দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কিশোরী মারজানা ওই এলাকার মাহফুজ মিয়ার নাতনি। তার বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জে। বাবা রফিকুল ইসলাম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানাবাড়িতে বসবাস করত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে কিশোরীকে ঘরের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
এদিকে, কিশোরীর মৃত্যুর আগে ৬ আগস্ট তার নানি রাবেয়া খাতুন ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় তানভীর (১৮) নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, ইমোর মাধ্যমে তানভীরের সঙ্গে মারজানার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তাকে নিয়ে যাওয়া, টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগও করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, তানভীর কিশোরীকে বিয়ের কথা বলে যাত্রাবাড়ীর একটি বাসায় নিয়ে যান। পরে তার কাছ থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাবেয়া খাতুন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান তিনি। তবে তানভীরের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সঙ্গে কিশোরীর মৃত্যুর কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কিশোরী মারজানা ওই এলাকার মাহফুজ মিয়ার নাতনি। তার বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জে। বাবা রফিকুল ইসলাম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানাবাড়িতে বসবাস করত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে কিশোরীকে ঘরের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
এদিকে, কিশোরীর মৃত্যুর আগে ৬ আগস্ট তার নানি রাবেয়া খাতুন ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় তানভীর (১৮) নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, ইমোর মাধ্যমে তানভীরের সঙ্গে মারজানার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় তাকে নিয়ে যাওয়া, টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগও করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, তানভীর কিশোরীকে বিয়ের কথা বলে যাত্রাবাড়ীর একটি বাসায় নিয়ে যান। পরে তার কাছ থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাবেয়া খাতুন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান তিনি। তবে তানভীরের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সঙ্গে কিশোরীর মৃত্যুর কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।