দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের সৈয়দালীর বাড়ির ব্রিজ থেকে গোপালনগর হয়ে আব্দুল্লাহপুর বুড়িনদী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২৫ ফুট প্রশস্ত খাল খনন ও পুনর্খননের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার এই খাল খনন উদ্বোধন করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উদ্বোধনকৃত ওই খালের বিভিন্ন অংশ কয়েকটি পরিবার খালের ওপর ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, নির্মাণসহ খাল ভরাটে আবাদি জমি তৈরি করে রেখেছেন। আমিরুদ্দিন হাজি বাড়ির সামনের খালের ওপর পাকা মার্কেট, বাড়ি ও ব্রিজ নির্মাণ করে বাড়ির সাথে একাকার করে রেখেছেন। এ বিয়য়ে জানতে চাইলে বাড়ির লোকজন এবং মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অপরদিকে প্রায় ৫ শত গজ দূরে সড়ক ঘেঁষে খালের ওপর পাকা বাড়ি নির্মাণ, বাড়ির পূর্বদিকে কালভার্ট নির্মাণসহ খাল ভরাট করে আবাদি জমিও তৈরি করা হয়েছে| বাড়ির উত্তর পাশে একটি পাকা ড্রেন নির্মাণ করে খালের বিকল্প রেখেছেন|
এ বিষয়ে বাড়ির লোকজনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে, আমিন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এসে বলেন, এ বাড়ি আমার না| এটা মোসলেম উদ্দিনের বাড়ি। তিনি ও তাঁর পরিবারের কেউ বাড়িতে নেই। উপজেলার বরাদ্দকৃত ২টি খালের এটি দ্বিতীয় খাল এবং খাল খননের পর খালের উভয় পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের আওতায় আনার কথা রয়েছে।
এ ব্যপারে রসুলপুর ইইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সরকার বলেন, ওই বাড়ি ২ টির সামনে খালের প্রশস্ত ৪৯ ফুট এবং সড়ক ১১ ফটসহ ৫০ ফুট প্রশস্ত খাস জমি থাকলেও ওরা খাসের উপর স্থাপনা নির্মাণ করে রেখেছেন।
খাল খননের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি), মো. ফয়সল উদ্দীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সরকার, বিশিস্ট সমাজসেবক আব্দুল আউয়াল ভূঁইয়া, সুবিল ইউপি সচিব আবু সাঈদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ খালটি প্রায় ৩ কিলোমিটার ˆদর্ঘ এবং ২৫ ফুট প্রশস্তে খনন কাজে প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকা পারিশ্রমিকে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, খালটির বিভিন্ন অংশে ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, আবাদি জমি নির্মাণ করায় খাল পুনর্খননে প্রধান প্রবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা উচ্ছেদে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকার্র একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষির উন্নয়ন, দেশি মাছের উৎপাদন, খালপাড়ে বনায়নসহ পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় এক অভূতপূর্ব অবদান রাখবে। তবে এ ক্ষেত্রে খালের ওপর ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, নির্মাণ করেছেন, খালের পানির গতিপথ স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দখলদারদের নিজ দায়িত্বে স্থাপনা অপসারণের নোটিশ করা হয়েছ। অন্যথায় প্রশাসনের উদ্যোগে অপসারণ করা হবে।

দেবীদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের সৈয়দালীর বাড়ির ব্রিজ থেকে গোপালনগর হয়ে আব্দুল্লাহপুর বুড়িনদী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২৫ ফুট প্রশস্ত খাল খনন ও পুনর্খননের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার এই খাল খনন উদ্বোধন করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উদ্বোধনকৃত ওই খালের বিভিন্ন অংশ কয়েকটি পরিবার খালের ওপর ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, নির্মাণসহ খাল ভরাটে আবাদি জমি তৈরি করে রেখেছেন। আমিরুদ্দিন হাজি বাড়ির সামনের খালের ওপর পাকা মার্কেট, বাড়ি ও ব্রিজ নির্মাণ করে বাড়ির সাথে একাকার করে রেখেছেন। এ বিয়য়ে জানতে চাইলে বাড়ির লোকজন এবং মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অপরদিকে প্রায় ৫ শত গজ দূরে সড়ক ঘেঁষে খালের ওপর পাকা বাড়ি নির্মাণ, বাড়ির পূর্বদিকে কালভার্ট নির্মাণসহ খাল ভরাট করে আবাদি জমিও তৈরি করা হয়েছে| বাড়ির উত্তর পাশে একটি পাকা ড্রেন নির্মাণ করে খালের বিকল্প রেখেছেন|
এ বিষয়ে বাড়ির লোকজনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে, আমিন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এসে বলেন, এ বাড়ি আমার না| এটা মোসলেম উদ্দিনের বাড়ি। তিনি ও তাঁর পরিবারের কেউ বাড়িতে নেই। উপজেলার বরাদ্দকৃত ২টি খালের এটি দ্বিতীয় খাল এবং খাল খননের পর খালের উভয় পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের আওতায় আনার কথা রয়েছে।
এ ব্যপারে রসুলপুর ইইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সরকার বলেন, ওই বাড়ি ২ টির সামনে খালের প্রশস্ত ৪৯ ফুট এবং সড়ক ১১ ফটসহ ৫০ ফুট প্রশস্ত খাস জমি থাকলেও ওরা খাসের উপর স্থাপনা নির্মাণ করে রেখেছেন।
খাল খননের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি), মো. ফয়সল উদ্দীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান সরকার, বিশিস্ট সমাজসেবক আব্দুল আউয়াল ভূঁইয়া, সুবিল ইউপি সচিব আবু সাঈদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ খালটি প্রায় ৩ কিলোমিটার ˆদর্ঘ এবং ২৫ ফুট প্রশস্তে খনন কাজে প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকা পারিশ্রমিকে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, খালটির বিভিন্ন অংশে ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, আবাদি জমি নির্মাণ করায় খাল পুনর্খননে প্রধান প্রবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা উচ্ছেদে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকার্র একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষির উন্নয়ন, দেশি মাছের উৎপাদন, খালপাড়ে বনায়নসহ পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় এক অভূতপূর্ব অবদান রাখবে। তবে এ ক্ষেত্রে খালের ওপর ব্যক্তিগত বাড়ি, মার্কেট, সড়ক, ব্রিজ, নির্মাণ করেছেন, খালের পানির গতিপথ স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দখলদারদের নিজ দায়িত্বে স্থাপনা অপসারণের নোটিশ করা হয়েছ। অন্যথায় প্রশাসনের উদ্যোগে অপসারণ করা হবে।