দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে জুলুস হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ভূমিহীন সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে| আজ সোমবার বিকেলে দেবীদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর বাজারে ওই কর্মসূচি পালিত হয়|
সভায় বক্তারা বলেন, গত ১ এপ্রিল কুকুরকে লাথি দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে জুলুস মারা যায়| এ হত্যার সাথে কামালের সহযোগীরা দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে| ঘাতক কামালকে গ্রেপ্তার হলেও তাঁর সহযোগী আনোয়ার, আলী আহাম্মামদ ও ফখরুল মামলার আসামি হয়েও দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে| তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেব| সহস্রাধিক নারী পুরুষের সমনন্বয়ে ওই মানববন্ধনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়|
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিজেরা করি সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক খাইরুল ইসলাম, রসুলপুর ভূমিহীন সংগঠনের আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক লিল মিয়া, নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার, ভাতিজা ওমর ফারুক, মো. খোকন মিয়া, মো. বাছির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, ভূমিহীন নেতা জজ মিয়া, নিহতের ছেলে ইব্রাহিম প্রমুখ|
উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল রাত সোয়া ৭টায় নারায়ণপুর গ্রামের মধ্যপাড়ায় আশরাফ আলীর বাড়ির সামনে আরাফাত স্টোর নামে একটি চায়ের দোকানে সামনে
জুলুস মিয়া ও অভিযুক্ত কামাল হোসেনরা বসে চা খাচ্ছিলেন| এসময় একটি কুকুর তাদের সামনে এসে বসে| কুকুরটি দেখে জুলুস মিয়া লাথি মেরে সরিয়ে দেন| লাথি মারার ঘটনায় পাশে বসে থাকা কামাল হোসেনসহ তার স্বজনরা তাকে গালমন্দ করেন এবং বলেন, তুই পাগলের বংশ তোর ভাই পাগল হয়ে মারা গেছে| এ কথার জবাবে জুলুস মিয়া তার পায়ের জুতু খুলে কামালের গালে মারে, কামাল ক্ষুব্ধ হয়ে জুলুসের সঙ্গে হাতাহাতির এক পর্যায়ে চেয়ারে বসে থাকা জুলুস মিয়ার গোপনাঙ্গে লাথি মারলে লাথি এবং চেয়ারের চাপে অন্ডকোষে আঘাত পেয়ে তিনি মারা যান| নিহত জুলুস মিয়া(৫৫) ওই গ্রামের প্রয়াত সায়েদ আলীর ছেলে| পেশায় তিনি একজন কৃষক ছিলেন|
ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার বাদী হয়ে একই গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানে ছেলে মূল অভিযুক্ত কামাল হোসেন (৩৫), অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন (২৮), আলী আহম্মদ (৩০) এবং চাচাতো ভাই ফখরুল ইসলামকে (২৫) অভিযুক্ত করে দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের জুলাস মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করার পরই কামাল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে| বাকিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে| আসামিরা এলাকায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে এমন তথ্য আমাদের জানা নেই, এ ছাড়া কেউ ওদের বিষয়ে আমাকে অবহিত করেনি|

কুমিল্লার দেবীদ্বারে জুলুস হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ভূমিহীন সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে| আজ সোমবার বিকেলে দেবীদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর বাজারে ওই কর্মসূচি পালিত হয়|
সভায় বক্তারা বলেন, গত ১ এপ্রিল কুকুরকে লাথি দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে জুলুস মারা যায়| এ হত্যার সাথে কামালের সহযোগীরা দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে| ঘাতক কামালকে গ্রেপ্তার হলেও তাঁর সহযোগী আনোয়ার, আলী আহাম্মামদ ও ফখরুল মামলার আসামি হয়েও দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে| তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেব| সহস্রাধিক নারী পুরুষের সমনন্বয়ে ওই মানববন্ধনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়|
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিজেরা করি সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক খাইরুল ইসলাম, রসুলপুর ভূমিহীন সংগঠনের আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক লিল মিয়া, নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার, ভাতিজা ওমর ফারুক, মো. খোকন মিয়া, মো. বাছির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, ভূমিহীন নেতা জজ মিয়া, নিহতের ছেলে ইব্রাহিম প্রমুখ|
উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল রাত সোয়া ৭টায় নারায়ণপুর গ্রামের মধ্যপাড়ায় আশরাফ আলীর বাড়ির সামনে আরাফাত স্টোর নামে একটি চায়ের দোকানে সামনে
জুলুস মিয়া ও অভিযুক্ত কামাল হোসেনরা বসে চা খাচ্ছিলেন| এসময় একটি কুকুর তাদের সামনে এসে বসে| কুকুরটি দেখে জুলুস মিয়া লাথি মেরে সরিয়ে দেন| লাথি মারার ঘটনায় পাশে বসে থাকা কামাল হোসেনসহ তার স্বজনরা তাকে গালমন্দ করেন এবং বলেন, তুই পাগলের বংশ তোর ভাই পাগল হয়ে মারা গেছে| এ কথার জবাবে জুলুস মিয়া তার পায়ের জুতু খুলে কামালের গালে মারে, কামাল ক্ষুব্ধ হয়ে জুলুসের সঙ্গে হাতাহাতির এক পর্যায়ে চেয়ারে বসে থাকা জুলুস মিয়ার গোপনাঙ্গে লাথি মারলে লাথি এবং চেয়ারের চাপে অন্ডকোষে আঘাত পেয়ে তিনি মারা যান| নিহত জুলুস মিয়া(৫৫) ওই গ্রামের প্রয়াত সায়েদ আলীর ছেলে| পেশায় তিনি একজন কৃষক ছিলেন|
ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার বাদী হয়ে একই গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানে ছেলে মূল অভিযুক্ত কামাল হোসেন (৩৫), অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন (২৮), আলী আহম্মদ (৩০) এবং চাচাতো ভাই ফখরুল ইসলামকে (২৫) অভিযুক্ত করে দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের জুলাস মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করার পরই কামাল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে| বাকিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে| আসামিরা এলাকায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে এমন তথ্য আমাদের জানা নেই, এ ছাড়া কেউ ওদের বিষয়ে আমাকে অবহিত করেনি|