নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপির মনোনীত ১১-দলীয় ঐক্য জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজ আর মাদক ব্যবসায়ীদের ঘুম হারাম করে দেব। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এজন্য আপনাদের আমাকে দায়িত্ব দিতে হবে। ভোট দিতে হবে। আপনারাই আমাদের জেতাতে পারেন।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের মরিচা এলাকায় এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
হাসনাত বলেন, ভোট দুই ধরনের হতে পারে। এক ধরনের ভোট হয় চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের নিয়ে— যেখানে তারা ভোটের বিনিময়ে নিরাপত্তা চায়। আরেক ধরনের ভোট হচ্ছে জনগণের কাছে যাওয়া।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমার দায়িত্ব নেন, তাহলে ঋণখেলাপিদের দাউদকান্দির ওই দিকে ঢুকতে দেব না। জনগণ আমার দায়িত্ব নিলে হয় মাদক ব্যবসায়ী, না হলে আমি দেবীদ্বারে থাকব।’
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের শেষবারের মতো সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি। ভুল থেকে ফিরে আসুন। কর্মসংস্থানের দরকার হলে আমাদের জানান। দোকান বা গরু কিনে দেব, যেন বৈধভাবে জীবনযাপন করতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি মাদক সিন্ডিকেট চালানোর চেষ্টা করেন, তাহলে আপনাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, ‘অতীতে অনেক নেতা নির্বাচনের আগে এসে সহায়তার আশ্বাস দিতেন, কিন্তু নির্বাচিত হলে পাঁচ বছর আর খোঁজ পাওয়া যেত না। আমি আপনাদের সাহায্য করতে আসিনি, আমি আপনাদের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছি। প্রথম ১৫ দিন আপনারা আমাকে হেল্প করবেন, আর পরের পাঁচ বছর আমি আপনাদের পাশে থাকব।’
নারীদের ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ এবার আমাদের মায়েদের, খালাদের, চাচিদের, বোনদের ভোটেই আমরা সংসদে যাব। নারীরা একবার কথা দিলে সেটা কখনো ভাঙে না।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, দেবীদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, দেবীদ্বার উপজেলা এনসিপি ভারপ্রাপ্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকারসহ স্থানীয় জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপির মনোনীত ১১-দলীয় ঐক্য জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজ আর মাদক ব্যবসায়ীদের ঘুম হারাম করে দেব। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এজন্য আপনাদের আমাকে দায়িত্ব দিতে হবে। ভোট দিতে হবে। আপনারাই আমাদের জেতাতে পারেন।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের মরিচা এলাকায় এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
হাসনাত বলেন, ভোট দুই ধরনের হতে পারে। এক ধরনের ভোট হয় চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের নিয়ে— যেখানে তারা ভোটের বিনিময়ে নিরাপত্তা চায়। আরেক ধরনের ভোট হচ্ছে জনগণের কাছে যাওয়া।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমার দায়িত্ব নেন, তাহলে ঋণখেলাপিদের দাউদকান্দির ওই দিকে ঢুকতে দেব না। জনগণ আমার দায়িত্ব নিলে হয় মাদক ব্যবসায়ী, না হলে আমি দেবীদ্বারে থাকব।’
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের শেষবারের মতো সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি। ভুল থেকে ফিরে আসুন। কর্মসংস্থানের দরকার হলে আমাদের জানান। দোকান বা গরু কিনে দেব, যেন বৈধভাবে জীবনযাপন করতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি মাদক সিন্ডিকেট চালানোর চেষ্টা করেন, তাহলে আপনাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, ‘অতীতে অনেক নেতা নির্বাচনের আগে এসে সহায়তার আশ্বাস দিতেন, কিন্তু নির্বাচিত হলে পাঁচ বছর আর খোঁজ পাওয়া যেত না। আমি আপনাদের সাহায্য করতে আসিনি, আমি আপনাদের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছি। প্রথম ১৫ দিন আপনারা আমাকে হেল্প করবেন, আর পরের পাঁচ বছর আমি আপনাদের পাশে থাকব।’
নারীদের ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ এবার আমাদের মায়েদের, খালাদের, চাচিদের, বোনদের ভোটেই আমরা সংসদে যাব। নারীরা একবার কথা দিলে সেটা কখনো ভাঙে না।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, দেবীদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, দেবীদ্বার উপজেলা এনসিপি ভারপ্রাপ্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকারসহ স্থানীয় জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।