বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী ওরিয়েন্টেশন, একাডেমিক গাইডলাইন, কাউন্সেলিং ও মোটিভেশনভিত্তিক ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির ৮ম দিনে গণিত এবং পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে ৮ম দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন হয়।
আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জে. এম. আদিব সালমান চৌধুরী এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এবং পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী।
অনুষ্ঠান মোট পাঁচটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয়। সেগুলো ছিল-কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি ও নিয়মকানুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ওবিই সম্মত একাডেমিক প্রোগ্রামের কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দায়িত্ব, শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস এবং এআই যুগের উপযোগী কর্মসংস্থানযোগ্য ও উদ্ভাবনী গ্র্যাজুয়েট তৈরির লক্ষ্য ও দিকনির্দেশনা।
প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, জাতি তৈরির সূচনা হয় ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে। তাই আপনাকেও আমরা নানা কল্যাণমুখী দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে গঠন করার চেষ্টা করছি। আপনি মেধাবী মানে আপনাকে সকল ক্ষেত্রে মেধার স্বাক্ষর রাখতে হবে। শুধুমাত্র প্রশ্ন ও উত্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কারণে আমরা অন্যান্য দেশের তুলনায় বহুগুণে পিছিয়ে। তাই গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর চিন্তার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। নিজেকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গঠন করে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান, বিশ্ব র্যাংকিংয়ে অবস্থান এবং গ্র্যাজুয়েটদের সক্ষমতা সবকিছুরই নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। সেই মানদন্ডে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রত্যাশা নিয়েই আমাদের অগ্রযাত্রা।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে থেকে ১০ দিনব্যাপী এই একাডেমিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান শুরু হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী ওরিয়েন্টেশন, একাডেমিক গাইডলাইন, কাউন্সেলিং ও মোটিভেশনভিত্তিক ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির ৮ম দিনে গণিত এবং পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে ৮ম দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন হয়।
আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জে. এম. আদিব সালমান চৌধুরী এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এবং পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী।
অনুষ্ঠান মোট পাঁচটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয়। সেগুলো ছিল-কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি ও নিয়মকানুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ও ওবিই সম্মত একাডেমিক প্রোগ্রামের কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দায়িত্ব, শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস এবং এআই যুগের উপযোগী কর্মসংস্থানযোগ্য ও উদ্ভাবনী গ্র্যাজুয়েট তৈরির লক্ষ্য ও দিকনির্দেশনা।
প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, জাতি তৈরির সূচনা হয় ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে। তাই আপনাকেও আমরা নানা কল্যাণমুখী দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে গঠন করার চেষ্টা করছি। আপনি মেধাবী মানে আপনাকে সকল ক্ষেত্রে মেধার স্বাক্ষর রাখতে হবে। শুধুমাত্র প্রশ্ন ও উত্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কারণে আমরা অন্যান্য দেশের তুলনায় বহুগুণে পিছিয়ে। তাই গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আমাদের প্রযুক্তি নির্ভর চিন্তার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। নিজেকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গঠন করে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান, বিশ্ব র্যাংকিংয়ে অবস্থান এবং গ্র্যাজুয়েটদের সক্ষমতা সবকিছুরই নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। সেই মানদন্ডে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রত্যাশা নিয়েই আমাদের অগ্রযাত্রা।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে থেকে ১০ দিনব্যাপী এই একাডেমিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান শুরু হয়।