দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় একটি খাল থেকে গলিত লাশের হাড়-কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া লাশটি পুরুষ না নারী- তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার বিকেলে উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখার বড়বাড়ি এলাকার পাশের খাল থেকে ওই গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মিজানুর রহমান নামে এক কৃষক খাল থেকে গরুর খাবার হিসেবে কচুরিপানা তুলতে গিয়ে পানিতে ভাসমান গলিত লাশের মাথার খুলিসহ হাড়-কঙ্কাল দেখতে পান। পরে তিনি স্থানীয়দের জানান এবং দেবীদ্বার থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাল ফেলে লাশটির হাড়-কঙ্কাল উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন মাস আগে ওই এলাকার বড় বাড়ির প্রয়াত আলী আকবর সরকারের দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৭৫) নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ সংবাদ প্রচার এবং মাইকিং করা হলেও এ ঘটনায় থানায় কোনো নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি।
নিখোঁজ ফিরোজা বেগমের সৎ ছেলে চিরকুমার মো. জসিম উদ্দিন সরকার (৫৮) বলেন, আমার সৎ মা প্রায় তিন মাস আগে নিখোঁজ হন। আজ যে লাশটি আমাদের বাড়ির পাশের খালে পাওয়া গেছে, সেটি আমার মায়ের কি না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। লাশের অবস্থা এমন যে এটি পুরুষ না নারী- তাও বোঝা যাচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, তাঁর বাবার প্রথম সংসারে তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে। প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরণ করার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় সংসারে পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো পুত্র সন্তান নেই। আমার সৎ মা ফিরোজা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং এর আগেও কয়েকবার নিখোঁজ হয়েছিলেন, পরে তাকে খুঁজে পাওয়া যেত।
নিখোঁজ ফিরোজার সৎপুত্র মহসীন সরকারের স্ত্রী রুবিনা বেগম জানান, আমার মানসিক প্রতিবন্ধী শাশুড়িকে অনেক সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হতো। আমার এক ননদও মানসিক প্রতিবন্ধী। শাশুড়ির এক ভাইও মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন, যিনি ৭-৮ বছর আগে মাধাইয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে উদ্ধার হওয়া লাশটি তিন মাস আগে নিখোঁজ ফিরোজা বেগমের হতে পারে। তবে লাশটি অত্যন্ত গলিত হওয়ায় বয়স, লিঙ্গ কিংবা পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। লাশের গায়ে কোনো পোশাকও ছিল না।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংরক্ষণ করা হবে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় একটি খাল থেকে গলিত লাশের হাড়-কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া লাশটি পুরুষ না নারী- তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার বিকেলে উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখার বড়বাড়ি এলাকার পাশের খাল থেকে ওই গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মিজানুর রহমান নামে এক কৃষক খাল থেকে গরুর খাবার হিসেবে কচুরিপানা তুলতে গিয়ে পানিতে ভাসমান গলিত লাশের মাথার খুলিসহ হাড়-কঙ্কাল দেখতে পান। পরে তিনি স্থানীয়দের জানান এবং দেবীদ্বার থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাল ফেলে লাশটির হাড়-কঙ্কাল উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন মাস আগে ওই এলাকার বড় বাড়ির প্রয়াত আলী আকবর সরকারের দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৭৫) নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ সংবাদ প্রচার এবং মাইকিং করা হলেও এ ঘটনায় থানায় কোনো নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি।
নিখোঁজ ফিরোজা বেগমের সৎ ছেলে চিরকুমার মো. জসিম উদ্দিন সরকার (৫৮) বলেন, আমার সৎ মা প্রায় তিন মাস আগে নিখোঁজ হন। আজ যে লাশটি আমাদের বাড়ির পাশের খালে পাওয়া গেছে, সেটি আমার মায়ের কি না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। লাশের অবস্থা এমন যে এটি পুরুষ না নারী- তাও বোঝা যাচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, তাঁর বাবার প্রথম সংসারে তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে। প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরণ করার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় সংসারে পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো পুত্র সন্তান নেই। আমার সৎ মা ফিরোজা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং এর আগেও কয়েকবার নিখোঁজ হয়েছিলেন, পরে তাকে খুঁজে পাওয়া যেত।
নিখোঁজ ফিরোজার সৎপুত্র মহসীন সরকারের স্ত্রী রুবিনা বেগম জানান, আমার মানসিক প্রতিবন্ধী শাশুড়িকে অনেক সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হতো। আমার এক ননদও মানসিক প্রতিবন্ধী। শাশুড়ির এক ভাইও মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন, যিনি ৭-৮ বছর আগে মাধাইয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে উদ্ধার হওয়া লাশটি তিন মাস আগে নিখোঁজ ফিরোজা বেগমের হতে পারে। তবে লাশটি অত্যন্ত গলিত হওয়ায় বয়স, লিঙ্গ কিংবা পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। লাশের গায়ে কোনো পোশাকও ছিল না।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংরক্ষণ করা হবে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।