসনে ২ জন, লাকসাম, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, তিতাস ১ জন করে, দাউদকান্দির ৫জন, হোমনার ৩জন, মেঘনার ২ জনসহ মোট ৩০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ১ জন মনোনয়ন জমা দেননি। বাকি ২৯ জনের কেউ পাননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দেবীদ্বারে ৫ জনসহ কুমিল্লার ১১ আসনের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ২৯ আবেদনকারীর কেউ এমপির তালিকাভুক্ত হতে পারেননি।
তবে দেবীদ্বারের পুত্রবধূ সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বরিশাল বাবুগঞ্জ এলাকা থেকে আবেদন করে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে ফোনালাপে সেলিমা রহমান জানান, নির্বাচিত হয়েছি। কোন জোনে দায়িত্ব দেয়া হবে তা এখনো জানা হয়নি। যেখানে দায়িত্ব পাব সেখানে কাজ করব।
গতকাল সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দলের ৩৬ জন মনোনীতদের মধ্যে দেবীদ্বারসহ কুমিল্লার ২৯ প্রার্থীর কারোর নাম তালিকায় না আসলেও দলের প্রকাশিত তালিকার প্রথমে রয়েছে সেলিমা রহমানের নাম। তিনি তাঁর বাবার বাড়ি বরিশাল বিভাগ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এছাড়াও দেবীদ্বারের পুত্রবধূ ও কন্যাসহ ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও তাঁদের কেউ মনোনয়নপ্রাপ্ত হননি।
সেলিমা রহমান কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ গ্রামের ভ‚ঁইয়া বাড়ির আব্দুল হামিদ ভ‚ঁইয়ার পুত্রবধূ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম এ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী। বর্তমান সময়ে পরিবার নিয়ে তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন। জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু হামলা মামলার শিকার হয়েছেন ও কারাভোগ করেছেন। সেলিমা রহমান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুভ‚তি জানতে এবিষয়ে কথা বললে মনোনয়নপ্রাপ্ত সেলিমা রহমান বলেন, ভালো লাগছে। আল্লাহ যা দেয় তাঁতে সন্তুষ্ট থেকে সেটাকে সম্মান করা উচিত।
বিএনপি দলীয় এমপি শূন্য দেবীদ্বারকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। কোন জোনে দিবে তাও জানা যায়নি, আমি দায়িত্ব পেলে অবশ্যই দেবীদ্বারকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করব।
অপর দিকে মনোনয়ন বঞ্চিত কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সাবেক দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম জানান, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে আমিসহ ৫ জন মনোনয়নপত্র টানলেও কেউ মনোনয়ন পাননি। আমার সঙ্গে আরো যারা ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুমিল্লা- ৪ আসনের সাবেক ৪ বারের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর সহধর্মিণী মাজেদা আহসান মুন্সী, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পুত্র ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর স্ত্রী ফারজানা বুবলী, সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট ফেরদৌস আক্তার ওয়াহিদা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেহানা পারভীনসহ ৫ জনের কেউ মনোনয়ন পায়নি। তাছাড়া কুমিল্লা সদর আসনের ৪ জন, বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া আসনে ২ জন, লাকসাম, বরুড়া, নাঙ্গলকোট, তিতাস ১ জন করে, দাউদকান্দির ৫জন, হোমনার ৩জন, মেঘনার ২ জনসহ মোট ৩০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ১ জন মনোনয়ন জমা দেননি। বাকি ২৯ জনের কেউ পাননি।