বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি- সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)'।
আজ রোববার বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ইউট্যাব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন, সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘১৯৬০-এর দশক থেকে কুমিল্লায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমাদের পূর্বসূরিরা আন্দোলন করে আসছিলেন, কিন্তু নানা কারণে সে উদ্যোগ বারবার ব্যর্থ হয়েছে। ২০০৬ সালে কুমিল্লা-৯ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কুমিল্লা আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কুমিল্লার ১২টি আসনের সকল সংসদ সদস্য একযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে কুমিল্লায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন করেন। তিনি এতে সম্মতি জানান। এরপর ২০০৬ সালে সংসদে আইন পাস হয় এবং ২০০৭ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করে। আজ আমরা যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে পড়াশোনা ও চাকরি করতে পারছি এটি সেই উদ্যোগেরই ফল।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এভার কেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। আজ সারা বাংলাদেশ তার রোগমুক্তি কামনায় প্রার্থনা করছে। আমরাও অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তার সুস্থতা কামনা করি।’
ইউট্যাব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথে জাতিকে এগিয়ে নিতে যার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তিনি বেগম খালেদা জিয়া। আপনারা জানেন, বিভিন্ন কুচক্রী মহল দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল এবং সেই অপচেষ্টা এখনো চলমান। সেই সব ষড়যন্ত্রকে একক প্রচেষ্টায় নস্যাৎ করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অন্তর থেকে দোয়া করি তিনি যেন সুস্থ হয়ে আবারও বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং দেশকে জাতীয় ঐক্যের পথে এগিয়ে নিতে পারেন।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি- সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)'।
আজ রোববার বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ইউট্যাব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন, সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘১৯৬০-এর দশক থেকে কুমিল্লায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমাদের পূর্বসূরিরা আন্দোলন করে আসছিলেন, কিন্তু নানা কারণে সে উদ্যোগ বারবার ব্যর্থ হয়েছে। ২০০৬ সালে কুমিল্লা-৯ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কুমিল্লা আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কুমিল্লার ১২টি আসনের সকল সংসদ সদস্য একযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে কুমিল্লায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন করেন। তিনি এতে সম্মতি জানান। এরপর ২০০৬ সালে সংসদে আইন পাস হয় এবং ২০০৭ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করে। আজ আমরা যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে পড়াশোনা ও চাকরি করতে পারছি এটি সেই উদ্যোগেরই ফল।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এভার কেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। আজ সারা বাংলাদেশ তার রোগমুক্তি কামনায় প্রার্থনা করছে। আমরাও অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তার সুস্থতা কামনা করি।’
ইউট্যাব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথে জাতিকে এগিয়ে নিতে যার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তিনি বেগম খালেদা জিয়া। আপনারা জানেন, বিভিন্ন কুচক্রী মহল দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল এবং সেই অপচেষ্টা এখনো চলমান। সেই সব ষড়যন্ত্রকে একক প্রচেষ্টায় নস্যাৎ করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অন্তর থেকে দোয়া করি তিনি যেন সুস্থ হয়ে আবারও বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং দেশকে জাতীয় ঐক্যের পথে এগিয়ে নিতে পারেন।’