দেবীদ্বার প্রতিনিধি

রঘুরামপুর কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার গোমতী নদীর চরের একটি গ্রাম। যুগের পর যুগ নানা দুর্ভোগ পেরিয়ে চলছিল এই গ্রামের মানুষগুলো। গ্রামটি প্রতিষ্ঠার পর ২০০ বছরেও নির্মাণ হয়নি কোন পাকা সড়ক। যে কারণে বর্ষায় কাদা-পানি আর শুকনো মৌসুমে ধুলায় নাকাল হয়ে থাকত বাসিন্দারা।
তবে এই উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের একটি বরাদ্দ এবং এই পরিষদের এক নারী ইউপি সদস্যের সহায়তায় গ্রামটির প্রধান যাতায়াতের সড়কটি প্রায় ৯০০ ফুট পাকা করা হচ্ছে। যা দেখে আবেগাপ্লুত চরের বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড়ের হিমেল বাতাস বয়ে যাচ্ছে রঘুরামপুর গ্রামের ওপর দিয়ে। এরই মধ্যে চলছে রাস্তা পাকাকরণের কাজ। পাশে দাঁড়িয়ে রাস্তা পাকাকরণ কাজের তদারকি করছেন নারী ইউপি সদস্য জোছনা আক্তার।
রঘুরামপুর গ্রামের আবদুস সাত্তার ও জজ মিয়া বলেন, এই গ্রামের অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছানো ছিল কঠিন। এছাড়াও শিক্ষার্থীসহ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা ছিল কাঁচা রাস্তাটি। এখন রাস্তাটি পাকা করায় এই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য জোছনা আক্তার বলেন, ‘সরকার থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছি। আর আমি ৮ লাখ টাকার কাজ করেছি। এই গ্রামের মানুষের কথা চিন্তা করেই কাজটি করছি। কারণ, গ্রামটি গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের ভেতরে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামের সড়কে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।’
স্থানীয় মো. কালাম বলেন, আমার বাপদাদা এখানে বসবাস করতেন। এরশাদ সরকারের আমলে গোমতী নদীর টেকসই ও উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় রঘুরামপুর গ্রামটি নদীর ভিতরে পড়ে যায়। নদীর চরের বাসিন্দা হওয়াতে অবহেলিত ছিলাম আমরা। কালিকাপুর বেইলি ব্রিজের কাছ থেকে আবদু মিয়ার বাড়ি পযর্ন্ত দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি ছিল যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। প্রথমবারের মতো পাকা হচ্ছে রাস্তাটি।

রঘুরামপুর কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার গোমতী নদীর চরের একটি গ্রাম। যুগের পর যুগ নানা দুর্ভোগ পেরিয়ে চলছিল এই গ্রামের মানুষগুলো। গ্রামটি প্রতিষ্ঠার পর ২০০ বছরেও নির্মাণ হয়নি কোন পাকা সড়ক। যে কারণে বর্ষায় কাদা-পানি আর শুকনো মৌসুমে ধুলায় নাকাল হয়ে থাকত বাসিন্দারা।
তবে এই উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের একটি বরাদ্দ এবং এই পরিষদের এক নারী ইউপি সদস্যের সহায়তায় গ্রামটির প্রধান যাতায়াতের সড়কটি প্রায় ৯০০ ফুট পাকা করা হচ্ছে। যা দেখে আবেগাপ্লুত চরের বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড়ের হিমেল বাতাস বয়ে যাচ্ছে রঘুরামপুর গ্রামের ওপর দিয়ে। এরই মধ্যে চলছে রাস্তা পাকাকরণের কাজ। পাশে দাঁড়িয়ে রাস্তা পাকাকরণ কাজের তদারকি করছেন নারী ইউপি সদস্য জোছনা আক্তার।
রঘুরামপুর গ্রামের আবদুস সাত্তার ও জজ মিয়া বলেন, এই গ্রামের অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছানো ছিল কঠিন। এছাড়াও শিক্ষার্থীসহ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা ছিল কাঁচা রাস্তাটি। এখন রাস্তাটি পাকা করায় এই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য জোছনা আক্তার বলেন, ‘সরকার থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছি। আর আমি ৮ লাখ টাকার কাজ করেছি। এই গ্রামের মানুষের কথা চিন্তা করেই কাজটি করছি। কারণ, গ্রামটি গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের ভেতরে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামের সড়কে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।’
স্থানীয় মো. কালাম বলেন, আমার বাপদাদা এখানে বসবাস করতেন। এরশাদ সরকারের আমলে গোমতী নদীর টেকসই ও উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় রঘুরামপুর গ্রামটি নদীর ভিতরে পড়ে যায়। নদীর চরের বাসিন্দা হওয়াতে অবহেলিত ছিলাম আমরা। কালিকাপুর বেইলি ব্রিজের কাছ থেকে আবদু মিয়ার বাড়ি পযর্ন্ত দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি ছিল যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। প্রথমবারের মতো পাকা হচ্ছে রাস্তাটি।