লাল পতাকা দেখে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেন লোকোমাস্টার, মুহূর্তেই দুর্ঘটনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাঙ্গলকোটের নাওটী স্টেশনের অদূরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ঢাকামুখী লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিছু সময় পর অন্য লাইনগুলো দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।
ট্রেনে থাকা একাধিক যাত্রী জানান, ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের পর নাঙ্গলকোট স্টেশন ছেড়ে আসে। নাওটী স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনটির তিনটি বগি বাজেভাবে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এ সময় ট্রেনে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একাধিক যাত্রী মাথাসহ বিভিন্নস্থানে আঘাত পান। কয়েকজনের মাথা ফেটে যায়। হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে আহত হন আরও কয়েকজন যাত্রী।
ট্রেনে থাকা যাত্রী নাহিদা আক্তার বলেন, চলতি পথে হঠাৎ তীব্র শব্দ হয়। এরপর একজনের গায়ে আরেকজন কাত হয়ে পড়ে। কয়েকজন পদপৃষ্ঠ হয়। তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে দেখি ধোঁয়া বের হচ্ছে।

ট্রেনযাত্রী নাজমা আক্তার বলেন, আমরা কুমিল্লায় যাচ্ছিলাম। দুর্ঘটনার পর আমার মেয়ে বগির মেঝেতে ছিটকে পড়ে। এরপর সে পদপৃষ্ঠ হয়ে প্রচণ্ড ব্যথা পায়। কয়েকবার বমিও করে।
এদিকে ট্রেনটির চালক (লোকোমাস্টার) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমাকে লাকসাম স্টেশন বা অন্য কোনো জায়গা থেকে সিগন্যাল দেওয়া হয়নি। আমি ওই লাইন ক্লিয়ার পেয়ে সেখানে ঢুকে পড়ি। হঠাৎ দেখতে পাই লাল পতাকা। মাত্র ১০০ গজ দূরে ট্রেন। এরমধ্যেই ট্রেনের ব্রেক কষলে বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
নাঙ্গলকোট রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার জামাল হোসেন বলেন, আমাদেরকে প্রকৌশল বিভাগ থেকে অবগত করা হয়নি। সে কারণে আমরা লাইন ক্লিয়ার দিয়ে দিই।
লাকসাম রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক বলেন, আমাদেরকে প্রকৌশল সেকশন থেকে অবগত করা হয়নি। সে কারণে নাঙ্গলকোট স্টেশন থেকে লাইন ক্লিয়ার পাওয়ার পর আমরাও গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে দিই। নিয়ম হলো লাকসাম ও নাঙ্গলকোটের স্টেশন মাস্টারকে প্রকৌশল বিভাগ থেকে জানানোর। তারা তা করেনি।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে রেলওেয়ে পূর্বাঞ্চলের পরিবহন কর্মকর্তাকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটি বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করবে দেখবে।
তিনি বলেন, লাকসাম থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন লাইনচ্যুত না হওয়া বগিগুলোকে নিয়ে নাঙ্গলকোট স্টেশনে পৌঁছায়। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তা ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। লাইনচ্যুত চারটি বগি ঘটনাস্থলে রয়েছে। সেগুলো উদ্ধারে কাজ চলছে।
এ বিষয়ে জানতে রেলওয়ে ফেনীর উপ-নির্বাহী প্রকৌশলী জয়দেব শীলের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কুমিল্লায় কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাঙ্গলকোটের নাওটী স্টেশনের অদূরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ঢাকামুখী লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিছু সময় পর অন্য লাইনগুলো দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।
ট্রেনে থাকা একাধিক যাত্রী জানান, ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের পর নাঙ্গলকোট স্টেশন ছেড়ে আসে। নাওটী স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনটির তিনটি বগি বাজেভাবে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এ সময় ট্রেনে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একাধিক যাত্রী মাথাসহ বিভিন্নস্থানে আঘাত পান। কয়েকজনের মাথা ফেটে যায়। হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে আহত হন আরও কয়েকজন যাত্রী।
ট্রেনে থাকা যাত্রী নাহিদা আক্তার বলেন, চলতি পথে হঠাৎ তীব্র শব্দ হয়। এরপর একজনের গায়ে আরেকজন কাত হয়ে পড়ে। কয়েকজন পদপৃষ্ঠ হয়। তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে দেখি ধোঁয়া বের হচ্ছে।

ট্রেনযাত্রী নাজমা আক্তার বলেন, আমরা কুমিল্লায় যাচ্ছিলাম। দুর্ঘটনার পর আমার মেয়ে বগির মেঝেতে ছিটকে পড়ে। এরপর সে পদপৃষ্ঠ হয়ে প্রচণ্ড ব্যথা পায়। কয়েকবার বমিও করে।
এদিকে ট্রেনটির চালক (লোকোমাস্টার) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমাকে লাকসাম স্টেশন বা অন্য কোনো জায়গা থেকে সিগন্যাল দেওয়া হয়নি। আমি ওই লাইন ক্লিয়ার পেয়ে সেখানে ঢুকে পড়ি। হঠাৎ দেখতে পাই লাল পতাকা। মাত্র ১০০ গজ দূরে ট্রেন। এরমধ্যেই ট্রেনের ব্রেক কষলে বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
নাঙ্গলকোট রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার জামাল হোসেন বলেন, আমাদেরকে প্রকৌশল বিভাগ থেকে অবগত করা হয়নি। সে কারণে আমরা লাইন ক্লিয়ার দিয়ে দিই।
লাকসাম রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক বলেন, আমাদেরকে প্রকৌশল সেকশন থেকে অবগত করা হয়নি। সে কারণে নাঙ্গলকোট স্টেশন থেকে লাইন ক্লিয়ার পাওয়ার পর আমরাও গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে দিই। নিয়ম হলো লাকসাম ও নাঙ্গলকোটের স্টেশন মাস্টারকে প্রকৌশল বিভাগ থেকে জানানোর। তারা তা করেনি।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে রেলওেয়ে পূর্বাঞ্চলের পরিবহন কর্মকর্তাকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটি বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করবে দেখবে।
তিনি বলেন, লাকসাম থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন লাইনচ্যুত না হওয়া বগিগুলোকে নিয়ে নাঙ্গলকোট স্টেশনে পৌঁছায়। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তা ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। লাইনচ্যুত চারটি বগি ঘটনাস্থলে রয়েছে। সেগুলো উদ্ধারে কাজ চলছে।
এ বিষয়ে জানতে রেলওয়ে ফেনীর উপ-নির্বাহী প্রকৌশলী জয়দেব শীলের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।