বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের ৮৫০ জনের বেশি নবীন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘নবীন বরণ ২০২৬’ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি শিক্ষা জীবন ও ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আজ বুধবার কুমিল্লা শহরের ফান টাউন পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জামেল হোসাইন আবিরের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল মোহাইমেন, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মোজাহেরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক ইউসুফ ইসলাহী।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘ক্যাম্পাস লাইফে প্রথম বর্ষ থেকেই নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় জীবন এখনই শুরু হয়েছে, তাই আপনাদের হাতে এখন অনেক সময় আছে। এ সময় নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভাষা শিখতে পারেন, কম্পিউটারের বেসিক বিষয়গুলো শিখে রাখতে পারেন। আপনি যদি কোনো একটি দেশের ভাষা শিখতে পারেন, তাহলে সে দেশে স্কলারশিপ পাওয়া আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে সুন্দর ও গুছিয়ে নিতে চাইলে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শুরু থেকেই নিজের ক্যারিয়ার গঠনের জন্য কাজ করে যেতে হবে এবং বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জামেল হোসাইন আবির বলেন, একটা দীর্ঘ ভর্তিযুদ্ধ পার হয়ে পাবলিকিয়ান হিসেবে ক্যাম্পাসে আসতে পেরেছ, তাই তোমাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা স্মরণ করছি তোমাদের মা-বাবাকে, যাদের স্বপ্ন ও ত্যাগের বিনিময়ে তোমরা এই ক্যাম্পাসে আসতে পেরেছ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই কীভাবে ক্যাম্পাস জীবন গঠন করা যায় এবং ক্যাম্পাস জীবনের প্রতিটি সময় কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেসব বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা নিয়েই ইসলামী ছাত্রশিবিরের আজকের এই আয়োজন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের ৮৫০ জনের বেশি নবীন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘নবীন বরণ ২০২৬’ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি শিক্ষা জীবন ও ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আজ বুধবার কুমিল্লা শহরের ফান টাউন পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জামেল হোসাইন আবিরের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল মোহাইমেন, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মোজাহেরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক ইউসুফ ইসলাহী।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘ক্যাম্পাস লাইফে প্রথম বর্ষ থেকেই নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় জীবন এখনই শুরু হয়েছে, তাই আপনাদের হাতে এখন অনেক সময় আছে। এ সময় নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভাষা শিখতে পারেন, কম্পিউটারের বেসিক বিষয়গুলো শিখে রাখতে পারেন। আপনি যদি কোনো একটি দেশের ভাষা শিখতে পারেন, তাহলে সে দেশে স্কলারশিপ পাওয়া আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে সুন্দর ও গুছিয়ে নিতে চাইলে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শুরু থেকেই নিজের ক্যারিয়ার গঠনের জন্য কাজ করে যেতে হবে এবং বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জামেল হোসাইন আবির বলেন, একটা দীর্ঘ ভর্তিযুদ্ধ পার হয়ে পাবলিকিয়ান হিসেবে ক্যাম্পাসে আসতে পেরেছ, তাই তোমাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা স্মরণ করছি তোমাদের মা-বাবাকে, যাদের স্বপ্ন ও ত্যাগের বিনিময়ে তোমরা এই ক্যাম্পাসে আসতে পেরেছ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই কীভাবে ক্যাম্পাস জীবন গঠন করা যায় এবং ক্যাম্পাস জীবনের প্রতিটি সময় কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেসব বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা নিয়েই ইসলামী ছাত্রশিবিরের আজকের এই আয়োজন।