বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মুতাসিম বিল্লাহসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সমাবেশে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আব্দুল মমিন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন কর্মচারীর হাতে বিভাগীয় প্রধান হত্যার ঘটনাটি মর্মান্তিক ও নিন্দনীয়। রমজান মাসে এমন নির্মম ঘটনা আমাদেরকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। জানা গেছে বদলি-সংক্রান্ত অসন্তোষ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। এটি দেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী একটি কাজ। এই ঘটনার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে তার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মানসিক সক্ষমতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনে চলার মানসিকতা, সাইকোলজিক্যাল টেস্ট এবং মাদকাসক্তির বিষয়গুলো যাচাই করে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এধরণের হত্যাকাণ্ড আমাদের ভাবিয়ে তোলে আগামী দিনের বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ কতটা নিরাপদ থাকবে। বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিরা এসব পেশায় প্রবেশ করছে, যার ফলে অপেশাদার আচরণ ও এধরণের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল শিক্ষাঙ্গনের সংস্কার। কিন্তু সেই সংস্কার বাস্তবায়িত না হওয়ায় আমরা বারবার এমন সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কার্যালয়ে একই বিভাগের কর্মকর্তা ফজলুর রহমান ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। পরে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মুতাসিম বিল্লাহসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সমাবেশে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আব্দুল মমিন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন কর্মচারীর হাতে বিভাগীয় প্রধান হত্যার ঘটনাটি মর্মান্তিক ও নিন্দনীয়। রমজান মাসে এমন নির্মম ঘটনা আমাদেরকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। জানা গেছে বদলি-সংক্রান্ত অসন্তোষ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। এটি দেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী একটি কাজ। এই ঘটনার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে তার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মানসিক সক্ষমতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনে চলার মানসিকতা, সাইকোলজিক্যাল টেস্ট এবং মাদকাসক্তির বিষয়গুলো যাচাই করে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এধরণের হত্যাকাণ্ড আমাদের ভাবিয়ে তোলে আগামী দিনের বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ কতটা নিরাপদ থাকবে। বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিরা এসব পেশায় প্রবেশ করছে, যার ফলে অপেশাদার আচরণ ও এধরণের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল শিক্ষাঙ্গনের সংস্কার। কিন্তু সেই সংস্কার বাস্তবায়িত না হওয়ায় আমরা বারবার এমন সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কার্যালয়ে একই বিভাগের কর্মকর্তা ফজলুর রহমান ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। পরে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।