দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। অন্য ঘটনায় নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুদুলপুর মডেল ইউনিয়নের সুকীপুর গ্রামের একটি অটোরিকশার গ্যারেজে গতকাল শনিবার রাতে ব্যাটারি চার্জ দিতে যান চালক মো. জাহিদ ইসলাম (২৬)। তিনি উত্তর টিলি গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। প্রতিদিনের মতো দিনভর অটোরিকশা চালানোর পর তিনি গাড়িটি চার্জে সংযুক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটির কারণে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরদিন সকালে গ্যারেজের মালিক তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
তবে জাহিদ ইসলামের পরিবারের দাবি, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়; ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডও হতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব হাসানপুর এলাকায় মো. সুজন মিয়া (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে নিজ ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মা খোদেজা বেগম বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং বিষণ্নতায় ভুগছিলেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, দুটি ঘটনার মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। জাহিদ ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপর ঘটনাতেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। অন্য ঘটনায় নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুদুলপুর মডেল ইউনিয়নের সুকীপুর গ্রামের একটি অটোরিকশার গ্যারেজে গতকাল শনিবার রাতে ব্যাটারি চার্জ দিতে যান চালক মো. জাহিদ ইসলাম (২৬)। তিনি উত্তর টিলি গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। প্রতিদিনের মতো দিনভর অটোরিকশা চালানোর পর তিনি গাড়িটি চার্জে সংযুক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটির কারণে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরদিন সকালে গ্যারেজের মালিক তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
তবে জাহিদ ইসলামের পরিবারের দাবি, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়; ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডও হতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব হাসানপুর এলাকায় মো. সুজন মিয়া (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে নিজ ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মা খোদেজা বেগম বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং বিষণ্নতায় ভুগছিলেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, দুটি ঘটনার মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। জাহিদ ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপর ঘটনাতেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।