ক্ষোভে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সংবাদ সম্মেলন
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

১০ লাখ টাকা জরিমানাসহ দুটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এমবিসি ব্রিক্সফিল্ডের মালিক মো. সবুর ভূঁইয়া হাইকোর্টের কাগজ দেখিয়েও রক্ষা করতে পারেননি ইটভাটা। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই ক্ষোভ ঝাড়েন সংবাদ সম্মেলনে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবীদ্বার পৌর এলাকার পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয়। একই দিন দুপুর সোয়া একটায় পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়া ৩নং রসুলপুর ইউপি চেয়ারমান মো. শাহজাহান সরকারের একতা ব্রিক্স ফিল্ডটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দুটি ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের কিশোর কুমার দাসের নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ, মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজের মো. আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল ফায়ার সার্ভিস কর্মী, কুমিল্লা র্যাব-২ এর ডিএডি মো. মনসুর আহমেদের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য ও জেলা, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ছিলেন।
এমবিসি ব্রিক্সফিল্ডের মালিক সবুর ভূঁইয়া হাইকোর্টের কাগজ দেখিয়েও তার ব্রিক্স ফিল্ডটি রক্ষা করতে না পেরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সংবাদ সম্মেলনে ইটভাটার মালিক ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, আমি পরিবেশ ছাড়পত্রের জন্য হাইকোর্টে মামলা করেছি, আমার মামলা চলমান। প্রায় ৪৫ বছর ধরে এখানেই ইটভাটার ব্যবসা করে আসছি। আজ রাজনৈতিক প্রভাবে আমাকে পথে বসিয়েছেন, এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হলাম।

একতা ব্রিক্সের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, আমরা ব্রিক্স ফিল্ডটি সম্প্রতি ক্রয় করেছি, কাগজপত্রের জন্য আবেদনও করেছি। এরই মধ্যে ব্রিক্সফিল্ডটি ভেঙে ফেলায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হলাম।
এ ব্যপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান, আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে বা ব্যক্তি বিবেচনায় অভিযান পরিচালনা করছি না। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ২০১৩ সালের ১৫এর (১) ধারায় ২ টি ইটভাটার চুলার চিমনি এবং কাঁচা ইটগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার মো. ফয়সল উদ্দিন বলেন, দেবীদ্বারের ২৪ টি ইটভাটার মধ্যে ১৬টি ইটভাটার কোনো বৈধতা নেই, এমনকি পরিবেশ ছাড়পত্রও নেই। আজকের ২টি ইটভাটাসহ মোট ৭টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। বাকি ৮টি অবৈধ ইটভাটা পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করা হবে।

১০ লাখ টাকা জরিমানাসহ দুটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এমবিসি ব্রিক্সফিল্ডের মালিক মো. সবুর ভূঁইয়া হাইকোর্টের কাগজ দেখিয়েও রক্ষা করতে পারেননি ইটভাটা। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই ক্ষোভ ঝাড়েন সংবাদ সম্মেলনে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবীদ্বার পৌর এলাকার পানুয়ারপুল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয়। একই দিন দুপুর সোয়া একটায় পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়া ৩নং রসুলপুর ইউপি চেয়ারমান মো. শাহজাহান সরকারের একতা ব্রিক্স ফিল্ডটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দুটি ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের কিশোর কুমার দাসের নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ, মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজের মো. আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল ফায়ার সার্ভিস কর্মী, কুমিল্লা র্যাব-২ এর ডিএডি মো. মনসুর আহমেদের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য ও জেলা, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ছিলেন।
এমবিসি ব্রিক্সফিল্ডের মালিক সবুর ভূঁইয়া হাইকোর্টের কাগজ দেখিয়েও তার ব্রিক্স ফিল্ডটি রক্ষা করতে না পেরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সংবাদ সম্মেলনে ইটভাটার মালিক ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, আমি পরিবেশ ছাড়পত্রের জন্য হাইকোর্টে মামলা করেছি, আমার মামলা চলমান। প্রায় ৪৫ বছর ধরে এখানেই ইটভাটার ব্যবসা করে আসছি। আজ রাজনৈতিক প্রভাবে আমাকে পথে বসিয়েছেন, এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হলাম।

একতা ব্রিক্সের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, আমরা ব্রিক্স ফিল্ডটি সম্প্রতি ক্রয় করেছি, কাগজপত্রের জন্য আবেদনও করেছি। এরই মধ্যে ব্রিক্সফিল্ডটি ভেঙে ফেলায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হলাম।
এ ব্যপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান, আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে বা ব্যক্তি বিবেচনায় অভিযান পরিচালনা করছি না। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ২০১৩ সালের ১৫এর (১) ধারায় ২ টি ইটভাটার চুলার চিমনি এবং কাঁচা ইটগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার মো. ফয়সল উদ্দিন বলেন, দেবীদ্বারের ২৪ টি ইটভাটার মধ্যে ১৬টি ইটভাটার কোনো বৈধতা নেই, এমনকি পরিবেশ ছাড়পত্রও নেই। আজকের ২টি ইটভাটাসহ মোট ৭টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। বাকি ৮টি অবৈধ ইটভাটা পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করা হবে।