হোমনায় গৃহবধূ ধর্ষণ
হোমনা প্রতিনিধি

স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে না পারায় আজ সোমবারও বিক্ষোভ মিছিল সদরের হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও খাদিজা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চা বিদ্যালয়সহ চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এক পর্যায়ে থানা চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়িতে থানার প্রধান ফটকটি ভেঙে পড়ে যায়।
গতকাল রোববার থেকেই ধর্ষক আশিককে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের তরুণ সমাজ আন্দোলনে নামে। ওইদিন বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার সেই আল্টিমেটাম শেষ হলেও প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, ধর্ষক আশিককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তবে গেট ভাঙা এবং ধর্ষককে গ্রেপ্তারে আন্দোলনকারীদের বেধে দেওয়া সময়সীমা সম্পকে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়–য়া বলেন, আসলে তারা গেটটি পরিকল্পিতভাবে ভাঙেনি। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে ভেতরে ঢুকতে গিয়ে গেটটি পড়ে যায়। তারা আল্টিমেটামের বিষয়ে কথা বলতে এসেছিল। আসামি গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ধান পাওয়া মাত্র তাকে ধরতে ২৪ সেকেন্ডও সময় নেব না। সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কুমার হালদার বলেন, শিক্ষার্থীদের আজ মানববন্ধন করার কথা। সমাজে যাতে কোনো অন্যায় না হয়, সে লক্ষ্যে সুশৃঙ্খলভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাবে। কিন্তু তারা মিছিল করবে, থানার মধ্যে ঢুকবে এমনটা তো কথা ছিল না। শিক্ষার্থীদের থানার ভেতরে ঢোকার বিষয়টি থানা থেকেই আমাকে জানানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বলেছি, শিক্ষার্থীরা এটা কেন করল-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের সঙ্গে তো শিক্ষকরাও ছিল শুনেছি, এর জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, তাদের জবাব দিতে হবে। শিক্ষার্থীরা সামাজিক, মানবিক যে কোনো বিষয়ে তারা গঠনমূলক অবদান রাখতে পারে, কিন্তু কেউ রাজনৈতিকভাবে তাদেরকে ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না বলে দেওয়া হয়েছে।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সামাজিক অবক্ষয়মূলক যেকোনো বিষয়ের সুশৃঙ্খলভাবে গঠনমূলক প্রতিবাদ করা দরকার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে পারে। তবে বিশৃঙ্খলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে না পারায় আজ সোমবারও বিক্ষোভ মিছিল সদরের হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও খাদিজা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চা বিদ্যালয়সহ চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এক পর্যায়ে থানা চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়িতে থানার প্রধান ফটকটি ভেঙে পড়ে যায়।
গতকাল রোববার থেকেই ধর্ষক আশিককে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের তরুণ সমাজ আন্দোলনে নামে। ওইদিন বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার সেই আল্টিমেটাম শেষ হলেও প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, ধর্ষক আশিককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তবে গেট ভাঙা এবং ধর্ষককে গ্রেপ্তারে আন্দোলনকারীদের বেধে দেওয়া সময়সীমা সম্পকে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়–য়া বলেন, আসলে তারা গেটটি পরিকল্পিতভাবে ভাঙেনি। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে ভেতরে ঢুকতে গিয়ে গেটটি পড়ে যায়। তারা আল্টিমেটামের বিষয়ে কথা বলতে এসেছিল। আসামি গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ধান পাওয়া মাত্র তাকে ধরতে ২৪ সেকেন্ডও সময় নেব না। সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কুমার হালদার বলেন, শিক্ষার্থীদের আজ মানববন্ধন করার কথা। সমাজে যাতে কোনো অন্যায় না হয়, সে লক্ষ্যে সুশৃঙ্খলভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাবে। কিন্তু তারা মিছিল করবে, থানার মধ্যে ঢুকবে এমনটা তো কথা ছিল না। শিক্ষার্থীদের থানার ভেতরে ঢোকার বিষয়টি থানা থেকেই আমাকে জানানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বলেছি, শিক্ষার্থীরা এটা কেন করল-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের সঙ্গে তো শিক্ষকরাও ছিল শুনেছি, এর জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, তাদের জবাব দিতে হবে। শিক্ষার্থীরা সামাজিক, মানবিক যে কোনো বিষয়ে তারা গঠনমূলক অবদান রাখতে পারে, কিন্তু কেউ রাজনৈতিকভাবে তাদেরকে ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না বলে দেওয়া হয়েছে।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সামাজিক অবক্ষয়মূলক যেকোনো বিষয়ের সুশৃঙ্খলভাবে গঠনমূলক প্রতিবাদ করা দরকার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে পারে। তবে বিশৃঙ্খলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।