দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ঈদ বোনাসের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক দপ্তরি উপজেলা শিক্ষা অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেও ঈদ বোনাসের দাবি আদায় করতে পারেননি। ৬ ঘণ্টা পর খালি হাতে বাড়ি ফিরলেন অশ্রæসিক্ত হয়ে।
আজ রোববার সকাল ১০টায় দেবীদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরি কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে উপজেলার ১৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৪ বিদ্যালয়ের দপ্তরীরা ঈদ বোনাসের দাবিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কোনো ধরনের আশ্বাস না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যান। সেখানেও ঈদ বোনাস প্রাপ্তির আশ্বাস না পেয়ে বিকেল ৩টায় অশ্রুসিক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেন তারা।
দেবীদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরি কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে আমাদের মাসিক বেতনের অর্ধেক ঈদ বোনাস এবং বৈশাখী ভাতা ২০% হারে দেয়ার নির্দেশ থাকলেও আমাদের কোন ভাতা দেয়া হয়নি। ফলে সন্তান ও পরিবার পরিজন নিয়ে এবার ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলাম।
তিনি আরো জানান, কুমিল্লার ১৭ টি উপজেলার মধ্যে মুরাদনগর, ব্রাহ্মণপাড়া, হোমনা, মনোহরগঞ্জ, মেঘনা উপজেলাসহ ৫ উপজেলার দপ্তরিরা ঈদ বোনাস পেয়েছেন। দেবীদ্বারের শিক্ষা অফিসার ২০১৯ সালের একটি পরিপত্র দেখিয়ে আমাদের বোনাস আটকে দেন।
দপ্তরি কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মো. সালাউদ্দিন বলেন, আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেছি, শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। আমরা শিক্ষা অফিসার ও ইউএনওর সঙ্গে কথা বলেও বোনাস না পেয়ে ফিরতে হলো।
দপ্তরি মেশাররফ হোসেন ফুফিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার ছেলে বলে, বাবা তুমি কি চাকরি করো, সন্তানদের একটি জামা কিনে দিতে পার না। আমি বলেছি বোনাসের জন্য যাচ্ছি, ফিরে এসে তোমাদের সব আশা পূরণ করব।
চাটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. শাহজাহান সরকার বলেন, আমরা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (অর্থ) সেলিনা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি জানান, অধিদপ্তর থেকে মৌখিক নির্দেশনা ছিল যে, বৈশাখী ভাতা এবং ঈদবোনাস স্থগিত রাখতে। এক্ষেত্রে লিখিত কোনো পরিপত্র জারি করা হয়নি। আপনারা স্থানীয় শিক্ষা অফিসারকে বলবেন আমার সাথে যোগাযোগ করতে, আমি বলে দেব আপনাদের বোনাস দিতে। অনেক অনুরোধ করেও শিক্ষা অফিসারকে দিয়ে সহকারী পরিচালকের সাথে কথা বলাতে পারি নাই। পরে ইউএনও সাহেবকে দিয়ে চেষ্টা করি, তিনিও ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে পারেননি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আজ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জুম মিটিংয়ে এ বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা দেননি। শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৯ সালের একটি পরিপত্র দেখিয়ে বলেন, তাদের চাকরি চুক্তি ভিত্তিক, যতদিন কাজ করবে ততদিন বেতন পাবে। এখানে ভাতা বা বোনাস উল্লেখ নেই। ২০২৫ সালের ২৪ মের শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি পরিপত্রে বৈশাখী ভাতা এবং ঈদ বোনাসের কথা উল্লেখ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এ পরিপত্র আমি পাইনি। কুমিল্লার আরো ৫ উপজেলা ঈদবোনাস পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অঙ্গীকারনামা রেখে বোনাস ভাতা দেয়ার বৈধতা নেই, আগে পেয়ে থাকলেও এখন নিষেধ আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শিক্ষা অধিদপ্তরের। যেহেতু কুমিল্লার আরো ৫টি উপজেলা বোনাস পেয়েছে, তাই ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কথা বলতে পারিনি।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ঈদ বোনাসের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক দপ্তরি উপজেলা শিক্ষা অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেও ঈদ বোনাসের দাবি আদায় করতে পারেননি। ৬ ঘণ্টা পর খালি হাতে বাড়ি ফিরলেন অশ্রæসিক্ত হয়ে।
আজ রোববার সকাল ১০টায় দেবীদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরি কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে উপজেলার ১৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৪ বিদ্যালয়ের দপ্তরীরা ঈদ বোনাসের দাবিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কোনো ধরনের আশ্বাস না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যান। সেখানেও ঈদ বোনাস প্রাপ্তির আশ্বাস না পেয়ে বিকেল ৩টায় অশ্রুসিক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেন তারা।
দেবীদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরি কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে আমাদের মাসিক বেতনের অর্ধেক ঈদ বোনাস এবং বৈশাখী ভাতা ২০% হারে দেয়ার নির্দেশ থাকলেও আমাদের কোন ভাতা দেয়া হয়নি। ফলে সন্তান ও পরিবার পরিজন নিয়ে এবার ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলাম।
তিনি আরো জানান, কুমিল্লার ১৭ টি উপজেলার মধ্যে মুরাদনগর, ব্রাহ্মণপাড়া, হোমনা, মনোহরগঞ্জ, মেঘনা উপজেলাসহ ৫ উপজেলার দপ্তরিরা ঈদ বোনাস পেয়েছেন। দেবীদ্বারের শিক্ষা অফিসার ২০১৯ সালের একটি পরিপত্র দেখিয়ে আমাদের বোনাস আটকে দেন।
দপ্তরি কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মো. সালাউদ্দিন বলেন, আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেছি, শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। আমরা শিক্ষা অফিসার ও ইউএনওর সঙ্গে কথা বলেও বোনাস না পেয়ে ফিরতে হলো।
দপ্তরি মেশাররফ হোসেন ফুফিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার ছেলে বলে, বাবা তুমি কি চাকরি করো, সন্তানদের একটি জামা কিনে দিতে পার না। আমি বলেছি বোনাসের জন্য যাচ্ছি, ফিরে এসে তোমাদের সব আশা পূরণ করব।
চাটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি মো. শাহজাহান সরকার বলেন, আমরা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (অর্থ) সেলিনা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি জানান, অধিদপ্তর থেকে মৌখিক নির্দেশনা ছিল যে, বৈশাখী ভাতা এবং ঈদবোনাস স্থগিত রাখতে। এক্ষেত্রে লিখিত কোনো পরিপত্র জারি করা হয়নি। আপনারা স্থানীয় শিক্ষা অফিসারকে বলবেন আমার সাথে যোগাযোগ করতে, আমি বলে দেব আপনাদের বোনাস দিতে। অনেক অনুরোধ করেও শিক্ষা অফিসারকে দিয়ে সহকারী পরিচালকের সাথে কথা বলাতে পারি নাই। পরে ইউএনও সাহেবকে দিয়ে চেষ্টা করি, তিনিও ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে পারেননি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আজ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জুম মিটিংয়ে এ বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা দেননি। শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৯ সালের একটি পরিপত্র দেখিয়ে বলেন, তাদের চাকরি চুক্তি ভিত্তিক, যতদিন কাজ করবে ততদিন বেতন পাবে। এখানে ভাতা বা বোনাস উল্লেখ নেই। ২০২৫ সালের ২৪ মের শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি পরিপত্রে বৈশাখী ভাতা এবং ঈদ বোনাসের কথা উল্লেখ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এ পরিপত্র আমি পাইনি। কুমিল্লার আরো ৫ উপজেলা ঈদবোনাস পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অঙ্গীকারনামা রেখে বোনাস ভাতা দেয়ার বৈধতা নেই, আগে পেয়ে থাকলেও এখন নিষেধ আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শিক্ষা অধিদপ্তরের। যেহেতু কুমিল্লার আরো ৫টি উপজেলা বোনাস পেয়েছে, তাই ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কথা বলতে পারিনি।