বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিকের সাংগঠনিক পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি তাকে আজীবন বহিষ্কার করা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শাস্তির মাত্রা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হোসাইন বিন আলী বলেন, 'আমাদের দুই সহপাঠীর ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। কিন্তু হামলাকারীদের মাত্র দুই মাসের শাস্তি তৃণমূল শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। এমন গুরুতর অপরাধে সাময়িক শাস্তি গ্রহণযোগ্য নয়।'
তিনি আরও বলেন, আমরা হামলাকারীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি এবং একটি নিরাপদ, সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাই।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম আবির বলেন, 'দুই মাসের স্থগিতাদেশ কোনো শাস্তি নয়। আমরা তার স্থায়ী বহিষ্কার দাবি করছি। যারা মবধর্মী রাজনীতি করতে চায়, তাদের ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি আমরা আতিকুর রহমানকে কুবি ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। তার পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে শিক্ষার্থীরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।
মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী তৌফায়েল মাহমুদ নিবি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটির এক যুগ্ম আহ্বায়ককে মাত্র দুই মাসের জন্য স্থগিত করা একটি হাস্যকর সিদ্ধান্ত। এটি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে কাম্য নয়। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে সংগঠিত করতে কাজ করে আসছি। সেখানে আমার ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সংসদ কোনো খোঁজখবর নেয়নি; বরং এই সিদ্ধান্ত আমাদের আরও হতাশ করেছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ, গতকাল ১৯ ফেব্রুয়ারি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে জোরপূর্বক রুম দখলের চেষ্টা করতে গিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিক দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন, এতে তারা আহত হন এবং একজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিকের সাংগঠনিক পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি তাকে আজীবন বহিষ্কার করা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শাস্তির মাত্রা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হোসাইন বিন আলী বলেন, 'আমাদের দুই সহপাঠীর ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। কিন্তু হামলাকারীদের মাত্র দুই মাসের শাস্তি তৃণমূল শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। এমন গুরুতর অপরাধে সাময়িক শাস্তি গ্রহণযোগ্য নয়।'
তিনি আরও বলেন, আমরা হামলাকারীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি এবং একটি নিরাপদ, সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাই।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম আবির বলেন, 'দুই মাসের স্থগিতাদেশ কোনো শাস্তি নয়। আমরা তার স্থায়ী বহিষ্কার দাবি করছি। যারা মবধর্মী রাজনীতি করতে চায়, তাদের ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি আমরা আতিকুর রহমানকে কুবি ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। তার পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে শিক্ষার্থীরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।
মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী তৌফায়েল মাহমুদ নিবি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটির এক যুগ্ম আহ্বায়ককে মাত্র দুই মাসের জন্য স্থগিত করা একটি হাস্যকর সিদ্ধান্ত। এটি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে কাম্য নয়। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে সংগঠিত করতে কাজ করে আসছি। সেখানে আমার ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সংসদ কোনো খোঁজখবর নেয়নি; বরং এই সিদ্ধান্ত আমাদের আরও হতাশ করেছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ, গতকাল ১৯ ফেব্রুয়ারি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে জোরপূর্বক রুম দখলের চেষ্টা করতে গিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিক দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন, এতে তারা আহত হন এবং একজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।