হোমনা প্রতিনিধি

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ জনে। আজ সোমবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে নিখোঁজের চার দিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় দুর্ঘটনাজনিত একটি মামলা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের নিখোঁজ তিন ভাইবোনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)।
এ ছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা। নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ে সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে আসছিলেন ১৩ আত্মীয়স্বজন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা আট জনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন চার জন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরও তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ট্রলারটিতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী তোলা হয়েছিল। এতে ১৩ জন যাত্রী, দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। ওই অবস্থায় নদী পার হওয়ার সময় ঝড় শুরু হলে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ছাড়া দুর্ঘটনার সময় ট্রলারের পাশে একটি নৌযান সহযোগিতা করতে চাইলেও ট্রলারের মাঝি কোনো সহযোগিতা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ জনে। আজ সোমবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে নিখোঁজের চার দিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় দুর্ঘটনাজনিত একটি মামলা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের নিখোঁজ তিন ভাইবোনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)।
এ ছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা। নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ে সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে আসছিলেন ১৩ আত্মীয়স্বজন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা আট জনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন চার জন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরও তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ট্রলারটিতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী তোলা হয়েছিল। এতে ১৩ জন যাত্রী, দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। ওই অবস্থায় নদী পার হওয়ার সময় ঝড় শুরু হলে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ছাড়া দুর্ঘটনার সময় ট্রলারের পাশে একটি নৌযান সহযোগিতা করতে চাইলেও ট্রলারের মাঝি কোনো সহযোগিতা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।