বন্ধ যান চলাচল
নিজস্ব প্রতিবেদক

দাউদকান্দিতে বেইলি সেতুর পাটাতন ভেঙে গাছের গুঁড়িবোঝাই একটি ট্রাক আটকে গেছে। এতে গত শনিবার রাত থেকে সেতুটির ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দাউদকান্দি উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চল, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সহজ করার জন্য ২০০০ সালের ২১ অক্টোবর খিরাই নদের ওপর বেইলি সেতুটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ২৫ বছর ব্যবহারের পর এখন সেতুটির পাটাতনগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এদিকে বিকল্প রাস্তা না থাকায় এই ভাঙা সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির ওপর আটকে থাকা ট্রাক থেকে গাছের গুঁড়িগুলো নামিয়ে ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন ট্রাকের চালক ও চালকের সহকারী।
এ বিষয়ে ট্রাক চালকের সহকারী জাহিদ হাসান জানান, তারা সড়কের পাশের সরকারি গাছের গুঁড়ি বোঝাই করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা ঘাটে নিয়ে যাচ্ছিলেন। শনিবার রাতে সেতুটি পারাপারের সময় সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছালে দুটি স্টিলের প্লেট ভেঙে চাকা আটকে যায়। ওই সময় তিনি ও ট্রাকচালক লাফিয়ে নেমে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
স্থানীয় সিএনজি অটোরিকশা চালকরা জানান, রিকশা কিংবা অটোরিকশা উঠলেই সেতুটি কাঁপতে থাকে। মনে হয় যেন ভেঙে পড়ছে। তাঁরা বলেন, এ সড়কে সিরিয়াল এবং সিরিয়াল ছাড়া প্রায় কয়েকশত সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক রয়েছি। ট্রাক ওঠায় সেতুর স্টিলের পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় সংস্কার না করা পর্যন্ত বিপদে আছি।
ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের আলম মিয়া বলেন, ‘মরিচায় সেতুটির পাটাতন নষ্ট হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমরা সেতুর ওপর দিয়ে ভয়ে ভয়ে গাড়ি চালাইতাম। এখন ট্রাকটির ভাগ্য ভালো যে নিচে পড়ে যায়নি।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গাছের গুঁড়ি বোঝাই ট্রাকটি ওভারলোডের কারণে এমনটি ঘটেছে। মেরামতে কয়েকদিন সময় লাগবে।
আর এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা গত সপ্তাহে এলজিইডি ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত মেরামত করে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আসবে।’

দাউদকান্দিতে বেইলি সেতুর পাটাতন ভেঙে গাছের গুঁড়িবোঝাই একটি ট্রাক আটকে গেছে। এতে গত শনিবার রাত থেকে সেতুটির ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দাউদকান্দি উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চল, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সহজ করার জন্য ২০০০ সালের ২১ অক্টোবর খিরাই নদের ওপর বেইলি সেতুটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ২৫ বছর ব্যবহারের পর এখন সেতুটির পাটাতনগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এদিকে বিকল্প রাস্তা না থাকায় এই ভাঙা সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির ওপর আটকে থাকা ট্রাক থেকে গাছের গুঁড়িগুলো নামিয়ে ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন ট্রাকের চালক ও চালকের সহকারী।
এ বিষয়ে ট্রাক চালকের সহকারী জাহিদ হাসান জানান, তারা সড়কের পাশের সরকারি গাছের গুঁড়ি বোঝাই করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা ঘাটে নিয়ে যাচ্ছিলেন। শনিবার রাতে সেতুটি পারাপারের সময় সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছালে দুটি স্টিলের প্লেট ভেঙে চাকা আটকে যায়। ওই সময় তিনি ও ট্রাকচালক লাফিয়ে নেমে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
স্থানীয় সিএনজি অটোরিকশা চালকরা জানান, রিকশা কিংবা অটোরিকশা উঠলেই সেতুটি কাঁপতে থাকে। মনে হয় যেন ভেঙে পড়ছে। তাঁরা বলেন, এ সড়কে সিরিয়াল এবং সিরিয়াল ছাড়া প্রায় কয়েকশত সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক রয়েছি। ট্রাক ওঠায় সেতুর স্টিলের পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় সংস্কার না করা পর্যন্ত বিপদে আছি।
ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের আলম মিয়া বলেন, ‘মরিচায় সেতুটির পাটাতন নষ্ট হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমরা সেতুর ওপর দিয়ে ভয়ে ভয়ে গাড়ি চালাইতাম। এখন ট্রাকটির ভাগ্য ভালো যে নিচে পড়ে যায়নি।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গাছের গুঁড়ি বোঝাই ট্রাকটি ওভারলোডের কারণে এমনটি ঘটেছে। মেরামতে কয়েকদিন সময় লাগবে।
আর এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা গত সপ্তাহে এলজিইডি ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত মেরামত করে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আসবে।’