ইলিয়াছ হোসাইন

কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বারে যান্ত্রিক চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে দেবীদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫ একর ব্লক প্রদর্শনীর বোরো ধানের জমিতে রোপণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষকদের চাহিদার ভিত্তিতে জাত হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে ব্রি ধান ১০২ জাতটি।

মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে অনবরত রোপন হচ্ছে ধানের জমি। এক বিঘা জমি রোপন করতে সময় লাগছে গড়ে মাত্র ৩০ মিনিট। মাঠের নিজ নিজ জমি প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক কৃষাণীরা। একটা জমি শেষ করে চালক প্রস্তুত থাকা অন্য জমিতে মেশিন নিয়ে গিয়ে রোপন করে চলেছেন ৩৫ দিন বয়সের বোরো ধানের চারা।
স্থানীয় কৃষক মো. মোসলেম উদ্দিন বলেন, প্রতি বিঘা জমি রোপণ করতে শ্রমিক খরচ হয় তিন সাড়ে থেকে তিন হাজার টাকা। আর সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরি করে রাইসট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে রোপণ করলে বিঘা প্রতি এক হাজার টাকা খরচ হবে। তার থেকেও বড় কথা প্রয়োজনের সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শ্রমিক মজুরি দ্বিগুণ পর্যন্ত হয়ে যায়। এ সব দুশ্চিন্তা থেকে এবার আমার মুক্ত।

ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারা রোপনের পর কৃষক জমি দেখে কিছুটা ঘাবড়ে যায়। হাতে লাগানো জামির তুলনায় মেশিনে লাগানো জমিতে ধানের চারা সুন্দর দেখা যায় না। তবে জমির ফলন দেখে এ বছর কৃষকেরা নিজেরাই রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চাষের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উপজেলা কৃষি র্কমকর্তা বানিন রায় বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বার উপজেলায় ২টি ৫ একর ব্লক প্রদর্শনী বাস্তবায়িত হচ্ছে, একটি ইউসুফপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে, অন্যটি পৌরসভার উত্তরপাড়ায়। মূলত দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা সমলয় চাষাবাদের ব্লক প্রদর্শনীটি বাস্তবায়ন করছি। প্রথমত, কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ; বিশেষ করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের ব্যবহারকে জনপ্রিয়করণ, দ্বিতীয়ত, বোরো ধানের নতুন জাত হিসাবে ব্রি ধান১০২ সম্প্রসারণ। তাছাড়া রোপনের পর এ ডব্লিউ ডি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক সেচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের অভ্যস্ত করতে কার্যক্রম চলমান থাকবে।

কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বারে যান্ত্রিক চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে দেবীদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৫ একর ব্লক প্রদর্শনীর বোরো ধানের জমিতে রোপণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষকদের চাহিদার ভিত্তিতে জাত হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে ব্রি ধান ১০২ জাতটি।

মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে অনবরত রোপন হচ্ছে ধানের জমি। এক বিঘা জমি রোপন করতে সময় লাগছে গড়ে মাত্র ৩০ মিনিট। মাঠের নিজ নিজ জমি প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক কৃষাণীরা। একটা জমি শেষ করে চালক প্রস্তুত থাকা অন্য জমিতে মেশিন নিয়ে গিয়ে রোপন করে চলেছেন ৩৫ দিন বয়সের বোরো ধানের চারা।
স্থানীয় কৃষক মো. মোসলেম উদ্দিন বলেন, প্রতি বিঘা জমি রোপণ করতে শ্রমিক খরচ হয় তিন সাড়ে থেকে তিন হাজার টাকা। আর সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরি করে রাইসট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে রোপণ করলে বিঘা প্রতি এক হাজার টাকা খরচ হবে। তার থেকেও বড় কথা প্রয়োজনের সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শ্রমিক মজুরি দ্বিগুণ পর্যন্ত হয়ে যায়। এ সব দুশ্চিন্তা থেকে এবার আমার মুক্ত।

ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারা রোপনের পর কৃষক জমি দেখে কিছুটা ঘাবড়ে যায়। হাতে লাগানো জামির তুলনায় মেশিনে লাগানো জমিতে ধানের চারা সুন্দর দেখা যায় না। তবে জমির ফলন দেখে এ বছর কৃষকেরা নিজেরাই রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চাষের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উপজেলা কৃষি র্কমকর্তা বানিন রায় বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বার উপজেলায় ২টি ৫ একর ব্লক প্রদর্শনী বাস্তবায়িত হচ্ছে, একটি ইউসুফপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে, অন্যটি পৌরসভার উত্তরপাড়ায়। মূলত দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা সমলয় চাষাবাদের ব্লক প্রদর্শনীটি বাস্তবায়ন করছি। প্রথমত, কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ; বিশেষ করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের ব্যবহারকে জনপ্রিয়করণ, দ্বিতীয়ত, বোরো ধানের নতুন জাত হিসাবে ব্রি ধান১০২ সম্প্রসারণ। তাছাড়া রোপনের পর এ ডব্লিউ ডি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক সেচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের অভ্যস্ত করতে কার্যক্রম চলমান থাকবে।