নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, অনেকেই এখন ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছেন। যারা এ পরিকল্পনা করছেন আপনারা সাবধান হয়ে যান। এখানে যারা আছেন, আপনারা ফজর নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে পাহারায় যাবেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেবীদ্বার উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর ঘোষাইবাড়ি মাঠে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসবে, তাদের নেতাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে কর্মীদের বেঁধে পুলিশে দেবেন। এবার ভোট চুরি প্রতিহত করতে রাজনৈতিক নেতার দরকার নেই। যারা জুলাই আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছে তারাই ঠেকাবে। জুলাই আন্দোলনের সময় আমার মা-বোনেরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাদের পানি খাওয়াইছে তারাই এবার ভোট চুরি ঠেকাবে। জুলাই যোদ্ধারা ভোট চুরি ঠেকাবে।
এই বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে। যারা এই ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদেরকেও হাসিনার পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দল গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, হ্যাঁ ভোটের শর্তের কোথাও কি এই কথা লেখা আছে? আপনারা নির্বাচনে দুটি ভোট দেবেন, একটি শাপলাকলি আরেকটি হ্যাঁ ভোট। পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ হ্যাঁ ভোটের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে।
সুবিল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, দেবীদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কুমিল্লা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি জামসেদ হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শরীফুল ইসলাম সরকার, উপজেলা এনসিপির সার্চ কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ঈসমাঈল হোসেন।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, অনেকেই এখন ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছেন। যারা এ পরিকল্পনা করছেন আপনারা সাবধান হয়ে যান। এখানে যারা আছেন, আপনারা ফজর নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে পাহারায় যাবেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেবীদ্বার উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর ঘোষাইবাড়ি মাঠে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসবে, তাদের নেতাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে কর্মীদের বেঁধে পুলিশে দেবেন। এবার ভোট চুরি প্রতিহত করতে রাজনৈতিক নেতার দরকার নেই। যারা জুলাই আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছে তারাই ঠেকাবে। জুলাই আন্দোলনের সময় আমার মা-বোনেরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাদের পানি খাওয়াইছে তারাই এবার ভোট চুরি ঠেকাবে। জুলাই যোদ্ধারা ভোট চুরি ঠেকাবে।
এই বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে। যারা এই ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদেরকেও হাসিনার পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দল গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, হ্যাঁ ভোটের শর্তের কোথাও কি এই কথা লেখা আছে? আপনারা নির্বাচনে দুটি ভোট দেবেন, একটি শাপলাকলি আরেকটি হ্যাঁ ভোট। পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ হ্যাঁ ভোটের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে।
সুবিল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, দেবীদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কুমিল্লা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি জামসেদ হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শরীফুল ইসলাম সরকার, উপজেলা এনসিপির সার্চ কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ঈসমাঈল হোসেন।