সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হিসেবে শিক্ষার্থীদের অর্জন ও সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন।
সম্প্রতি আমার শহরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি কোম্পানিতে কাজ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করছে।
উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক। প্রায় ১৯ বছর ধরে এখানে শিক্ষকতা করছি। ২০০৬ সালের এই মে মাসেই আমরা প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ভবনের নিচে বসেছিলাম। আজ ১৯ বছর পর এসে দেখছি, সেই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই অনেকে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে, চাকরি করছে এবং পিএইচডি করছে। আমি হয়তো এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারিনি বা সেখান থেকে পিএইচডি অর্জন করতে পারিনি, কিন্তু আমার ছাত্রছাত্রীরা আমাকে ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা তো এখানেই।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে গুগল, অ্যামাজনসহ বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সম্ভাবনার তুলনায় সুযোগ-সুবিধা এখনও পর্যাপ্ত নয় বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য।
তিনি বলেন, আমাদের লাইব্রেরি এখনও ততটা সমৃদ্ধ নয়, ক্লাসরুম সুবিধা পুরোপুরি আধুনিক নয়, খাবারের মান আরও ভালো হওয়া দরকার, ইন্টারনেট সুবিধাও প্রত্যাশিত পর্যায়ে নয়। এমনকি শিক্ষক হিসেবেও হয়তো আমরা আরও ভালো হতে পারতাম। কিন্তু এসব সীমাবদ্ধতার মধ্য থেকেও আমাদের শিক্ষার্থীরা যে অর্জন করছে, সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার জায়গা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়েই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা। আমরা চাইলেই সবকিছু করতে পারি না, অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের হাত-পা বাধা থাকে।
তবে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি অনন্য অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হিসেবে শিক্ষার্থীদের অর্জন ও সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন।
সম্প্রতি আমার শহরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি কোম্পানিতে কাজ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করছে।
উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক। প্রায় ১৯ বছর ধরে এখানে শিক্ষকতা করছি। ২০০৬ সালের এই মে মাসেই আমরা প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ভবনের নিচে বসেছিলাম। আজ ১৯ বছর পর এসে দেখছি, সেই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই অনেকে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে, চাকরি করছে এবং পিএইচডি করছে। আমি হয়তো এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারিনি বা সেখান থেকে পিএইচডি অর্জন করতে পারিনি, কিন্তু আমার ছাত্রছাত্রীরা আমাকে ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা তো এখানেই।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে গুগল, অ্যামাজনসহ বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সম্ভাবনার তুলনায় সুযোগ-সুবিধা এখনও পর্যাপ্ত নয় বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য।
তিনি বলেন, আমাদের লাইব্রেরি এখনও ততটা সমৃদ্ধ নয়, ক্লাসরুম সুবিধা পুরোপুরি আধুনিক নয়, খাবারের মান আরও ভালো হওয়া দরকার, ইন্টারনেট সুবিধাও প্রত্যাশিত পর্যায়ে নয়। এমনকি শিক্ষক হিসেবেও হয়তো আমরা আরও ভালো হতে পারতাম। কিন্তু এসব সীমাবদ্ধতার মধ্য থেকেও আমাদের শিক্ষার্থীরা যে অর্জন করছে, সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার জায়গা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়েই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা। আমরা চাইলেই সবকিছু করতে পারি না, অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের হাত-পা বাধা থাকে।
তবে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি অনন্য অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।