হোমনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশা থামিয়ে এক স্বামীর কাছে থেকে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ| গত বুধবার রাতে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে| গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মামলা দায়েরের পর পুলিশ দ্রুত অভিযানে চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে|
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার ওপারের গ্রামের মো. সিয়াম (২১), মো. রিফাত (২২) ও শরীফ মিয়া (২০)| তারা সবাই উপজেলার ওপারচর গ্রামের বাসিন্দা|
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণে সহায়তার কথা স্বীকার করেছে| তারা পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার সময় মোট সাতজন ছিলেন|
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন| গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা একটি অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন| পথে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমানের (২৪) নেতৃত্বে ৬-৭ জন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের পথরোধ করে|
অভিযুক্তরা জোরপূর্বক অটোরিকশাটিকে ছিনাইয়া মোড় থেকে একটি নির্জন ইটের রাস্তার ওপর নিয়ে যায়| সেখানে আশিকুর রহমান ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখে এবং বাকিরা তাঁর স্বামী ও অটোচালককে মারধর করে দূরে সরিয়ে দেয়| এই সুযোগে আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে|
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে| তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে| প্রধান অভিযুক্ত আশিকুর রহমানসহ বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে|
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মো. শহিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালে এসেছিলেন| ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্পট ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে|
তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আনিস উদ্দিন বলেন, অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না| জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে, দ্রুতই পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় আনা হবে|

কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশা থামিয়ে এক স্বামীর কাছে থেকে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ| গত বুধবার রাতে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে| গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মামলা দায়েরের পর পুলিশ দ্রুত অভিযানে চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে|
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার ওপারের গ্রামের মো. সিয়াম (২১), মো. রিফাত (২২) ও শরীফ মিয়া (২০)| তারা সবাই উপজেলার ওপারচর গ্রামের বাসিন্দা|
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণে সহায়তার কথা স্বীকার করেছে| তারা পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার সময় মোট সাতজন ছিলেন|
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন| গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা একটি অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন| পথে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমানের (২৪) নেতৃত্বে ৬-৭ জন সহযোগী দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের পথরোধ করে|
অভিযুক্তরা জোরপূর্বক অটোরিকশাটিকে ছিনাইয়া মোড় থেকে একটি নির্জন ইটের রাস্তার ওপর নিয়ে যায়| সেখানে আশিকুর রহমান ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখে এবং বাকিরা তাঁর স্বামী ও অটোচালককে মারধর করে দূরে সরিয়ে দেয়| এই সুযোগে আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে|
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে| তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে| প্রধান অভিযুক্ত আশিকুর রহমানসহ বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে|
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মো. শহিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালে এসেছিলেন| ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্পট ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে|
তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আনিস উদ্দিন বলেন, অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না| জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে, দ্রুতই পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় আনা হবে|