দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদক বিক্রয়কালে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাঁদের কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নৈশ ডিউটিরত একদল পুলিশ উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদে রাজামেহার হাফেজিয়া মাদ্রাসার পেছনে অভিযান চালিয়ে দুই মাদক বিক্রেতাকে ১৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়ের ৩ হাজার ১৬০ টাকাসহ আটক করেন।
আটক দুই মাদক বিক্রেতা হলেন, রাজামেহার গ্রামের নুরু ডাক্তার বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে মো. ফয়েজ আহমেদ (৩০) ও একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক (২৮)।
তাদের দেহ তল্লাশী করে ১৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ১৬০ টাকা উদ্ধার করেন।
আটক দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গত কয়েক মাস ধরে পার্শ্ববর্তী উখারী গ্রামের আন্তঃজেলা মাদক বিক্রেতা মো. ইব্রাহিমের কাছ থেকে ইয়াবা এনে মাদ্রাসার পেছনে বসে বিক্রি করে আসছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আটক ফয়েজ, ওমর ফারুক ও পলাতক ইয়াবা ডিলার মোঃ ইব্রাহিম (২৫)সহ ৩ জনকে আসামী করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের পূর্বক আসামীদের আদালতে চালান করেছি।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদক বিক্রয়কালে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাঁদের কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নৈশ ডিউটিরত একদল পুলিশ উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদে রাজামেহার হাফেজিয়া মাদ্রাসার পেছনে অভিযান চালিয়ে দুই মাদক বিক্রেতাকে ১৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়ের ৩ হাজার ১৬০ টাকাসহ আটক করেন।
আটক দুই মাদক বিক্রেতা হলেন, রাজামেহার গ্রামের নুরু ডাক্তার বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে মো. ফয়েজ আহমেদ (৩০) ও একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক (২৮)।
তাদের দেহ তল্লাশী করে ১৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ১৬০ টাকা উদ্ধার করেন।
আটক দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, গত কয়েক মাস ধরে পার্শ্ববর্তী উখারী গ্রামের আন্তঃজেলা মাদক বিক্রেতা মো. ইব্রাহিমের কাছ থেকে ইয়াবা এনে মাদ্রাসার পেছনে বসে বিক্রি করে আসছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আটক ফয়েজ, ওমর ফারুক ও পলাতক ইয়াবা ডিলার মোঃ ইব্রাহিম (২৫)সহ ৩ জনকে আসামী করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের পূর্বক আসামীদের আদালতে চালান করেছি।