আব্দুল আলীম, দেবীদ্বার

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বারি-১২ বেগুন চাষ করে উদ্যোক্তা কৃষক মো. ওসমান সরকার সফলতা অর্জন করেছেন। এই বেগুন চাষ করে ফলন ভালো হওয়ায় তিনি বেশ আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। উপজেলার পৌরসভার ভোষনার বাসিন্দা ওসমান পেশায় একজন সাধারণ কৃষক। কৃষিপণ্য উৎপন্ন করেই পরিবারের ভরণপোষণ করে থাকে। তিনি নতুন নতুন সবজি চাষে সব সয়ই নিজেকে বিভিন্ন সময় ব্যস্ত রাখেন।
উপজেলায় শীতকালীন সবজির চাহিদা সব সময়ই বেশি থাকে। তাঁর সবজি চাষে আগ্রহ বেশি। এই কৃষক প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে বারি-১২ জাতের বেগুন চাষাবাদ করেছেন। প্রতিটি বেগুনের গড় ওজন প্রায় ৯শ থেকে ১ হাজার গ্রাম। এছাড়াও সে একাধিক জমিতে লাউ, করলা, ক্যাপসিকাম, টমেটোসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করেছেন।
মো. ওসমান বলেন, আমি একজন সবজি চাষি। সারা বছর বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করি। দুই বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রাপ্ত উন্নত জাতের বারি বেগুন-১২ চাষ শুরু করি। প্রথম থেকেই ভালো ফলনের লাভবান হই। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর পরামর্শে আমি এ জাতের চারা রোপণ করি। সর্বত্র বিক্রিও করি।
আমার বেগুন বিক্রি করতে বাজারে যেতে হয় না। পাইকাররা আমার খেত থেকে এসে নিয়ে যায়। এই বেগুন খুবই সুস্বাদু তাই বাজারে এর চাহিদা বেশি। স্থানীয়রাও সবসময় এখান থেকে নিয়ে যায়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও তদারকি করে থাকেন। বেগুনের গাছে এই বছর কোনো রোগবালাই নাই। বিশেষ করে মালচিং পেপারে আধুনিক নিয়মে প্রতি বছর চাষ করি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায় বলেন, বারি-১২ বেগুন এই প্রথম নয়। অনেক কৃষক বারি বেগুন-১২ চাষ করছে আমাদের সহযোগিতা ও পরামর্শে। ওসমান একজন ব্যতিক্রমী কৃষক। চাষে আধুনিক অবলম্বনসহ একজন মেধাবী কৃষক ওসমান। কয়েক বছর ধরে বারি বেগুন-১২ চাষ করে সফল হচ্ছে সে। এছাড়া তার চারা গাছগুলো ভালো মানের হয়। উপজেলায় ওসমানের বেগুন ক্ষেত দেখে আগামীতে বেগুন চাষে চাষিরা ব্যাপক আকারে চাষ করার আগ্রহ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বারি-১২ বেগুন চাষ করে উদ্যোক্তা কৃষক মো. ওসমান সরকার সফলতা অর্জন করেছেন। এই বেগুন চাষ করে ফলন ভালো হওয়ায় তিনি বেশ আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। উপজেলার পৌরসভার ভোষনার বাসিন্দা ওসমান পেশায় একজন সাধারণ কৃষক। কৃষিপণ্য উৎপন্ন করেই পরিবারের ভরণপোষণ করে থাকে। তিনি নতুন নতুন সবজি চাষে সব সয়ই নিজেকে বিভিন্ন সময় ব্যস্ত রাখেন।
উপজেলায় শীতকালীন সবজির চাহিদা সব সময়ই বেশি থাকে। তাঁর সবজি চাষে আগ্রহ বেশি। এই কৃষক প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে বারি-১২ জাতের বেগুন চাষাবাদ করেছেন। প্রতিটি বেগুনের গড় ওজন প্রায় ৯শ থেকে ১ হাজার গ্রাম। এছাড়াও সে একাধিক জমিতে লাউ, করলা, ক্যাপসিকাম, টমেটোসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করেছেন।
মো. ওসমান বলেন, আমি একজন সবজি চাষি। সারা বছর বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করি। দুই বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রাপ্ত উন্নত জাতের বারি বেগুন-১২ চাষ শুরু করি। প্রথম থেকেই ভালো ফলনের লাভবান হই। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর পরামর্শে আমি এ জাতের চারা রোপণ করি। সর্বত্র বিক্রিও করি।
আমার বেগুন বিক্রি করতে বাজারে যেতে হয় না। পাইকাররা আমার খেত থেকে এসে নিয়ে যায়। এই বেগুন খুবই সুস্বাদু তাই বাজারে এর চাহিদা বেশি। স্থানীয়রাও সবসময় এখান থেকে নিয়ে যায়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও তদারকি করে থাকেন। বেগুনের গাছে এই বছর কোনো রোগবালাই নাই। বিশেষ করে মালচিং পেপারে আধুনিক নিয়মে প্রতি বছর চাষ করি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায় বলেন, বারি-১২ বেগুন এই প্রথম নয়। অনেক কৃষক বারি বেগুন-১২ চাষ করছে আমাদের সহযোগিতা ও পরামর্শে। ওসমান একজন ব্যতিক্রমী কৃষক। চাষে আধুনিক অবলম্বনসহ একজন মেধাবী কৃষক ওসমান। কয়েক বছর ধরে বারি বেগুন-১২ চাষ করে সফল হচ্ছে সে। এছাড়া তার চারা গাছগুলো ভালো মানের হয়। উপজেলায় ওসমানের বেগুন ক্ষেত দেখে আগামীতে বেগুন চাষে চাষিরা ব্যাপক আকারে চাষ করার আগ্রহ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।