এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

প্রবীণ সাংবাদিক, শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল হকের জানাজা আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় দেবীদ্বার ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় বাঙ্গরা বাজার উপজেলার বাইড়া মোহাম্মদ আরিফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা হয়। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সালাম (গার্ড অব অনার) প্রদান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে, বাঙ্গরা উপজেলার বাইড়া মোহাম্মদ আরিফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, দেবীদ্বার মাদ্রাসাপাড়ার জয়ভেরি হাউসের বাসিন্দা, জয়ভেরী পত্রিকার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক শহিদুল হক গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, লিভার ও কিডনিজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সুফিয়া আক্তার হক, চার ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন।
বাবা ও অভিভাবক হিসেবেও সফল ছিলেন সহিদুল হক। তাঁর চার ছেলের মধ্যে যথাক্রমে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. নোমানুল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সিলর মো. নাজমুল হক, ময়মনসিংহ জেলার টুরিস্ট বিভাগের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নাইমুল হক, তিতুমীর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. নাদিমুল হক। তিন মেয়ের মধ্যে সবুজবাগ সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক রায়হান কলি, আমেরিকা চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ডা. রোমানা কান্তা এবং মাউশির গবেষণা কর্মকর্তা রোকসানা কণাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মরহুম সহিদুল হক কর্মজীবনের শুরুতে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা জীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক সংগঠন এবং পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি দেবীদ্বার-মুরাদনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি, মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি, মানবাধিকার কমিশন দেবীদ্বার শাখার সভাপতি, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর পরিচালক এবং কুমিল্লা জেলা সম্পাদক পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত ‘মাসিক জয়ভেরি’ ও সাপ্তাহিক সভ্যতা পত্রিকার সম্পাদক পদে ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার মুরাদনগর প্রতিনিধি ছিলেন।
সাংবাদিক সহিদুল হক ১৯৪৪ সালে বাঙ্গরা উপজেলার আন্দিকুট ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম সামসুল হক মাস্টার ছিলেন এলাকার আলোকিত শিক্ষক। পরবর্তীতে তিনি বাইরা গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সন্তানদের শিক্ষালাভে এবং সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর দেবীদ্বার সদরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
দেবীদ্বারে প্রথম জানাযার পূর্বে মরহুমের জীবনকর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক আলোকপাত করেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, েেদবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম, দেবীদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন। জানাযার নামাজ পড়ান হাফেজ মাওলানা রাসেদুল আলম।

প্রবীণ সাংবাদিক, শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল হকের জানাজা আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় দেবীদ্বার ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় বাঙ্গরা বাজার উপজেলার বাইড়া মোহাম্মদ আরিফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা হয়। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সালাম (গার্ড অব অনার) প্রদান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে, বাঙ্গরা উপজেলার বাইড়া মোহাম্মদ আরিফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, দেবীদ্বার মাদ্রাসাপাড়ার জয়ভেরি হাউসের বাসিন্দা, জয়ভেরী পত্রিকার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক শহিদুল হক গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, লিভার ও কিডনিজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সুফিয়া আক্তার হক, চার ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন।
বাবা ও অভিভাবক হিসেবেও সফল ছিলেন সহিদুল হক। তাঁর চার ছেলের মধ্যে যথাক্রমে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. নোমানুল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সিলর মো. নাজমুল হক, ময়মনসিংহ জেলার টুরিস্ট বিভাগের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নাইমুল হক, তিতুমীর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. নাদিমুল হক। তিন মেয়ের মধ্যে সবুজবাগ সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক রায়হান কলি, আমেরিকা চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ডা. রোমানা কান্তা এবং মাউশির গবেষণা কর্মকর্তা রোকসানা কণাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মরহুম সহিদুল হক কর্মজীবনের শুরুতে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা জীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক সংগঠন এবং পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি দেবীদ্বার-মুরাদনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি, মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি, মানবাধিকার কমিশন দেবীদ্বার শাখার সভাপতি, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর পরিচালক এবং কুমিল্লা জেলা সম্পাদক পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত ‘মাসিক জয়ভেরি’ ও সাপ্তাহিক সভ্যতা পত্রিকার সম্পাদক পদে ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার মুরাদনগর প্রতিনিধি ছিলেন।
সাংবাদিক সহিদুল হক ১৯৪৪ সালে বাঙ্গরা উপজেলার আন্দিকুট ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম সামসুল হক মাস্টার ছিলেন এলাকার আলোকিত শিক্ষক। পরবর্তীতে তিনি বাইরা গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সন্তানদের শিক্ষালাভে এবং সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর দেবীদ্বার সদরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
দেবীদ্বারে প্রথম জানাযার পূর্বে মরহুমের জীবনকর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক আলোকপাত করেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, েেদবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম, দেবীদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন। জানাযার নামাজ পড়ান হাফেজ মাওলানা রাসেদুল আলম।