দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ পৌর টোল (জিপি) আদায় বন্ধের দাবিতে বাগুর এলাকায় সিএনজি চালকরা দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন। পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়, তবে দাবির পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন চালকেরা। আজ শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ পযর্ন্ত অবরোধ চলে।
সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং রোববার পৌর প্রশাসকের উপস্থিতিতে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেন এবং সমাধানের আগে আর কোন টোল (জিপি) আদায় না করার ইজারাদারদের পরামর্শ দেন।
সিএনজি অটোরিকশা চালক, যাত্রী ও পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টোল (জিপি) আদায়ের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও চাঁদাবাজের কারনে সাবেক সাংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ সিএনজি ও অটোচালকদের হয়রানি বন্ধে সিএনজি স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়া বন্ধ করে দেন।
পরবর্তীতে সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষা, সিএনজি/অটো নিয়নিত্রণে এবং যানজট নিরসনে লক্ষ্যে ৭টি সিএনজি, অটোরিকশা ও মাইক্রো-অ্যাম্ব্ল্যুান্স স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়া হয়। গত ৩০ জুলাই পৌরসভা ৭ স্ট্যান্ড বিভিন্ন দামে প্রায় দেড় কোটি টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়।
ইজারাদারগন ৩১ জুলাই থেকে বিভিন্ন সড়কে ৩০ টাকা এবং ৪০ টাকা টোল আদায়ের কার্যক্রম শুরু করেন।
এ ক্ষেত্রে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সড়কে যাত্রীদের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে সিএনজি-অটোচালকরা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে যাত্রীদের হয়রানি করার অভিযোগও বিস্তর রয়েছে।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জানান, ৭টি সিএনজি-অটো ও মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড ইজারার তথ্য দেয়া যাবে না। এখনো আমরা ইজারা প্রদানের তালিকা প্রস্তুত করতে পারিনি।
এ বিষয়ে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম, আ. আলীম, মো. রাজু, রবিউল, বিল্লাল, নজরুল ইসলাম জানান, আগে আমরা নিজেরাই যানজট নিরসনে লোক রেখেছিলাম এবং ১০ টাকা করে জিপি দিতাম। এখন নতুন করে আজ থেকে ৪০ টাকা টোল (জিপি) নিচ্ছে। তা আমরা মানব না। ১০ টাকার বাইরে এক টাকাও বেশি দিব না। যদি জিপি নেওয়া বন্ধ না হয় তাহলেক বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সিএনজি অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ সংবাদ পেয়ে বাগুর বাস স্ট্যাশনে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। চালকদের দাবি জিপি ৪০ টাকা করা হয়েছে। তারা আগে ১০- ২০ টাকা করে দিত, এখন অতিরিক্ত টাকা দেবে না। তাই তাদের টোল (জিপি) আদায় বন্ধ রেখে পৌর প্রশাসকের সাথে উভয় পক্ষের আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েই কোন রুটে কত টোল এবং ভাড়া হবে তা নির্ধারণের পরই কার্যক্রম শুরু হবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ পৌর টোল (জিপি) আদায় বন্ধের দাবিতে বাগুর এলাকায় সিএনজি চালকরা দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন। পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়, তবে দাবির পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন চালকেরা। আজ শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ পযর্ন্ত অবরোধ চলে।
সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং রোববার পৌর প্রশাসকের উপস্থিতিতে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেন এবং সমাধানের আগে আর কোন টোল (জিপি) আদায় না করার ইজারাদারদের পরামর্শ দেন।
সিএনজি অটোরিকশা চালক, যাত্রী ও পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টোল (জিপি) আদায়ের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও চাঁদাবাজের কারনে সাবেক সাংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ সিএনজি ও অটোচালকদের হয়রানি বন্ধে সিএনজি স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়া বন্ধ করে দেন।
পরবর্তীতে সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষা, সিএনজি/অটো নিয়নিত্রণে এবং যানজট নিরসনে লক্ষ্যে ৭টি সিএনজি, অটোরিকশা ও মাইক্রো-অ্যাম্ব্ল্যুান্স স্ট্যান্ড ইজারা দেওয়া হয়। গত ৩০ জুলাই পৌরসভা ৭ স্ট্যান্ড বিভিন্ন দামে প্রায় দেড় কোটি টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়।
ইজারাদারগন ৩১ জুলাই থেকে বিভিন্ন সড়কে ৩০ টাকা এবং ৪০ টাকা টোল আদায়ের কার্যক্রম শুরু করেন।
এ ক্ষেত্রে অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সড়কে যাত্রীদের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে সিএনজি-অটোচালকরা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে যাত্রীদের হয়রানি করার অভিযোগও বিস্তর রয়েছে।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জানান, ৭টি সিএনজি-অটো ও মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড ইজারার তথ্য দেয়া যাবে না। এখনো আমরা ইজারা প্রদানের তালিকা প্রস্তুত করতে পারিনি।
এ বিষয়ে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম, আ. আলীম, মো. রাজু, রবিউল, বিল্লাল, নজরুল ইসলাম জানান, আগে আমরা নিজেরাই যানজট নিরসনে লোক রেখেছিলাম এবং ১০ টাকা করে জিপি দিতাম। এখন নতুন করে আজ থেকে ৪০ টাকা টোল (জিপি) নিচ্ছে। তা আমরা মানব না। ১০ টাকার বাইরে এক টাকাও বেশি দিব না। যদি জিপি নেওয়া বন্ধ না হয় তাহলেক বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সিএনজি অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ সংবাদ পেয়ে বাগুর বাস স্ট্যাশনে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। চালকদের দাবি জিপি ৪০ টাকা করা হয়েছে। তারা আগে ১০- ২০ টাকা করে দিত, এখন অতিরিক্ত টাকা দেবে না। তাই তাদের টোল (জিপি) আদায় বন্ধ রেখে পৌর প্রশাসকের সাথে উভয় পক্ষের আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েই কোন রুটে কত টোল এবং ভাড়া হবে তা নির্ধারণের পরই কার্যক্রম শুরু হবে।