দাউদকান্দি প্রতিনিধি

ঈদের কেনাকাটা করতে স্বামীর সাথে বাজারে এসে প্রাণ গেল এক গৃহবধূর। আজ রোববার কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরবাজারে ঘটনাটি ঘটে। মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদের কেনাকাটা শেষে হলুদ মরিচ ভাঙাতে বাজারের মনির হোসেনের দোকানে যান সাহাবুদ্দীন ও তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার। হলুদ মরিচ ভাঙানোর সময় একপর্যায়ে শাহিনা আক্তারের বোরখা পেঁচিয়ে যায় মেশিনের চেইনের সঙ্গে। চাকার ভেতরে ঢুকে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিহত শাহিনা আক্তার দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের গোলাপেরচর গ্রামের সাহাবুদ্দীনের স্ত্রী। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এই ঘটনায় তাদের পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
নিহতের স্বামী সাহাবুদ্দীন বলেন, আমরা হলুদ ভাঙাতে দোকানে যাই। পাশেই দাঁড়িয়েছিল আমার স্ত্রী। এমন সময় স্ত্রীর উফ একটি শব্দ শুনতে পাই। চোখের পলকেই এক সেকেন্ডের মধ্যে চেয়ে দেখি আমার স্ত্রীর মাথা দেহে থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী বাজারের ব্যবসায়ী তৌফিক রুবেল বলেন, আমি দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দোকানের একজন মহিলা পড়ে আছে দেখে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করি। তখন বুঝতে পারিনি মহিলার দেহ থেকে মাথাটা বিচ্ছিন্ন। বিষয়টি দেখে আমি হতবাক।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমাদের থানা থেকে ৩০০ গজ দূরের। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করি।

ঈদের কেনাকাটা করতে স্বামীর সাথে বাজারে এসে প্রাণ গেল এক গৃহবধূর। আজ রোববার কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরবাজারে ঘটনাটি ঘটে। মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদের কেনাকাটা শেষে হলুদ মরিচ ভাঙাতে বাজারের মনির হোসেনের দোকানে যান সাহাবুদ্দীন ও তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার। হলুদ মরিচ ভাঙানোর সময় একপর্যায়ে শাহিনা আক্তারের বোরখা পেঁচিয়ে যায় মেশিনের চেইনের সঙ্গে। চাকার ভেতরে ঢুকে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিহত শাহিনা আক্তার দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের গোলাপেরচর গ্রামের সাহাবুদ্দীনের স্ত্রী। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এই ঘটনায় তাদের পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
নিহতের স্বামী সাহাবুদ্দীন বলেন, আমরা হলুদ ভাঙাতে দোকানে যাই। পাশেই দাঁড়িয়েছিল আমার স্ত্রী। এমন সময় স্ত্রীর উফ একটি শব্দ শুনতে পাই। চোখের পলকেই এক সেকেন্ডের মধ্যে চেয়ে দেখি আমার স্ত্রীর মাথা দেহে থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী বাজারের ব্যবসায়ী তৌফিক রুবেল বলেন, আমি দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দোকানের একজন মহিলা পড়ে আছে দেখে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করি। তখন বুঝতে পারিনি মহিলার দেহ থেকে মাথাটা বিচ্ছিন্ন। বিষয়টি দেখে আমি হতবাক।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমাদের থানা থেকে ৩০০ গজ দূরের। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করি।