কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
সাজিদুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এক অর্থবছরের ব্যবধানে গবেষণা খাতের বরাদ্দ শূন্যে নেমে আসায় মাঠপর্যায়ের গবেষণা, গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় উপস্থাপন করা হয়। বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, পণ্য ও সেবা বাবদ ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ, মূলধন অনুদান বাবদ ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং অন্যান্য অনুদান বাবদ ০ দশমিক ৫৬ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা প্রকল্পের জন্য মোট বাজেটের ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ, অর্থাৎ ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অনুমোদিত বাজেটে গবেষণা খাতে কোনো স্বতন্ত্র বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম, মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এন এইচ রনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণায় পর্যাপ্ত বাজেট না থাকলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি অনীহা তৈরি হবে। এর ফলে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ব্যাহত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র্যাংকিংয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই গবেষণা খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির পরিবেশ নিশ্চিত করার আহŸান জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষক ড. নাহিদা বেগম বলেন, গবেষণা খাতে আর্থিক প্রণোদনা না থাকলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের মধ্যেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। গবেষণা খাতে বরাদ্দ না থাকলে সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গবেষণা খাতে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বতন্ত্রভাবে সরাসরি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এ খাতের অর্থায়ন সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পরিচালনা করবে। ইউজিসির গবেষণা নীতিমালা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা নীতিমালার সমন্বয়ের মাধ্যমে পরবর্তীতে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বাজেট প্রদান করা হবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এক অর্থবছরের ব্যবধানে গবেষণা খাতের বরাদ্দ শূন্যে নেমে আসায় মাঠপর্যায়ের গবেষণা, গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় উপস্থাপন করা হয়। বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, পণ্য ও সেবা বাবদ ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ, মূলধন অনুদান বাবদ ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং অন্যান্য অনুদান বাবদ ০ দশমিক ৫৬ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা প্রকল্পের জন্য মোট বাজেটের ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ, অর্থাৎ ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অনুমোদিত বাজেটে গবেষণা খাতে কোনো স্বতন্ত্র বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম, মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এন এইচ রনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণায় পর্যাপ্ত বাজেট না থাকলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি অনীহা তৈরি হবে। এর ফলে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ব্যাহত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র্যাংকিংয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই গবেষণা খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির পরিবেশ নিশ্চিত করার আহŸান জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষক ড. নাহিদা বেগম বলেন, গবেষণা খাতে আর্থিক প্রণোদনা না থাকলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের মধ্যেই গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। গবেষণা খাতে বরাদ্দ না থাকলে সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গবেষণা খাতে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বতন্ত্রভাবে সরাসরি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এ খাতের অর্থায়ন সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পরিচালনা করবে। ইউজিসির গবেষণা নীতিমালা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা নীতিমালার সমন্বয়ের মাধ্যমে পরবর্তীতে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বাজেট প্রদান করা হবে।