দাউদকান্দিতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে হাঁস চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার মালিগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুল ইসলাম (২১) উপজেলার মালিগাঁও গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। গতকাল বুধবার দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ নিহত সাইদুল ইসলামের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জসিম উদ্দিন ও ওমর সানি নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। জসিম উদ্দিন স্থানীয় মালিগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দাউদকান্দি উপজেলা মালিগাঁও গ্রামের নেশাগ্রস্ত সাইদুল এলাকার হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য জিনিস চুরি করে নেশা করতো। একই পাড়ার আবদুর রাজ্জাকের হাঁস চুরি হয়ে যায়। সাইদুল তার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডার সময় চোর সন্দেহে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার সময় সাইদুল ইসলামকে আবদুল রাজ্জাকসহ ৩-৪ জন মিলে তাকে ধরে নিয়ে আসে। তাঁরা তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করলে এক পর্যায়ে সাইদুল অচেতন হয়ে পড়েন। এলাকাবাসী তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৌরীপুর নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি থানা পুলিশ জানালে, পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লায় পাঠায়।
নিহতের বাবা মো. আলাউদ্দিন জানান, আমার ছেলেকে হাঁস চুরি হয়েছে বলে তাঁরা ডেকে নিয়ে যায়। এরপর কোনো কথা ছাড়া রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
বুধবার রাতে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, ওই রোগীকে আহত অবস্থায় দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভোররাত ৫টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর মাথায় আঘাত ছিল।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুুধবার আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা।
তিনি বলেন, আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। নিহত ব্যক্তি হামলায় অভিযুক্তদের প্রতিবেশী। এ ঘটনার পেছনে পূর্বশত্রুতাও থাকতে পারে।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে হাঁস চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার মালিগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুল ইসলাম (২১) উপজেলার মালিগাঁও গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে। গতকাল বুধবার দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ নিহত সাইদুল ইসলামের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জসিম উদ্দিন ও ওমর সানি নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। জসিম উদ্দিন স্থানীয় মালিগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দাউদকান্দি উপজেলা মালিগাঁও গ্রামের নেশাগ্রস্ত সাইদুল এলাকার হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য জিনিস চুরি করে নেশা করতো। একই পাড়ার আবদুর রাজ্জাকের হাঁস চুরি হয়ে যায়। সাইদুল তার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডার সময় চোর সন্দেহে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার সময় সাইদুল ইসলামকে আবদুল রাজ্জাকসহ ৩-৪ জন মিলে তাকে ধরে নিয়ে আসে। তাঁরা তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করলে এক পর্যায়ে সাইদুল অচেতন হয়ে পড়েন। এলাকাবাসী তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৌরীপুর নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি থানা পুলিশ জানালে, পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লায় পাঠায়।
নিহতের বাবা মো. আলাউদ্দিন জানান, আমার ছেলেকে হাঁস চুরি হয়েছে বলে তাঁরা ডেকে নিয়ে যায়। এরপর কোনো কথা ছাড়া রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
বুধবার রাতে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, ওই রোগীকে আহত অবস্থায় দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভোররাত ৫টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর মাথায় আঘাত ছিল।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুুধবার আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা।
তিনি বলেন, আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। নিহত ব্যক্তি হামলায় অভিযুক্তদের প্রতিবেশী। এ ঘটনার পেছনে পূর্বশত্রুতাও থাকতে পারে।