প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং স্কলারশিপ চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপ বাবদ মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিং’ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসা. শাহীনুর বেগম প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের অর্জনকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি ও উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, ফেলোশিপ ও স্কলারশিপ কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা আরও গবেষণামুখী ও উৎসাহিত হয়।
এর আগে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিং’ পর্বে উপাচার্য সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান অ্যাওয়ার্ডস কর্মসূচির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অস্ট্রেলিয়া সফর ঘুরে আমরা অনেকগুলো বিষয় দেখেছি, যা আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারি। তন্মধ্যে রিসার্চ ও ইনোভেশন, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষায় এআই টুলসের যথাযথ ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত পরিবেশ আরও উন্নত করতে পারি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে এবং যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে পারি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের এমন সময়োপযোগী আয়োজনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব, জ্ঞান বিনিময় এবং শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন সম্ভব।
উল্লেখ্য, মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপের আওতায় মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি, ১৮২ জন শিক্ষার্থী অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং ১২ জন অ্যাথলেট শিক্ষার্থী স্পোর্টস স্কলারশিপ পেয়েছেন। এছাড়াও ৭ জন শিক্ষার্থীকে ইউজিসি মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন। এছাড়া স্পোর্টস স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং স্কলারশিপ চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপ বাবদ মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিং’ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসা. শাহীনুর বেগম প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের অর্জনকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি ও উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, ফেলোশিপ ও স্কলারশিপ কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা আরও গবেষণামুখী ও উৎসাহিত হয়।
এর আগে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স শেয়ারিং’ পর্বে উপাচার্য সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান অ্যাওয়ার্ডস কর্মসূচির আওতায় অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অস্ট্রেলিয়া সফর ঘুরে আমরা অনেকগুলো বিষয় দেখেছি, যা আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারি। তন্মধ্যে রিসার্চ ও ইনোভেশন, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষায় এআই টুলসের যথাযথ ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত পরিবেশ আরও উন্নত করতে পারি। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে এবং যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে পারি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের এমন সময়োপযোগী আয়োজনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব, জ্ঞান বিনিময় এবং শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন সম্ভব।
উল্লেখ্য, মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড ও স্পোর্টস স্কলারশিপের আওতায় মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি, ১৮২ জন শিক্ষার্থী অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং ১২ জন অ্যাথলেট শিক্ষার্থী স্পোর্টস স্কলারশিপ পেয়েছেন। এছাড়াও ৭ জন শিক্ষার্থীকে ইউজিসি মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন। এছাড়া স্পোর্টস স্কলারশিপের চেক গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক।