কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

নবম দিনে অংশ নেয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন বিভাগ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
Thumbnail image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী ওরিয়েন্টেশন, একাডেমিক গাইডলাইন, কাউন্সিলিং ও মোটিভেশনভিত্তিক ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির নবম দিনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ওই অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসাইন, আইন বিভাগের প্রধান সাদিয়া তাবাসসুম এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এআইএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা মশিউর রহমান।

অনুষ্ঠান মোট পাঁচটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয়। সেগুলো ছিল- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি ও নিয়মকানুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ওবিই সম্মত একাডেমিক প্রোগ্রামের কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দায়িত্ব, শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস এবং এআই যুগের উপযোগী কর্মসংস্থানযোগ্য ও উদ্ভাবনী গ্র্যাজুয়েট তৈরির লক্ষ্য ও দিকনির্দেশনা।

প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এক্সিলেন্স নিশ্চিত করতে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল নিরলসভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বিভাগ ও প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার মান আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে নির্ধারিত বিভিন্ন মানদণ্ড পূরণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রচলিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে আইকিউএসি শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক একটি ব্যতিক্রমধর্মী ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের নিজেদের লক্ষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

উপাচার্য হিসেবে তিনি ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপদ আবাসন, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ সুবিধা, মানসম্মত পাঠদান ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আইকিউএসি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি শিক্ষার্থীদের সুন্দর ও নিরাপদ শিক্ষাজীবন কামনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত পরিচয় গড়ে ওঠে তার শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মাধ্যমে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি উন্নত একাডেমিক পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, নৈতিক ও কর্মসংস্থান উপযোগী গ্র্যাজুয়েট হিসেবে গড়ে তুলতে আইকিউএসি বিভিন্ন একাডেমিক, কো-কারিকুলার ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ, গত ৩ মে থেকে ১০ দিনব্যাপী এই একাডেমিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত