কুমিল্লা-৪ ( দেবীদ্বার) আসন
গাজীউল হক সোহাগ

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় জাতীয় নাগরিক পার্টির -এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বস্তিতে আছেন। শক্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় তিনি জিততে পারেন বলে দেবীদ্বারের ভোটারেরা মনে করছেন।
এই আসনে হাসনাতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন চারবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ( ৯১,৯৬,৯৬ ও ২০০১) ও কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। গতকাল রোববার লিভ টু আপিলে তিনি হেরে যান। এর ফলে তিনি আর নির্বাচন করতে পারছেন না। এ অবস্থায় দেবীদ্বারের রাজনীতি নতুন মোড় নিল। ১৯৮৬ সালের পর এবারই মুন্সী পরিবার থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ নির্বাচনে নেই।
জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে এমপি পদে বিজয়ী হন। ১৯৯১ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বিএনপি থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে ফখরুল ইসলাম মুন্সী স্বতন্ত্র নির্বাচন করে ২১ হাজার ৬৭১ ভোট পেয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করে জয়ী হন, আওয়ামী লীগের এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী পরাজিত হন। ২০০১ সালেও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করে জয়ী হন, আওয়ামী লীগের এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী পরাজিত হন। ২০০৮ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর সহধর্মিনী মাজেদা আহসান মুন্সী ভোট করে ৮১ হাজার ৬৬৫ ভোট পান, কিন্তু পরাজিত হন। নির্বাচনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের এ বি এম গোলাম মোস্তফা । ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র ও ২০১৮ সালে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আওয়ামী লীগ থেকে এমপি হন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছেলে। ২০২৪ সালে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন।
এই আসনে বর্তমানে প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আবদুল করিম হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী ইরফানুল হক সরকার আপেল প্রতীক ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন ট্রাক প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান দেয়াল ঘড়ি বরাদ্দ পেলেও তিনি হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। জামায়াত এই আসনে হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থী দেয়নি।
দেবীদ্বারের বাসিন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, প্রায় ৪০ বছর পর দেবীদ্বারের নির্বাচনে মুন্সী পরিবার নেই। জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তিন দলেই মুন্সী পরিবার ছিল। এবার এই পরিবারের কেউ নেই।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী বলেন, দল উনাকে ( মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) মনোনয়ন দিয়েছে। ওই কারণে আমরা কেউ মনোনয়ন ফরম জমা দিইনি। এখন উনি ঋনখেলাপির কারণে বাদ পড়েছেন। এ অবস্থায় আমার দলেরও কেউ নেই। আমাদের পরিবারেরও কেউ নেই।
এ ব্যাপারে মঞ্জুুরুল আহসান মুন্সীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় জাতীয় নাগরিক পার্টির -এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বস্তিতে আছেন। শক্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় তিনি জিততে পারেন বলে দেবীদ্বারের ভোটারেরা মনে করছেন।
এই আসনে হাসনাতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন চারবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ( ৯১,৯৬,৯৬ ও ২০০১) ও কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। গতকাল রোববার লিভ টু আপিলে তিনি হেরে যান। এর ফলে তিনি আর নির্বাচন করতে পারছেন না। এ অবস্থায় দেবীদ্বারের রাজনীতি নতুন মোড় নিল। ১৯৮৬ সালের পর এবারই মুন্সী পরিবার থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ নির্বাচনে নেই।
জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করে এমপি পদে বিজয়ী হন। ১৯৯১ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বিএনপি থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে ফখরুল ইসলাম মুন্সী স্বতন্ত্র নির্বাচন করে ২১ হাজার ৬৭১ ভোট পেয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করে জয়ী হন, আওয়ামী লীগের এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী পরাজিত হন। ২০০১ সালেও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করে জয়ী হন, আওয়ামী লীগের এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী পরাজিত হন। ২০০৮ সালে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর সহধর্মিনী মাজেদা আহসান মুন্সী ভোট করে ৮১ হাজার ৬৬৫ ভোট পান, কিন্তু পরাজিত হন। নির্বাচনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের এ বি এম গোলাম মোস্তফা । ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র ও ২০১৮ সালে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আওয়ামী লীগ থেকে এমপি হন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছেলে। ২০২৪ সালে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন।
এই আসনে বর্তমানে প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আবদুল করিম হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী ইরফানুল হক সরকার আপেল প্রতীক ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন ট্রাক প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান দেয়াল ঘড়ি বরাদ্দ পেলেও তিনি হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। জামায়াত এই আসনে হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থী দেয়নি।
দেবীদ্বারের বাসিন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, প্রায় ৪০ বছর পর দেবীদ্বারের নির্বাচনে মুন্সী পরিবার নেই। জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তিন দলেই মুন্সী পরিবার ছিল। এবার এই পরিবারের কেউ নেই।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী বলেন, দল উনাকে ( মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) মনোনয়ন দিয়েছে। ওই কারণে আমরা কেউ মনোনয়ন ফরম জমা দিইনি। এখন উনি ঋনখেলাপির কারণে বাদ পড়েছেন। এ অবস্থায় আমার দলেরও কেউ নেই। আমাদের পরিবারেরও কেউ নেই।
এ ব্যাপারে মঞ্জুুরুল আহসান মুন্সীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।