ঋণের বোঝায় বিপর্যস্ত মানিক মিয়া
সাইফুল ইসলাম, দাউদকান্দি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কবিচন্দ্রদী গ্রামে এক কৃষকের প্রায় ২০০ মণ আলু পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে আলুর স্তূপে ডিজেল ঢেলে আগুন দেওয়ার এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মানিক মিয়া জানান, তিনি ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ সমবায় সমিতি থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে অন্যের ৭৫ শতক জমিতে আলুর আবাদ করেছিলেন। ফলন ভালো হওয়ায় তিনি ১০৫ বস্তা আলু সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য স্থানীয় ঈদগাহের পাশের সড়কের ধারে স্তূপ করে রাখেন। শনিবার সকালে সেগুলো কোল্ড স্টোরেজে পাঠানোর কথা ছিল।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মানিক মিয়া বলেন, রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আমি নিজেই আলুর স্তূপ পাহারা দিয়েছি। পরে শরীর ক্লান্ত থাকায় কিছুক্ষণ বিশ্রামের জন্য বাড়িতে যাই। ধারণা করছি, ভোররাতে সেহরির পর কেউ আলুর স্তূপে ডিজেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন ঋণের টাকা কীভাবে শোধ করব, বুঝতে পারছি না।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা আলুর স্তূপে আগুনে পোড়া দাগ এবং ডিজেলের গন্ধ পান। এতে পুরো গ্রামে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে একজন পরিশ্রমী কৃষকের প্রতি চরম অন্যায় বলে উল্লেখ করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আগুনে বেশিরভাগ আলুর চামড়া ঝলসে গেছে। যেসব আলু পুরোপুরি পুড়ে যায়নি, সেগুলোতেও ডিজেলের তীব্র গন্ধ থাকায় বিক্রির অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ফারুক সওদাগর বলেন, আমার জীবনে এমন জঘন্য ঘটনা আগে দেখিনি। এভাবে একজন কৃষকের ক্ষতি করা খুবই দুঃখজনক।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কবিচন্দ্রদী গ্রামে এক কৃষকের প্রায় ২০০ মণ আলু পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে আলুর স্তূপে ডিজেল ঢেলে আগুন দেওয়ার এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মানিক মিয়া জানান, তিনি ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ সমবায় সমিতি থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে অন্যের ৭৫ শতক জমিতে আলুর আবাদ করেছিলেন। ফলন ভালো হওয়ায় তিনি ১০৫ বস্তা আলু সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য স্থানীয় ঈদগাহের পাশের সড়কের ধারে স্তূপ করে রাখেন। শনিবার সকালে সেগুলো কোল্ড স্টোরেজে পাঠানোর কথা ছিল।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মানিক মিয়া বলেন, রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আমি নিজেই আলুর স্তূপ পাহারা দিয়েছি। পরে শরীর ক্লান্ত থাকায় কিছুক্ষণ বিশ্রামের জন্য বাড়িতে যাই। ধারণা করছি, ভোররাতে সেহরির পর কেউ আলুর স্তূপে ডিজেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন ঋণের টাকা কীভাবে শোধ করব, বুঝতে পারছি না।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা আলুর স্তূপে আগুনে পোড়া দাগ এবং ডিজেলের গন্ধ পান। এতে পুরো গ্রামে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে একজন পরিশ্রমী কৃষকের প্রতি চরম অন্যায় বলে উল্লেখ করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আগুনে বেশিরভাগ আলুর চামড়া ঝলসে গেছে। যেসব আলু পুরোপুরি পুড়ে যায়নি, সেগুলোতেও ডিজেলের তীব্র গন্ধ থাকায় বিক্রির অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ফারুক সওদাগর বলেন, আমার জীবনে এমন জঘন্য ঘটনা আগে দেখিনি। এভাবে একজন কৃষকের ক্ষতি করা খুবই দুঃখজনক।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।