নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারডুবির নিখোঁজের দুইদিন পর দুই ভাই- এক বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন।
আজ শনিবার সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন (৫৫)। নিহতরা হলেন- হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজীব (২৪), মেয়ে সামিয়া (১৭) ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে সামিন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামের উদ্দেশে ট্রলারে করে রওনা দেন হেলাল উদ্দিনের পরিবারসহ অন্যরা। ট্রলারে গরু-ছাগলসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন।
বৈদ্যেরবাজারের দিকে যাওয়ার পথে বিকেল আনুমানিক ২টার দিকে সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়।
ট্রলারডুবির পর আটজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে কাছাকাছি থাকা আমান কোম্পানির একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে হেলাল উদ্দিন এবং তার ছেলে সজীব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন নিখোঁজ থাকেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত ডুবুরি দল মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ওই দিন নিখোঁজ চারজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ সময় ডুবে যাওয়া ট্রলার এবং গরু-ছাগল উদ্ধার করা হয়। এরপর শনিবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। মেঘনা নদীতে সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে।
পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সজীব ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করে। সকালে বৈদ্যেরবাজার নদী থেকে তাদের মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও হেলাল উদ্দিন নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
সামিয়ার মামা হায়াত মিয়া বলেন, সকালে মেঘনা নদীতে সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সজীব ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করেন। স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লার হোমনা শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নিজ এলাকায় তিনজনের মরদেহ জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারডুবির নিখোঁজের দুইদিন পর দুই ভাই- এক বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন।
আজ শনিবার সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন (৫৫)। নিহতরা হলেন- হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজীব (২৪), মেয়ে সামিয়া (১৭) ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে সামিন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামের উদ্দেশে ট্রলারে করে রওনা দেন হেলাল উদ্দিনের পরিবারসহ অন্যরা। ট্রলারে গরু-ছাগলসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন।
বৈদ্যেরবাজারের দিকে যাওয়ার পথে বিকেল আনুমানিক ২টার দিকে সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়।
ট্রলারডুবির পর আটজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে কাছাকাছি থাকা আমান কোম্পানির একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে হেলাল উদ্দিন এবং তার ছেলে সজীব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন নিখোঁজ থাকেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত ডুবুরি দল মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ওই দিন নিখোঁজ চারজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ সময় ডুবে যাওয়া ট্রলার এবং গরু-ছাগল উদ্ধার করা হয়। এরপর শনিবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। মেঘনা নদীতে সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে।
পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সজীব ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করে। সকালে বৈদ্যেরবাজার নদী থেকে তাদের মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও হেলাল উদ্দিন নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
সামিয়ার মামা হায়াত মিয়া বলেন, সকালে মেঘনা নদীতে সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সজীব ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করেন। স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লার হোমনা শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নিজ এলাকায় তিনজনের মরদেহ জানাজা শেষে দাফন করা হয়।