বিডিআর বিদ্রোহ থেকে চাকরিচ্যুত, এরপর বিদেশ যান
আব্দুল আলীম, দেবীদ্বার

সৌদি আরবে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সুদানের নাগরিক আততায়ীর ছুরিকাঘাতে গত ১১ অক্টোবর নিহত হন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ভিড়াল্লা গ্রামের বাসিন্দা মো. খোরশেদ আলম।
আজ শনিবার সকাল ১০টায় ভিরাল্লা গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
মো. খোরশেদ আলম ওই গ্রামের প্রয়াত নুরুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার ও স্বজনরা জানান, ২০০৯ সালে ঢাকার পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের কারণে চাকরিচ্যুত হয়ে টানা দুই বছরের অধিক সময় কারাবরণ করেন। চাকরি হারিয়ে নতুন স্বপ্ন পূরণে সৌদি আরবে ২০১৭ সালে পাড়ি জমান।
সেখানে আভা শহরে একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন কাজ করতেন। দীর্ঘদিন মুয়াজ্জিনের কাজ করে একটি লন্ড্রির দোকান দেন। লন্ড্রির দোকানের অর্থ দিয়ে নিজ এলাকায় একটি কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। পুরো মাদ্রাসার শিক্ষা সামগ্রী থেকে সবকিছু তিনি নিজেই বহন করতেন। স্বপ্ন ছিল দ্বীনি শিক্ষা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার। কিন্তু সৌদি আরবে আততায়ীর ছুরিকাঘাতে সকল স্বপ্ন ভেঙে যায়।
তাঁরা আরও জানান, গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে দোকানের বকেয়া টাকা আদায় নিয়ে তাহার দোকানের বাংলাদেশী কর্মচারীর সাথে সুদানের দুই নাগরিক ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করে। খবর পেয়ে তিনি বাসা থেকে এসে ঝগড়া থামাতে গেলে সুদানী আততায়ীরা তাঁকে বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর সৌদি পুলিশ দুই হত্যাকারীকে আটক করে। সেখানে বিচার কাজ চলমান রয়েছে। এবং দ্রুত তাদের ফাঁসি হবে বলে আশাবাদী তারা।
নিহতের বড় মেয়ের জামাই নাজমুল হাসান বলেন, আমার শ্বশুরের কোন ছেলে সন্তান নেই। আমার স্ত্রীসহ তারা চার বোন। এখন তারা পিতা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তাদের ভরণপোষণের কেউ নেই। তিনি বিনা দোষে বিডিআর বিদ্রোহের কারণে চাকরি হারান। সরকার তাকে কোন সাহায্য সহযোগিতা করেননি। আমরা চাই তাঁর চাকরির পেনশনের টাকা দিয়ে যদি সরকার আমাদের সহযোগিতা করে।

সৌদি আরবে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সুদানের নাগরিক আততায়ীর ছুরিকাঘাতে গত ১১ অক্টোবর নিহত হন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ভিড়াল্লা গ্রামের বাসিন্দা মো. খোরশেদ আলম।
আজ শনিবার সকাল ১০টায় ভিরাল্লা গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
মো. খোরশেদ আলম ওই গ্রামের প্রয়াত নুরুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার ও স্বজনরা জানান, ২০০৯ সালে ঢাকার পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের কারণে চাকরিচ্যুত হয়ে টানা দুই বছরের অধিক সময় কারাবরণ করেন। চাকরি হারিয়ে নতুন স্বপ্ন পূরণে সৌদি আরবে ২০১৭ সালে পাড়ি জমান।
সেখানে আভা শহরে একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন কাজ করতেন। দীর্ঘদিন মুয়াজ্জিনের কাজ করে একটি লন্ড্রির দোকান দেন। লন্ড্রির দোকানের অর্থ দিয়ে নিজ এলাকায় একটি কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। পুরো মাদ্রাসার শিক্ষা সামগ্রী থেকে সবকিছু তিনি নিজেই বহন করতেন। স্বপ্ন ছিল দ্বীনি শিক্ষা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার। কিন্তু সৌদি আরবে আততায়ীর ছুরিকাঘাতে সকল স্বপ্ন ভেঙে যায়।
তাঁরা আরও জানান, গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে দোকানের বকেয়া টাকা আদায় নিয়ে তাহার দোকানের বাংলাদেশী কর্মচারীর সাথে সুদানের দুই নাগরিক ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করে। খবর পেয়ে তিনি বাসা থেকে এসে ঝগড়া থামাতে গেলে সুদানী আততায়ীরা তাঁকে বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর সৌদি পুলিশ দুই হত্যাকারীকে আটক করে। সেখানে বিচার কাজ চলমান রয়েছে। এবং দ্রুত তাদের ফাঁসি হবে বলে আশাবাদী তারা।
নিহতের বড় মেয়ের জামাই নাজমুল হাসান বলেন, আমার শ্বশুরের কোন ছেলে সন্তান নেই। আমার স্ত্রীসহ তারা চার বোন। এখন তারা পিতা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তাদের ভরণপোষণের কেউ নেই। তিনি বিনা দোষে বিডিআর বিদ্রোহের কারণে চাকরি হারান। সরকার তাকে কোন সাহায্য সহযোগিতা করেননি। আমরা চাই তাঁর চাকরির পেনশনের টাকা দিয়ে যদি সরকার আমাদের সহযোগিতা করে।