মেঘনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার নদীপথে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় নৌ চাঁদাবাজ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ| তারা হলেন- মো. জিয়া এবং বাল্কহেডের শুকানি শফিক মিয়া| গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চালিভাঙ্গা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন|
নৌ পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার টোল প্লাজা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়| এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কাঁঠালিয়া নদী থেকে শফিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়| পরে তার দেওয়া তথ্যে জিয়ার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়| গ্রেপ্তার জিয়া মেঘনা উপজেলার লক্ষণখোলা গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে এবং শফিক মিয়া সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ওলাসনগর গ্রামের রহম আলীর ছেলে|
নৌ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে মেঘনা নদীর বটতলী এলাকা থেকে কাঁঠালিয়া ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ নৌপথে জিয়ার নেতৃত্বে একটি চক্র বালুবাহী বাল্কহেডসহ বিভিন্ন নৌযান থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছিল| চাঁদা দিতে অ¯^ীকৃতি জানালে শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও গুরুতর আহত করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে|
সুকানি শফিক মিয়া সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চল থেকে আসা বাল্কহেডগুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো করতেন এবং তাদের অবস্থান চক্রের সদস্যদের জানাতেন| এরপর সেই তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেট নির্ধারণ করে চাঁদা আদায় করা হতো| প্রতিটি বাল্কহেড থেকে পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ| আদায়কৃত অর্থ চক্রের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হতো, যার একটি অংশ পেতেন শফিকও|
চালিভাঙ্গা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন| চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে| তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে|

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার নদীপথে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় নৌ চাঁদাবাজ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ| তারা হলেন- মো. জিয়া এবং বাল্কহেডের শুকানি শফিক মিয়া| গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চালিভাঙ্গা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন|
নৌ পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার টোল প্লাজা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়| এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কাঁঠালিয়া নদী থেকে শফিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়| পরে তার দেওয়া তথ্যে জিয়ার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়| গ্রেপ্তার জিয়া মেঘনা উপজেলার লক্ষণখোলা গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে এবং শফিক মিয়া সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ওলাসনগর গ্রামের রহম আলীর ছেলে|
নৌ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে মেঘনা নদীর বটতলী এলাকা থেকে কাঁঠালিয়া ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ নৌপথে জিয়ার নেতৃত্বে একটি চক্র বালুবাহী বাল্কহেডসহ বিভিন্ন নৌযান থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছিল| চাঁদা দিতে অ¯^ীকৃতি জানালে শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও গুরুতর আহত করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে|
সুকানি শফিক মিয়া সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চল থেকে আসা বাল্কহেডগুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো করতেন এবং তাদের অবস্থান চক্রের সদস্যদের জানাতেন| এরপর সেই তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেট নির্ধারণ করে চাঁদা আদায় করা হতো| প্রতিটি বাল্কহেড থেকে পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ| আদায়কৃত অর্থ চক্রের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হতো, যার একটি অংশ পেতেন শফিকও|
চালিভাঙ্গা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন| চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে| তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে|