বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে ঝগড়া
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে দুইপক্ষের ঝগড়ায় ছুরিকাঘাতে দিন মজুর নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের এনু মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিনমজুর সফিকুল ইসলাম (৪৫) বারুর গ্রামের প্রয়াত মহাজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সফিক বাঁশের পণ্য তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির পাশে বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় ওই বাড়ির প্রয়াত এনু মেম্বারের ছেলে লিমন (৪৭) এবং লিমনের বড় ভাই নজরুল ইসলামের ছেলে নিশাদ (২৬) বাঁশ কাটতে বাধা দেয়। এ সময় সফিকুল তাঁর নিজের বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটছে বলে দাবি করেন। প্রথমে তর্কাতর্কি, পরে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ের দা, ছোরা ও হাতুড়ি নিয়ে সফিকের ওপর হামলা চালায় লিমন ও নিশাদ। নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এবং দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় লিমন তাঁর হাতের ছোরা দিয়ে পেটে সজোরে আঘাত করে। স্থানীয়রা সফিকের পেট গামছা দিয়ে বেঁধে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী নার্গিস আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে আমার চোখের সামনে লিমন ও নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত থেতলে দেয়। তাঁরা দা দিয়ে কুপিয়ে পরে ছুরি দিয়ে পেট কেটে হত্যা করে। আমি কিছুই করতে পারলাম না।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাঁশ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের ঝগড়ায় সফিক নামে এক দিনমজুর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে দুইপক্ষের ঝগড়ায় ছুরিকাঘাতে দিন মজুর নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের এনু মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিনমজুর সফিকুল ইসলাম (৪৫) বারুর গ্রামের প্রয়াত মহাজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সফিক বাঁশের পণ্য তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির পাশে বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় ওই বাড়ির প্রয়াত এনু মেম্বারের ছেলে লিমন (৪৭) এবং লিমনের বড় ভাই নজরুল ইসলামের ছেলে নিশাদ (২৬) বাঁশ কাটতে বাধা দেয়। এ সময় সফিকুল তাঁর নিজের বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটছে বলে দাবি করেন। প্রথমে তর্কাতর্কি, পরে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ের দা, ছোরা ও হাতুড়ি নিয়ে সফিকের ওপর হামলা চালায় লিমন ও নিশাদ। নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এবং দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় লিমন তাঁর হাতের ছোরা দিয়ে পেটে সজোরে আঘাত করে। স্থানীয়রা সফিকের পেট গামছা দিয়ে বেঁধে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী নার্গিস আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে আমার চোখের সামনে লিমন ও নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত থেতলে দেয়। তাঁরা দা দিয়ে কুপিয়ে পরে ছুরি দিয়ে পেট কেটে হত্যা করে। আমি কিছুই করতে পারলাম না।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাঁশ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের ঝগড়ায় সফিক নামে এক দিনমজুর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।