দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হানিট্রাপ করে মোকবল হোসেন মাস্টার নামে স্কুল শিক্ষককে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরালের পর দেবীদ্বার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে লাইলি আক্তার (৩৫) নামে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার ভুক্তভোগী মোকবল হোসেন মাস্টার অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজহারভুক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্নগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। লাইলি আক্তার উপজেলার ঘোষঘর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর একাধিক স্বামী ছিল। প্রথম স্বামী মারা যান এবং সর্বশেষ স্বামী প্রবাসে থাকেন।
মামলার বিবরণী ও ভুক্তভোগী উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোকবল হোসেন জানান, তাঁর আত্মীয় ইমন ও বাদলের সঙ্গে লাইলি আক্তারের গাড়ি বিক্রয়ের লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বিষয়টি আপস মীমাংসার জন্য তাকে অনুরোধ করেন।
সেই সুবাদে গতকাল ৬ এপ্রিল বাদ আসর নামাজ তিনি দেবীদ্বার এলাকার মোল্লাবাড়ির জামে মসজিদে নামাজ পড়ে বের হন। মসজিদের পাশেই আহসান মঞ্জিলে লাইলি আক্তার ভাড়া বাসায় থাকেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে মোকবল মাস্টারকে ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার পর ৩জন মহিলা ও ৫ জন পুরুষ তাঁকে আটক করে ফেলেন। তাঁর আত্মীয়ের কাছ থেকে পাওয়া টাকা আদায় করে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি পারবেন না বলে দ্বিমত পোষণ করলে জোরপূর্বক তাঁর সঙ্গে অবৈধ মেলামেশা করে ভিডিও ধারণ করেন চক্রটি।
তারপর ফের তাকে নির্যাতন ও মারধর করে একটি ভিডিও ধারণ করেন লাইলিসহ চক্রটি। গোপন ভিডিও দ্বারা জিম্মি করে তার পকেট থেকে ৭ হাজার টাকা এবং তাঁর আত্মীয় ইমন ও দেলোয়ারের কাছ থেকে বিকাশে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন। এতেও তাঁরা ক্ষান্ত হননি, নগদ ১ লাখ টাকা ফের জিম্মির মুখে আদায় করেন। এরইমধ্যে মোকবল হোসেন মাস্টারকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে দেবীদ্বার থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লাইলি আক্তারকে আটক ও জিম্মি মোকবল হোসেনকে উদ্ধার করেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে লাইলি আক্তারকে হানিট্র্যাপের সদস্য বলে তাঁর একাধিক ভিডিও, ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে থাকে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতাদের একইভাবে জিম্মি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়। আর তাঁর এ হানিট্র্যাপ থেকে বাদ যায়নি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কাউ।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, লাইলি দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকা- পরিচালনা করে আসছেন এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে গ্রেপ্তারের আগে লাইলি আক্তার বলেন, মোকবল হোসেন মাস্টারের সঙ্গে তাঁর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। মোকবল হোসেনের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও রয়েছে তার মুঠোফোনে। সে তাঁর ব্যক্তিগত পাওনা টাকা চাইতে গেলে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, একাধিক সূত্রে পাওয়া নির্যাতনের ভিডিওর সূত্র ধরে আমরা লাইলিকে আটক ও জিম্মি মোকবল হোসেন মাস্টারকে উদ্ধার করেছি। সে বিভিন্ন অপর্কমের সঙ্গে জড়িত। শুনেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীও তাঁর থেকে পরিত্রাণ পায়নি।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হানিট্রাপ করে মোকবল হোসেন মাস্টার নামে স্কুল শিক্ষককে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরালের পর দেবীদ্বার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে লাইলি আক্তার (৩৫) নামে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার ভুক্তভোগী মোকবল হোসেন মাস্টার অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজহারভুক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্নগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। লাইলি আক্তার উপজেলার ঘোষঘর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর একাধিক স্বামী ছিল। প্রথম স্বামী মারা যান এবং সর্বশেষ স্বামী প্রবাসে থাকেন।
মামলার বিবরণী ও ভুক্তভোগী উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোকবল হোসেন জানান, তাঁর আত্মীয় ইমন ও বাদলের সঙ্গে লাইলি আক্তারের গাড়ি বিক্রয়ের লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বিষয়টি আপস মীমাংসার জন্য তাকে অনুরোধ করেন।
সেই সুবাদে গতকাল ৬ এপ্রিল বাদ আসর নামাজ তিনি দেবীদ্বার এলাকার মোল্লাবাড়ির জামে মসজিদে নামাজ পড়ে বের হন। মসজিদের পাশেই আহসান মঞ্জিলে লাইলি আক্তার ভাড়া বাসায় থাকেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন বলে মোকবল মাস্টারকে ডেকে নেন। সেখানে যাওয়ার পর ৩জন মহিলা ও ৫ জন পুরুষ তাঁকে আটক করে ফেলেন। তাঁর আত্মীয়ের কাছ থেকে পাওয়া টাকা আদায় করে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি পারবেন না বলে দ্বিমত পোষণ করলে জোরপূর্বক তাঁর সঙ্গে অবৈধ মেলামেশা করে ভিডিও ধারণ করেন চক্রটি।
তারপর ফের তাকে নির্যাতন ও মারধর করে একটি ভিডিও ধারণ করেন লাইলিসহ চক্রটি। গোপন ভিডিও দ্বারা জিম্মি করে তার পকেট থেকে ৭ হাজার টাকা এবং তাঁর আত্মীয় ইমন ও দেলোয়ারের কাছ থেকে বিকাশে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন। এতেও তাঁরা ক্ষান্ত হননি, নগদ ১ লাখ টাকা ফের জিম্মির মুখে আদায় করেন। এরইমধ্যে মোকবল হোসেন মাস্টারকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে দেবীদ্বার থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লাইলি আক্তারকে আটক ও জিম্মি মোকবল হোসেনকে উদ্ধার করেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে লাইলি আক্তারকে হানিট্র্যাপের সদস্য বলে তাঁর একাধিক ভিডিও, ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে থাকে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতাদের একইভাবে জিম্মি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়। আর তাঁর এ হানিট্র্যাপ থেকে বাদ যায়নি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কাউ।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, লাইলি দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকা- পরিচালনা করে আসছেন এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে গ্রেপ্তারের আগে লাইলি আক্তার বলেন, মোকবল হোসেন মাস্টারের সঙ্গে তাঁর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। মোকবল হোসেনের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও রয়েছে তার মুঠোফোনে। সে তাঁর ব্যক্তিগত পাওনা টাকা চাইতে গেলে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, একাধিক সূত্রে পাওয়া নির্যাতনের ভিডিওর সূত্র ধরে আমরা লাইলিকে আটক ও জিম্মি মোকবল হোসেন মাস্টারকে উদ্ধার করেছি। সে বিভিন্ন অপর্কমের সঙ্গে জড়িত। শুনেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীও তাঁর থেকে পরিত্রাণ পায়নি।