কলেজের পাঠদান ব্যাহত
নিজস্ব প্রতিবেদক

সকাল সাতটা থেকে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত শিশু শিক্ষার্থীদের কোলাহল। চলে পাঠদান। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় কলেজের তিনতলা বিশিষ্ট একটি ভবন। এই ভবনেই পরিচালিত হয় ‘কলেজিয়েট কিন্ডারগার্টেন’। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজের একটি ভবন ব্যবহার করে বছরের পর বছর কিন্ডারগার্টেন চালানো হচ্ছে। এতে করে কলেজের অনার্স ও ডিগ্রি শাখার শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে সেখানে কিন্ডারগার্টেন চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা বছরের পর বছর কোনো ধরনের ভাড়া দিত না। কলেজ কর্তৃপক্ষের চাপে নামমাত্র বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে।
জানতে চাইলে কলেজের কিন্ডারগার্টেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. শফিকুর ইসলাম গতকাল রোববার রাতে আমার শহরকে বলেন, এই কিন্ডারগার্টেনে ১৩০ জন শিক্ষার্থী আছে। এটা নিয়ে একটু ঝামেলা হচ্ছে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরকার মো. মইনুল হোসেন বলেন, গত ৩০ বছর ধরে এই কলেজে কিন্ডারগার্টেন চলছে। এত বছর কোনো অসুবিধা হয়নি। এখনও অসুবিধা নেই।
চলতি বছরের ৩০ জুন অধ্যক্ষ লোকমান হোসেন অবসরে যান। তবে তিনি ২০ জুন থেকে কলেজে ঢুকতে পারেননি। কলেজের কিন্ডারগার্টেনের বিরোধিতা করায় একটি মহল তাঁকে জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে হয়রানি করে। বর্তমানে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিন্ডারগার্টেন পরিচালনা করা হচ্ছে।
কলেজের অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী বলেন, কলেজের ভেতর কিন্ডারগার্টেন থাকবে কেন? আমার সেটি সরানোর দাবি জানাচ্ছি।
১৯৮৬ সালে প্রায় চার একর জায়গা নিয়ে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। এই কলেজের ১৬ জন এমপিও শিক্ষক ও সাতজন খণ্ডকালীন শিক্ষক আছেন। এ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স আছে। আছে বিএ, বিএসএস ও বিবিএস। খণ্ডকালীন শিক্ষকদের চারজনকে ১০ হাজার টাকা করে ও তিনজনকে ১৫ হাজার টাকা করে মাসে দিতে হয়। কিন্ডারগার্টেন থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে তিন হাজার টাকা করে পাচ্ছে।

সকাল সাতটা থেকে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত শিশু শিক্ষার্থীদের কোলাহল। চলে পাঠদান। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় কলেজের তিনতলা বিশিষ্ট একটি ভবন। এই ভবনেই পরিচালিত হয় ‘কলেজিয়েট কিন্ডারগার্টেন’। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজের একটি ভবন ব্যবহার করে বছরের পর বছর কিন্ডারগার্টেন চালানো হচ্ছে। এতে করে কলেজের অনার্স ও ডিগ্রি শাখার শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে সেখানে কিন্ডারগার্টেন চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা বছরের পর বছর কোনো ধরনের ভাড়া দিত না। কলেজ কর্তৃপক্ষের চাপে নামমাত্র বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে।
জানতে চাইলে কলেজের কিন্ডারগার্টেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. শফিকুর ইসলাম গতকাল রোববার রাতে আমার শহরকে বলেন, এই কিন্ডারগার্টেনে ১৩০ জন শিক্ষার্থী আছে। এটা নিয়ে একটু ঝামেলা হচ্ছে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরকার মো. মইনুল হোসেন বলেন, গত ৩০ বছর ধরে এই কলেজে কিন্ডারগার্টেন চলছে। এত বছর কোনো অসুবিধা হয়নি। এখনও অসুবিধা নেই।
চলতি বছরের ৩০ জুন অধ্যক্ষ লোকমান হোসেন অবসরে যান। তবে তিনি ২০ জুন থেকে কলেজে ঢুকতে পারেননি। কলেজের কিন্ডারগার্টেনের বিরোধিতা করায় একটি মহল তাঁকে জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে হয়রানি করে। বর্তমানে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিন্ডারগার্টেন পরিচালনা করা হচ্ছে।
কলেজের অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী বলেন, কলেজের ভেতর কিন্ডারগার্টেন থাকবে কেন? আমার সেটি সরানোর দাবি জানাচ্ছি।
১৯৮৬ সালে প্রায় চার একর জায়গা নিয়ে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। এই কলেজের ১৬ জন এমপিও শিক্ষক ও সাতজন খণ্ডকালীন শিক্ষক আছেন। এ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স আছে। আছে বিএ, বিএসএস ও বিবিএস। খণ্ডকালীন শিক্ষকদের চারজনকে ১০ হাজার টাকা করে ও তিনজনকে ১৫ হাজার টাকা করে মাসে দিতে হয়। কিন্ডারগার্টেন থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে তিন হাজার টাকা করে পাচ্ছে।