দেবীদ্বার প্রতিনিধি

প্রগতিশীল আন্দোলনের কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ন্যাপের সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ‘কুড়ের ঘর’র মোজাফ্ফরখ্যাত অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী একরকম নীরবেই চলে গেল। গতকাল রোববার তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজন করা হয়নি বড় কোনো অনুষ্ঠানমালার। দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে দিবসটি পালন করেন।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) কেন্দ্রীয় কমিটি কিংবা দেবীদ্বার উপজেলা ন্যাপের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্মসূচি নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত মহান মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্র ‘চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ’র কার্যালয় সংলগ্নে প্রয়াত অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ’র সামাধিতে ‘ন্যাপ’, ‘কমিউনিস্ট পার্টি’, ‘ন্যাপ- কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনী’, ‘দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব’, ‘মোজাফ্ফর-মনিসিং গ্রন্থাগার’ এর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রবীণ ন্যাপ নেতা বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুলমিয়া মাস্টার বলেন, উপজেলা ন্যাপের পক্ষ থেকে অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের মৃত্যু বর্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভাসহ নানা আয়োজন করার কথা, এ বিষয়ে কেউ আমাকে কিছু জানায়নি।
এ বিষয়ে ন্যাপ উপজেলা সভাপতি অনিল ঠাকুর জানান, আমরা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়ার আয়োজন করা হয়নি। প্রতিবারের ন্যায় নেতার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ন্যাপ কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের সভাপতি আইভি রহমান অসুস্থ, তাই ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রয়াত নেতার স্মরণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।
এ ব্যাপারে এলাহাবাদ কলেজের অফিস সহকারী ও অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের বাড়ির তত্ত¡াবধায়ক ন্যাপ নেতা মো. আবুল কাসেম জানান, নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে স্থানীয়ভাবে কোনো আয়োজন করা হয়নি। লোকসমাগমও ছিল না, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা ৭টি তোরণের সাথে ১৪ জন লোকও ছিলেন না। এ পরিণতির জন্য দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহেলাই দায়ী।
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদে ১৯২২ সালের ১৪ এপ্রিল কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে সম্ভ্রান্ত ভূঁইয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কেয়াম উদ্দিন ভূঁইয়া একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন এবং এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, মাতা আফজারুন্নেছা গৃহিণী ছিলেন।
তিনি ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পদক পান। তবে পদকটি তিনি প্রত্যাখ্যান করেন । ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট, ৯৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এ কিংবদন্তি।

প্রগতিশীল আন্দোলনের কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ন্যাপের সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ‘কুড়ের ঘর’র মোজাফ্ফরখ্যাত অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী একরকম নীরবেই চলে গেল। গতকাল রোববার তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজন করা হয়নি বড় কোনো অনুষ্ঠানমালার। দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে দিবসটি পালন করেন।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) কেন্দ্রীয় কমিটি কিংবা দেবীদ্বার উপজেলা ন্যাপের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্মসূচি নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত মহান মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্র ‘চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ’র কার্যালয় সংলগ্নে প্রয়াত অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ’র সামাধিতে ‘ন্যাপ’, ‘কমিউনিস্ট পার্টি’, ‘ন্যাপ- কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনী’, ‘দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব’, ‘মোজাফ্ফর-মনিসিং গ্রন্থাগার’ এর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রবীণ ন্যাপ নেতা বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুলমিয়া মাস্টার বলেন, উপজেলা ন্যাপের পক্ষ থেকে অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের মৃত্যু বর্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভাসহ নানা আয়োজন করার কথা, এ বিষয়ে কেউ আমাকে কিছু জানায়নি।
এ বিষয়ে ন্যাপ উপজেলা সভাপতি অনিল ঠাকুর জানান, আমরা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়ার আয়োজন করা হয়নি। প্রতিবারের ন্যায় নেতার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ন্যাপ কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের সভাপতি আইভি রহমান অসুস্থ, তাই ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রয়াত নেতার স্মরণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।
এ ব্যাপারে এলাহাবাদ কলেজের অফিস সহকারী ও অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের বাড়ির তত্ত¡াবধায়ক ন্যাপ নেতা মো. আবুল কাসেম জানান, নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে স্থানীয়ভাবে কোনো আয়োজন করা হয়নি। লোকসমাগমও ছিল না, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা ৭টি তোরণের সাথে ১৪ জন লোকও ছিলেন না। এ পরিণতির জন্য দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহেলাই দায়ী।
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদে ১৯২২ সালের ১৪ এপ্রিল কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে সম্ভ্রান্ত ভূঁইয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কেয়াম উদ্দিন ভূঁইয়া একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন এবং এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, মাতা আফজারুন্নেছা গৃহিণী ছিলেন।
তিনি ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পদক পান। তবে পদকটি তিনি প্রত্যাখ্যান করেন । ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট, ৯৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এ কিংবদন্তি।